Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Supreme Court: মোদীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বিরাট জয়! রাহুলের মানহানি মামলায় স্থগিতাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
Supreme Court: মোদীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বিরাট জয়! রাহুলের মানহানি মামলায় স্থগিতাদেশ
রাহুল গান্ধীকে স্বস্তি সুপ্রিম কোর্টের। ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উদ্দেশ্য করে করা বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে চলা দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে অবশেষে বড়সড় স্বস্তি পেলেন কংগ্রেস সংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। মহারাষ্ট্রের ট্রায়াল কোর্টে তাঁর বিরুদ্ধে চলা মানহানির মামলায় স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের একটি ডিভিশন বেঞ্চ। সেই সঙ্গে রাহুল গান্ধীর আবেদনের ভিত্তিতে শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে মহারাষ্ট্র সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সমস্ত পক্ষের প্রতি কারণ দর্শানোর নোটিস জারি করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এর লিখিত জবাব তলব করেছে আদালত।

বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে। কর্ণাটকের এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেছিলেন, “সব চোরেদের পদবি কেন মোদী হয়? নীরব মোদী, ললিত মোদী, নরেন্দ্র মোদী।” তাঁর এই মন্তব্যের পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দেশের রাজনীতি। বিজেপির পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় এবং বিজেপি বিধায়ক পূর্ণেশ মোদী গুজরাটের নিম্ন আদালতে অপরাধমূলক মানহানির মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ২০২৩ সালে আদালত রাহুলকে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়, যার ফলে রাতারাতি রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ হয়ে যায় এবং পরবর্তী ছয় বছরের জন্য তাঁর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ওপর নিষেধাজ্ঞা নেমে আসে। গুজরাট হাইকোর্টে আবেদন জানানো হলেও নিম্ন আদালতের রায়ই বহাল রাখা হয়।

পরবর্তীতে এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন রাহুল গান্ধী। সেই সময় সর্বোচ্চ আদালত ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায় যে, কেন নিম্ন আদালত তাঁকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সাজা শোনাল, তার কোন যথাযথ কারণ দেখানো হয়নি। এরপর তাঁর দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়ার পাশাপাশি রাহুলকে ভবিষ্যতে পাবলিক স্পিচে আরও সংযত থাকার পরামর্শ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। এই একই ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের ট্রায়াল কোর্টেও তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা চালু ছিল, যেখানে বোম্বে হাইকোর্ট সমন জারি করেছিল। এবার সেই মামলাতেও সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ দেওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে হাত শিবির। চার সপ্তাহ পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

বিষয় : NarendraModi SupremeCourt SupremeCourtVerdict rahulgandhi HiddenStoriesNews Congress IndianPolitics ViralNews DefamationCase

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


Supreme Court: মোদীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বিরাট জয়! রাহুলের মানহানি মামলায় স্থগিতাদেশ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উদ্দেশ্য করে করা বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে চলা দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে অবশেষে বড়সড় স্বস্তি পেলেন কংগ্রেস সংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। মহারাষ্ট্রের ট্রায়াল কোর্টে তাঁর বিরুদ্ধে চলা মানহানির মামলায় স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের একটি ডিভিশন বেঞ্চ। সেই সঙ্গে রাহুল গান্ধীর আবেদনের ভিত্তিতে শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে মহারাষ্ট্র সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সমস্ত পক্ষের প্রতি কারণ দর্শানোর নোটিস জারি করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এর লিখিত জবাব তলব করেছে আদালত।বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে। কর্ণাটকের এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেছিলেন, “সব চোরেদের পদবি কেন মোদী হয়? নীরব মোদী, ললিত মোদী, নরেন্দ্র মোদী।” তাঁর এই মন্তব্যের পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দেশের রাজনীতি। বিজেপির পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় এবং বিজেপি বিধায়ক পূর্ণেশ মোদী গুজরাটের নিম্ন আদালতে অপরাধমূলক মানহানির মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ২০২৩ সালে আদালত রাহুলকে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়, যার ফলে রাতারাতি রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ হয়ে যায় এবং পরবর্তী ছয় বছরের জন্য তাঁর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ওপর নিষেধাজ্ঞা নেমে আসে। গুজরাট হাইকোর্টে আবেদন জানানো হলেও নিম্ন আদালতের রায়ই বহাল রাখা হয়।পরবর্তীতে এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন রাহুল গান্ধী। সেই সময় সর্বোচ্চ আদালত ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায় যে, কেন নিম্ন আদালত তাঁকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সাজা শোনাল, তার কোন যথাযথ কারণ দেখানো হয়নি। এরপর তাঁর দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়ার পাশাপাশি রাহুলকে ভবিষ্যতে পাবলিক স্পিচে আরও সংযত থাকার পরামর্শ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। এই একই ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের ট্রায়াল কোর্টেও তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা চালু ছিল, যেখানে বোম্বে হাইকোর্ট সমন জারি করেছিল। এবার সেই মামলাতেও সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ দেওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে হাত শিবির। চার সপ্তাহ পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত