ঢাকাঃ
বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রণদামামা বেজে গিয়েছে। আর নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই চর্চায় উঠে আসছে রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি। তবে ভোটের মুখে যত্রতত্র গানম্যান বা অস্ত্রধারী দেহরক্ষী দেওয়ার পথে হাঁটছে না বাংলাদেশ সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নেতাদের আবেদনের ভিত্তিতে শুরু হয়েছে কড়া ‘নিরাপত্তা যাচাই’ বা স্ক্রিনিং। আর সেই ছাঁকুনিতে একদিকে যেমন সাকি বা রেজাউল করীমের মতো নেতারা নিরাপত্তা পাচ্ছেন, তেমনই আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে অলি আহমদ বা আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর মতো হেভিওয়েটদের।
কারা পেলেন নিরাপত্তা?
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে খবর, গত বুধবার তিন নেতার জন্য গানম্যান নিয়োগের সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে।
তাঁরা হলেন:
সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির (চরমোনাই পীর)
জোনায়েদ সাকি: গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী
মাসুদ অরুণ: মেহেরপুর-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী
পুলিশ সদর দপ্তরকে ইতিমধ্যেই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে যাতে দ্রুত তাঁদের এই বিশেষ নিরাপত্তা বলয় সুনিশ্চিত করা হয়
আবেদন খারিজ হল যাঁদের সব আবেদনকারী অবশ্য প্রশাসনের গুডবুকে নেই। তালিকার অন্যতম বড় নাম আনোয়ার হোসেন মঞ্জু (জাতীয় পার্টির-জেপি চেয়ারম্যান) এবং কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (এলডিপি সভাপতি)।
সূত্রের খবর, এঁদের গানম্যানের আবেদন আপাতত নাকচ করে দিয়েছে মন্ত্রণালয়। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইনের আবেদনও ধোপে টেকেনি।
কেন এই কড়াকড়ি?
প্রশাসনের অন্দরমহলের খবর, এবার ঢালাওভাবে কাউকে গানম্যান দেওয়ার পক্ষপাতী নয় ঢাকা। প্রায় ২০ জন রাজনীতিবিদ এই আবেদন জানিয়েছিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাফ জানিয়ে দিয়েছে:
১. প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর সামগ্রিক পরিস্থিতি বিচার করেই নিরাপত্তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২. আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত সতর্ক পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন