Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Election Commission: ১৩ কোটি ভোটার বাদের ধাক্কায় ব্যাকফুটে নির্বাচন কমিশন! নাম তুলতে ফের বিএলও-দের বাড়ি পাঠানোর সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
Election Commission: ১৩ কোটি ভোটার বাদের ধাক্কায় ব্যাকফুটে নির্বাচন কমিশন! নাম তুলতে ফের বিএলও-দের বাড়ি পাঠানোর সিদ্ধান্ত
নির্বাচন কমিশন

নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে ক্রমাগত চাপ ও বিরোধীদের সুর চড়ানোর মুখে পড়ে শেষমেশ বিরাট নমনীয় অবস্থান নিতে বাধ্য হল ভারতের নির্বাচন কমিশন। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় কোটি কোটি যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার পর তীব্র বিতর্কের মুখে পড়ে এবার বিশেষ মেগা অভিযানের ঘোষণা করা হলো। ‘কোনো বৈধ ভোটার যেন বাদ না যান’—এই বার্তা সামনে রেখে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিএলও-রা (BLO) ফের প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাদ পড়া তরুণ ও যোগ্য ভোটারদের খুঁজে বের করে তালিকায় নাম তোলার উদ্যোগ নেবেন।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ, বিহারসহ যে ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ইতিমধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, সেখানেই প্রথম ধাপে এই বিশাল ড্রাইভার বা ড্রাইভ শুরু হতে চলেছে। যে সমস্ত নাগরিক কোনো কারণে আগের ধাপে নাম তুলতে পারেননি বা ১৮ বছর বয়স পেরোনো সত্ত্বেও তালিকায় স্থান পাননি, তাঁদের খুঁজে বের করাই হবে মূল কাজ। রাজ্যের সিইও (CEO), ইআরও (ERO) এবং এইআরও-দের (AERO) কাছে ইতিমধ্যেই স্পষ্ট নির্দেশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগামী এক মাস ধরে বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রতিটি পরিবারের ভোটার স্টেটাস খতিয়ে দেখবেন এবং বাদ পড়া ভোটারদের সরাসরি ফর্ম সিক্স (Form 6) পূরণ করাবেন।


উল্লেখ্য, সম্প্রতি সম্পূর্ণ হওয়া এসআইআর প্রক্রিয়ায় সারা দেশের ২০টি রাজ্যে প্রায় ১৩ কোটি মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে ছাঁটাই হয়েছে বলে অভিযোগ। বহু বৈধ নাগরিকের নাম আচমকা গায়েব হয়ে যাওয়া এবং ফর্ম সিক্সের অনিয়ম নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। কমিশন ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিরোধী দলগুলি সুর চড়িয়েছে এবং আন্দোলন জোরদার করেছে। এমনকি কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে একাধিক ছাত্র ও সামাজিক সংগঠন দিল্লির রাজপথে নেমে সরব হয়েছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, চারদিক থেকে আসা তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভের চাপ সামলাতেই শেষমেশ ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামতে বাধ্য হয়েছে কমিশন। প্রশাসনিক স্তরে বিএলও-দের সরাসরি বাড়ি গিয়ে বাদ পরাদের নথিভুক্ত করার নির্দেশে সাধারণ মানুষের অসন্তোষ কিছুটা কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে এক মাসের মধ্যে এই বিশাল কাজ কতটা স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন হয়, এখন সেটাই দেখার।

বিষয় : VOTER LIST ELECTION COMMISSION DEMOCRACY indian politics

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


Election Commission: ১৩ কোটি ভোটার বাদের ধাক্কায় ব্যাকফুটে নির্বাচন কমিশন! নাম তুলতে ফের বিএলও-দের বাড়ি পাঠানোর সিদ্ধান্ত

প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে ক্রমাগত চাপ ও বিরোধীদের সুর চড়ানোর মুখে পড়ে শেষমেশ বিরাট নমনীয় অবস্থান নিতে বাধ্য হল ভারতের নির্বাচন কমিশন। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় কোটি কোটি যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার পর তীব্র বিতর্কের মুখে পড়ে এবার বিশেষ মেগা অভিযানের ঘোষণা করা হলো। ‘কোনো বৈধ ভোটার যেন বাদ না যান’—এই বার্তা সামনে রেখে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিএলও-রা (BLO) ফের প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাদ পড়া তরুণ ও যোগ্য ভোটারদের খুঁজে বের করে তালিকায় নাম তোলার উদ্যোগ নেবেন।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ, বিহারসহ যে ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ইতিমধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, সেখানেই প্রথম ধাপে এই বিশাল ড্রাইভার বা ড্রাইভ শুরু হতে চলেছে। যে সমস্ত নাগরিক কোনো কারণে আগের ধাপে নাম তুলতে পারেননি বা ১৮ বছর বয়স পেরোনো সত্ত্বেও তালিকায় স্থান পাননি, তাঁদের খুঁজে বের করাই হবে মূল কাজ। রাজ্যের সিইও (CEO), ইআরও (ERO) এবং এইআরও-দের (AERO) কাছে ইতিমধ্যেই স্পষ্ট নির্দেশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগামী এক মাস ধরে বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রতিটি পরিবারের ভোটার স্টেটাস খতিয়ে দেখবেন এবং বাদ পড়া ভোটারদের সরাসরি ফর্ম সিক্স (Form 6) পূরণ করাবেন।উল্লেখ্য, সম্প্রতি সম্পূর্ণ হওয়া এসআইআর প্রক্রিয়ায় সারা দেশের ২০টি রাজ্যে প্রায় ১৩ কোটি মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে ছাঁটাই হয়েছে বলে অভিযোগ। বহু বৈধ নাগরিকের নাম আচমকা গায়েব হয়ে যাওয়া এবং ফর্ম সিক্সের অনিয়ম নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। কমিশন ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিরোধী দলগুলি সুর চড়িয়েছে এবং আন্দোলন জোরদার করেছে। এমনকি কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে একাধিক ছাত্র ও সামাজিক সংগঠন দিল্লির রাজপথে নেমে সরব হয়েছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, চারদিক থেকে আসা তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভের চাপ সামলাতেই শেষমেশ ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামতে বাধ্য হয়েছে কমিশন। প্রশাসনিক স্তরে বিএলও-দের সরাসরি বাড়ি গিয়ে বাদ পরাদের নথিভুক্ত করার নির্দেশে সাধারণ মানুষের অসন্তোষ কিছুটা কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে এক মাসের মধ্যে এই বিশাল কাজ কতটা স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন হয়, এখন সেটাই দেখার।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত