Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মাঝরাতে বিবস্ত্র হয়ে মন্দিরে তরুণী আইটি কর্মী! বিগ্রহ নিয়ে পুকুরে মরণঝাঁপ, সকালে মিলল নিথর দেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬
মাঝরাতে বিবস্ত্র হয়ে মন্দিরে তরুণী আইটি কর্মী! বিগ্রহ নিয়ে পুকুরে মরণঝাঁপ, সকালে মিলল নিথর দেহ
ছবি সংগৃহীত

হায়দরাবাদ: মাঝরাতে আচমকাই ঘুম থেকে উঠে ঘরের বাইরে থেকে মায়ের ঘরের দরজা আটকে দেওয়া, তারপর বিবস্ত্র অবস্থায় রাজপথ ধরে সোজা মন্দিরের দিকে দৌড়। শুধু তাই নয়, মন্দিরে ঢুকে বিগ্রহ হাতে তুলে নিয়ে সংলগ্ন পুকুরে মরণঝাঁপ! তেলঙ্গানার হায়দরাবাদের মেদিপল্লিতে এক তরুণী তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর এমন চরম ও হাড়হিম করা আচরণে স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার সকালে মন্দির সংলগ্ন ওই পুকুর থেকেই তরুণীর নিথর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে অত্যন্ত খোঁজাখুঁজির পরেও জল থেকে নিখোঁজ বিগ্রহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। মৃত তরুণী পেশায় একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে বেঙ্গালুরুর একটি নামী সংস্থায় কর্মরত ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তরুণীর মূল বাড়ি ভিজিয়ানগ্রামে হলেও গত দু’মাস ধরে তিনি মেদিপল্লির পীরজাদিগুড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে মায়ের সঙ্গে থাকছিলেন। গত শুক্রবার রাতে যথারীতি খাওয়া-দাওয়া সেরে মায়ের সঙ্গে শুতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রাত আড়াইটে নাগাদ আচমকাই বিছানা ছেড়ে ওঠেন ওই তরুণী। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, রাত ২টো ৩৫ মিনিটে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র অবস্থায় হাতে একটি শাড়ি নিয়ে রাস্তা দিয়ে পাগলের মতো ছুটছেন তিনি। ঠিক দশ মিনিট পর, অর্থাৎ ২টো ৪৫ মিনিটে মেদিপল্লির একটি স্থানীয় মন্দিরে প্রবেশ করেন ওই তরুণী। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ ভক্তিভরে প্রার্থনা করার পরই আচমকা মন্দিরের মূল বিগ্রহটি দু'হাতে তুলে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন এবং সোজা গিয়ে ঝাঁপ দেন গভীর পুকুরে।


শনিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজের ঘর বাইরে থেকে বন্ধ দেখে প্রতিবেশীদের ডাকেন তরুণীর মা। দরজা খোলার পর চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু হতেই সামনে আসে পুকুরে দেহ ভেসে ওঠার মর্মান্তিক দৃশ্য। ঘটনার তদন্তে নেমে মেদিপল্লির থানার পুলিশ জানতে পেরেছে, মাস ছয়েক আগেই বেঙ্গালুরুর আইটি কোম্পানির চাকরিটি ছেড়ে দিয়েছিলেন ওই তরুণী। তারপর থেকেই চরম মানসিক অবসাদ গ্রাস করেছিল তাঁকে, যার জন্য নিয়মিত চিকিৎসাও চলছিল। পুলিশকে দেওয়া বয়ানে তরুণীর মা জানিয়েছেন, ইদানীং মাঝেমধ্যেই তীব্র প্যানিক অ্যাটাক হতো তাঁর মেয়ের এবং সবসময় এক অজানা আতঙ্কে ভুগতেন তিনি। তবে কিসের এই আতঙ্ক, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ আপাতত একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার নেপথ্যে থাকা মানসিক ও পারিপার্শ্বিক সমস্ত কারণ খতিয়ে দেখছে।

বিষয় : HyderabadTragedy TELENGANANEWS mentalhealthawarness TechieDeath

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬


মাঝরাতে বিবস্ত্র হয়ে মন্দিরে তরুণী আইটি কর্মী! বিগ্রহ নিয়ে পুকুরে মরণঝাঁপ, সকালে মিলল নিথর দেহ

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬

featured Image
হায়দরাবাদ: মাঝরাতে আচমকাই ঘুম থেকে উঠে ঘরের বাইরে থেকে মায়ের ঘরের দরজা আটকে দেওয়া, তারপর বিবস্ত্র অবস্থায় রাজপথ ধরে সোজা মন্দিরের দিকে দৌড়। শুধু তাই নয়, মন্দিরে ঢুকে বিগ্রহ হাতে তুলে নিয়ে সংলগ্ন পুকুরে মরণঝাঁপ! তেলঙ্গানার হায়দরাবাদের মেদিপল্লিতে এক তরুণী তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর এমন চরম ও হাড়হিম করা আচরণে স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার সকালে মন্দির সংলগ্ন ওই পুকুর থেকেই তরুণীর নিথর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে অত্যন্ত খোঁজাখুঁজির পরেও জল থেকে নিখোঁজ বিগ্রহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। মৃত তরুণী পেশায় একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে বেঙ্গালুরুর একটি নামী সংস্থায় কর্মরত ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তরুণীর মূল বাড়ি ভিজিয়ানগ্রামে হলেও গত দু’মাস ধরে তিনি মেদিপল্লির পীরজাদিগুড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে মায়ের সঙ্গে থাকছিলেন। গত শুক্রবার রাতে যথারীতি খাওয়া-দাওয়া সেরে মায়ের সঙ্গে শুতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রাত আড়াইটে নাগাদ আচমকাই বিছানা ছেড়ে ওঠেন ওই তরুণী। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, রাত ২টো ৩৫ মিনিটে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র অবস্থায় হাতে একটি শাড়ি নিয়ে রাস্তা দিয়ে পাগলের মতো ছুটছেন তিনি। ঠিক দশ মিনিট পর, অর্থাৎ ২টো ৪৫ মিনিটে মেদিপল্লির একটি স্থানীয় মন্দিরে প্রবেশ করেন ওই তরুণী। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ ভক্তিভরে প্রার্থনা করার পরই আচমকা মন্দিরের মূল বিগ্রহটি দু'হাতে তুলে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন এবং সোজা গিয়ে ঝাঁপ দেন গভীর পুকুরে।শনিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজের ঘর বাইরে থেকে বন্ধ দেখে প্রতিবেশীদের ডাকেন তরুণীর মা। দরজা খোলার পর চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু হতেই সামনে আসে পুকুরে দেহ ভেসে ওঠার মর্মান্তিক দৃশ্য। ঘটনার তদন্তে নেমে মেদিপল্লির থানার পুলিশ জানতে পেরেছে, মাস ছয়েক আগেই বেঙ্গালুরুর আইটি কোম্পানির চাকরিটি ছেড়ে দিয়েছিলেন ওই তরুণী। তারপর থেকেই চরম মানসিক অবসাদ গ্রাস করেছিল তাঁকে, যার জন্য নিয়মিত চিকিৎসাও চলছিল। পুলিশকে দেওয়া বয়ানে তরুণীর মা জানিয়েছেন, ইদানীং মাঝেমধ্যেই তীব্র প্যানিক অ্যাটাক হতো তাঁর মেয়ের এবং সবসময় এক অজানা আতঙ্কে ভুগতেন তিনি। তবে কিসের এই আতঙ্ক, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ আপাতত একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার নেপথ্যে থাকা মানসিক ও পারিপার্শ্বিক সমস্ত কারণ খতিয়ে দেখছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার