Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি খোদ সাংসদের, ছুটির দিনে হাই কোর্টে নজিরবিহীন জরুরি শুনানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬
আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি খোদ সাংসদের, ছুটির দিনে হাই কোর্টে নজিরবিহীন জরুরি শুনানি
ফাইল ছবি

কলকাতা: ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় কার্যালয় বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শনিবারের এই বেনজির অ্যাকশনের পর ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি, তার মধ্যেই রবিবার ছুটির দিনে কলকাতা হাই কোর্টে জরুরি শুনানির আর্জি জানালেন সাংসদের আইনজীবী।

কাঁথিতে বিজেপির দুই দিনের প্রশিক্ষণ শিবির, দীনদয়াল উপাধ্যায়ের আদর্শ তুলে ধরলেন নেতৃত্ব


 ছুটির দিনে আদালত খুলতেই এই মামলা দায়ের করা হয় এবং বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর এজলাসে নজিরবিহীনভাবে এই জরুরি শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হতে চলেছে এই হাই-ভোল্টেজ মামলার সওয়াল-জবাব। শনিবার কার্যালয় ভাঙার পরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে তিনি আইনি পথেই এই লড়াই লড়বেন, আর সেই মোতাবেক রবিবার সকালেই আদালতের দ্বারস্থ হলেন তিনি।


শনিবার সকালে ডায়মন্ড হারবারের আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কার্যালয়কে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন উত্তেজনা ছড়ায়। সকাল থেকেই গোটা এলাকা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছিল। এরপর বেলা বাড়তেই তিনটি বুলডোজার নিয়ে এসে কার্যালয় ভাঙার কাজ শুরু করে প্রশাসন। তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকে পুলিশ এবং স্থানীয়দের একাংশ ভেতরে ভাঙচুর চালায় বলেও অভিযোগ। সাংসদের এই অফিস ভাঙা শুরু হতেই সেখানে জড়ো হয়ে উল্লাসে মেতে ওঠেন বিজেপি কর্মীরা। ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে তাঁদের অভিযোগ, এই কার্যালয় ছিল শাহজাহান ও জাহাঙ্গিরের মতো গুন্ডাদের আসল ঘাঁটি, যেখান থেকে বসে সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচারের নীল নকশা তৈরি হতো।


প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কার্যালয়টি সম্পূর্ণ অবৈধভাবে কোনও বৈধ প্ল্যান ও নথি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল। এই বিষয়ে গত সাত দিনের ব্যবধানে দু-দুটি নোটিসও পাঠানো হয়েছিল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, যে জমির ওপর কার্যালয়টি তৈরি হয়েছে, তা আসলে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ কোম্পানির নামে কেনা এবং সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রয়েছে। এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেককে জেলা প্রশাসনের দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও, পরপর দুটি নোটিসে কোনও সাড়া মেলেনি। আর সেই কারণেই এই চরম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। এখন ছুটির দিনে হাই কোর্টের এই নজিরবিহীন শুনানি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

বিষয় : Abhisheik Banerjee diamondharbour kolkatapolitics CalcuttaHighCourt BULLDOZERACTION

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬


আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি খোদ সাংসদের, ছুটির দিনে হাই কোর্টে নজিরবিহীন জরুরি শুনানি

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় কার্যালয় বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শনিবারের এই বেনজির অ্যাকশনের পর ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি, তার মধ্যেই রবিবার ছুটির দিনে কলকাতা হাই কোর্টে জরুরি শুনানির আর্জি জানালেন সাংসদের আইনজীবী।কাঁথিতে বিজেপির দুই দিনের প্রশিক্ষণ শিবির, দীনদয়াল উপাধ্যায়ের আদর্শ তুলে ধরলেন নেতৃত্ব ছুটির দিনে আদালত খুলতেই এই মামলা দায়ের করা হয় এবং বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর এজলাসে নজিরবিহীনভাবে এই জরুরি শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হতে চলেছে এই হাই-ভোল্টেজ মামলার সওয়াল-জবাব। শনিবার কার্যালয় ভাঙার পরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে তিনি আইনি পথেই এই লড়াই লড়বেন, আর সেই মোতাবেক রবিবার সকালেই আদালতের দ্বারস্থ হলেন তিনি।শনিবার সকালে ডায়মন্ড হারবারের আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কার্যালয়কে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন উত্তেজনা ছড়ায়। সকাল থেকেই গোটা এলাকা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছিল। এরপর বেলা বাড়তেই তিনটি বুলডোজার নিয়ে এসে কার্যালয় ভাঙার কাজ শুরু করে প্রশাসন। তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকে পুলিশ এবং স্থানীয়দের একাংশ ভেতরে ভাঙচুর চালায় বলেও অভিযোগ। সাংসদের এই অফিস ভাঙা শুরু হতেই সেখানে জড়ো হয়ে উল্লাসে মেতে ওঠেন বিজেপি কর্মীরা। ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে তাঁদের অভিযোগ, এই কার্যালয় ছিল শাহজাহান ও জাহাঙ্গিরের মতো গুন্ডাদের আসল ঘাঁটি, যেখান থেকে বসে সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচারের নীল নকশা তৈরি হতো।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কার্যালয়টি সম্পূর্ণ অবৈধভাবে কোনও বৈধ প্ল্যান ও নথি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল। এই বিষয়ে গত সাত দিনের ব্যবধানে দু-দুটি নোটিসও পাঠানো হয়েছিল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, যে জমির ওপর কার্যালয়টি তৈরি হয়েছে, তা আসলে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ কোম্পানির নামে কেনা এবং সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রয়েছে। এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেককে জেলা প্রশাসনের দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও, পরপর দুটি নোটিসে কোনও সাড়া মেলেনি। আর সেই কারণেই এই চরম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। এখন ছুটির দিনে হাই কোর্টের এই নজিরবিহীন শুনানি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার