Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

কখনও রেজিনগর কখনও শক্তিপুর, বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে থানায় থানায় চড়কিপাক হুমায়ুনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬
কখনও রেজিনগর কখনও শক্তিপুর, বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে থানায় থানায় চড়কিপাক হুমায়ুনের
ছবি সংগৃহীত

বহরমপুর: বিতর্কিত ‘স্যাটাভাঙা’ মন্তব্যের জেরে আইনি বিপাকে পড়ে এবার কার্যত চড়কিপাক খাচ্ছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (AJUP) বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। একদা হুঙ্কার ছাড়া এই হেভিওয়েট নেতাকে এখন ‘সবক’ শেখাতে রেজিনগর ও শক্তিপুর থানা কার্যত নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাচ্ছে। পূর্বের নোটিশ এড়িয়ে গেলেও, রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য শক্তিপুর থানায় হাজিরা দিলেন হুমায়ুন কবীর। 


একের পর এক হুমকি ও হুঁশিয়ারি দিলেও শেষ পর্যন্ত মাথা নিচু করেই তাঁকে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। গত ২৬ জুন রেজিনগরে দলীয় সভা থেকে উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে রেজিনগর ও শক্তিপুর থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়, যার পর থেকেই প্রতিনিয়ত এই বিধায়ককে এক থানা থেকে অন্য থানায় চক্কর কাটতে হচ্ছে।


রেজিনগরের সেই বিতর্কিত সভার পরেই বিধানসভায় দাঁড়িয়ে হুমায়ুন কবীরকে প্রকাশ্যেই ‘সবক’ শেখানোর কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর সেই চরম বার্তার পরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এরপরই বিতর্কিত মন্তব্য-মামলায় জোরদার পদক্ষেপ নিয়ে রেজিনগরের ওই সভার মূল তিন আয়োজক তথা আম জনতা উন্নয়ন পার্টির তিন নেতাকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সহযোগীদের এই গ্রেপ্তারি এবং মুখ্যমন্ত্রীর অনড় মনোভাবের পর থেকেই কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন হুমায়ুন কবীর, যার জেরে এখন পুলিশি জেরা এড়ানোর কোনও পথই তাঁর খোলা নেই।

রাজারহাট নারায়ণপুর বিস্ফোরণ, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে বিধায়ক পীযূষ কান্তি পান্ডে


হুমায়ুন কবীরের এই থানা-দৌড়ের পর্বটি মোটেও মসৃণ ছিল না। গত ৩ জুলাই শক্তিপুর থানার প্রথম হাজিরা তিনি এড়িয়ে গেলেও, তার ঠিক পরের দিনই রেজিনগর থানার পুলিশ তাঁকে দীর্ঘ চার ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করে। সেদিন থানায় ঢোকার মুখে অত্যন্ত চড়া সুরে হুমায়ুন দাবি করেছিলেন, তিনি গ্রেপ্তার হলে আরও ১০০-১২০ জন কর্মী স্বেচ্ছায় গ্রেপ্তার হতে প্রস্তুত এবং সেই তালিকাও তৈরি আছে।


 তবে তদন্তকারীরা সাফ জানান, বিধায়কের জবাবে তাঁরা সন্তুষ্ট নন। এরপর ১৪ জুলাই ফের রেজিনগর থানায় তাঁকে চার ঘণ্টারও বেশি সময় জেরা করা হয়, যেখান থেকে বেরিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে পুলিশকে ‘দলদাস’ বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন এই এজেইউপি বিধায়ক। কিন্তু সেই দিনই শক্তিপুর থানার দ্বিতীয় নোটিশ চলে আসায় রবিবারের ছুটির দিনেও বাধ্য হয়ে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে হল তাঁকে, যা ঘিরে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।

বিষয় : HUMAYUN KABIR WestBengalPolitics PoliceInvestigation suvendu adhikari MurshidabadPolitics

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬


কখনও রেজিনগর কখনও শক্তিপুর, বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে থানায় থানায় চড়কিপাক হুমায়ুনের

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬

featured Image
বহরমপুর: বিতর্কিত ‘স্যাটাভাঙা’ মন্তব্যের জেরে আইনি বিপাকে পড়ে এবার কার্যত চড়কিপাক খাচ্ছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (AJUP) বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। একদা হুঙ্কার ছাড়া এই হেভিওয়েট নেতাকে এখন ‘সবক’ শেখাতে রেজিনগর ও শক্তিপুর থানা কার্যত নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাচ্ছে। পূর্বের নোটিশ এড়িয়ে গেলেও, রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য শক্তিপুর থানায় হাজিরা দিলেন হুমায়ুন কবীর। একের পর এক হুমকি ও হুঁশিয়ারি দিলেও শেষ পর্যন্ত মাথা নিচু করেই তাঁকে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। গত ২৬ জুন রেজিনগরে দলীয় সভা থেকে উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে রেজিনগর ও শক্তিপুর থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়, যার পর থেকেই প্রতিনিয়ত এই বিধায়ককে এক থানা থেকে অন্য থানায় চক্কর কাটতে হচ্ছে।রেজিনগরের সেই বিতর্কিত সভার পরেই বিধানসভায় দাঁড়িয়ে হুমায়ুন কবীরকে প্রকাশ্যেই ‘সবক’ শেখানোর কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর সেই চরম বার্তার পরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এরপরই বিতর্কিত মন্তব্য-মামলায় জোরদার পদক্ষেপ নিয়ে রেজিনগরের ওই সভার মূল তিন আয়োজক তথা আম জনতা উন্নয়ন পার্টির তিন নেতাকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সহযোগীদের এই গ্রেপ্তারি এবং মুখ্যমন্ত্রীর অনড় মনোভাবের পর থেকেই কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন হুমায়ুন কবীর, যার জেরে এখন পুলিশি জেরা এড়ানোর কোনও পথই তাঁর খোলা নেই।রাজারহাট নারায়ণপুর বিস্ফোরণ, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে বিধায়ক পীযূষ কান্তি পান্ডেহুমায়ুন কবীরের এই থানা-দৌড়ের পর্বটি মোটেও মসৃণ ছিল না। গত ৩ জুলাই শক্তিপুর থানার প্রথম হাজিরা তিনি এড়িয়ে গেলেও, তার ঠিক পরের দিনই রেজিনগর থানার পুলিশ তাঁকে দীর্ঘ চার ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করে। সেদিন থানায় ঢোকার মুখে অত্যন্ত চড়া সুরে হুমায়ুন দাবি করেছিলেন, তিনি গ্রেপ্তার হলে আরও ১০০-১২০ জন কর্মী স্বেচ্ছায় গ্রেপ্তার হতে প্রস্তুত এবং সেই তালিকাও তৈরি আছে। তবে তদন্তকারীরা সাফ জানান, বিধায়কের জবাবে তাঁরা সন্তুষ্ট নন। এরপর ১৪ জুলাই ফের রেজিনগর থানায় তাঁকে চার ঘণ্টারও বেশি সময় জেরা করা হয়, যেখান থেকে বেরিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে পুলিশকে ‘দলদাস’ বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন এই এজেইউপি বিধায়ক। কিন্তু সেই দিনই শক্তিপুর থানার দ্বিতীয় নোটিশ চলে আসায় রবিবারের ছুটির দিনেও বাধ্য হয়ে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে হল তাঁকে, যা ঘিরে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার