বারাসত: শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনের কিনারা করতে মরিয়া রাজ্য প্রশাসন। তদন্ত যত এগোচ্ছে, পরতে পরতে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য! শুক্রবার বারাসতের ১১ নম্বর রেলগেটের কাছ থেকে উদ্ধার হল এই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দ্বিতীয় বাইকটি। কিন্তু, এখনও রহস্য দানা বেঁধে রয়েছে একটি নিখোঁজ লাল রঙের গাড়ি ঘিরে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, সেই গাড়িটি ভিনরাজ্যের এবং খুনিরা হয়তো রাজ্য ছেড়ে পালিয়েছে!
পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া বাইকটির নম্বর ‘WB 24B M4052’। ইতিপূর্বে বিমানবন্দরের আড়াই নম্বর গেটের কাছ থেকে আরও একটি বাইক উদ্ধার করা হয়েছিল, যার নম্বরপ্লেট ছিল জাল। তবে, বারাসতে পাওয়া এই বাইকটির ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মনে করা হচ্ছে, খুনের পর এই বাইকে করেই দুষ্কৃতীরা রেলগেট পর্যন্ত পৌঁছয় এবং সেখানে বাইক ফেলে রেখে অন্য গাড়িতে চম্পট দেয়।
ঘটনার দিন সিসিটিভি ফুটেজে একটি লাল রঙের সন্দেহভাজন গাড়ি দেখা গিয়েছিল। সেই গাড়িটির হদিশ এখনও না মেলায় তদন্তকারীরা মনে করছেন সেটি ভিনরাজ্যের নম্বরপ্লেট নিয়ে এসেছিল। এই খুনের জাল কতদূর বিস্তৃত তা খতিয়ে দেখতে আইপিএস অজয় ঠাকুরের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের সিট (SIT) গঠন করা হয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ভিনরাজ্যের STF ও ATS-কেও সতর্ক করা হয়েছে। আততায়ীদের ধরতে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিও এখন সক্রিয়।
চন্দ্রনাথ রথকে যেভাবে তাঁর মধ্যমগ্রামের ফ্ল্যাটের কাছেই সুপারি কিলার দিয়ে খুন করা হয়েছে, তাতে খুনিরা এলাকার অলিগলি সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল ছিল বলেই অনুমান। স্রেফ বহিরাগত দুষ্কৃতীদের পক্ষে এত নিখুঁতভাবে পালানো সম্ভব নয় বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। ফলে, স্থানীয় কোনও পরিচিত ব্যক্তির যোগসাজশের সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে।
যদিও খুনের পর দু-দিন হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। কারা এই খুনের মাস্টারমাইন্ড, তা জানতেই এখন হন্যে হয়ে ঘুরছেন তদন্তকারীরা।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন