Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

২৪২ টাকার ইউরিয়া সাড়ে তিনশোয় বিকোচ্ছে কেন? কৃষকদের ক্ষোভ দেখে মেজাজ হারালেন মন্ত্রী, চাইলেন সারের কড়া হিসাব!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
২৪২ টাকার ইউরিয়া সাড়ে তিনশোয় বিকোচ্ছে কেন? কৃষকদের ক্ষোভ দেখে মেজাজ হারালেন মন্ত্রী, চাইলেন সারের কড়া হিসাব!
বাঁকুড়া জেলাশাসকের দপ্তরে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে মন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল। ছবি-সংগৃহীত

বাঁকুড়া: সরকারি হিসেবে ৪৫ কেজির ইউরিয়া সারের বস্তার নির্ধারিত দাম ২৪২ টাকা। অথচ সেই সার কিনতেই চাষিদের পকেট থেকে খসে যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, কোথাও আবার তার চেয়েও বেশি! শুধু ইউরিয়া নয়, ডিএপি, এমওপি এবং এনপিকে-র মতো রাসায়নিক সার নিয়েও চাষিদের ঘাড়ে অতিরিক্ত দাম চাপানোর অভিযোগ উঠছে দিনের পর দিন। বাঁকুড়ায় আসার পথে একাধিক গ্রামের মাঠে নেমে চাষিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতেই ক্ষোভের বিস্ফোরণ দেখতে পান মন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল। কৃষকদের মুখে অতিরিক্ত দাম ও সারের কৃত্রিম সঙ্কটের নালিশ শুনেই কালবিলম্ব না করে সরাসরি জেলাশাসকের দপ্তরে আধিকারিকদের জরুরি তলব করেন তিনি।

প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিয়ে মন্ত্রী জানতে চান, সরকার যেখানে ভর্তুকি দিয়ে নির্ধারিত দামে সার বিক্রির ব্যবস্থা রেখেছে, সেখানে সাধারণ চাষিদের কেন বেশি দাম দিতে হবে? জেলায় কত সার এসেছে, কতটা মজুত রয়েছে এবং কী দামে বিক্রি হচ্ছে—প্রতিটি বস্তার নিখুঁত হিসাব আধিকারিকদের টেবিলে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সারের জোগান নিয়ে কোনওরকম কারসাজি বা কালোবাজারি যে একচুলও বরদাস্ত করা হবে না, তা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। কৃষকদের করা এই গুরুতর অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সরবরাহ, স্টক এবং বিক্রির যাবতীয় নথি অবিলম্বে পরীক্ষা করার কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। চাষিদের ঠকিয়ে মুনাফা লোটার কারবার প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : BengalNews HiddenStoriesNews dudhkumarmondal BankuraNews FertilizerBlackMarketing FarmersIssue WestBengalAgriculture

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬


২৪২ টাকার ইউরিয়া সাড়ে তিনশোয় বিকোচ্ছে কেন? কৃষকদের ক্ষোভ দেখে মেজাজ হারালেন মন্ত্রী, চাইলেন সারের কড়া হিসাব!

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image
বাঁকুড়া: সরকারি হিসেবে ৪৫ কেজির ইউরিয়া সারের বস্তার নির্ধারিত দাম ২৪২ টাকা। অথচ সেই সার কিনতেই চাষিদের পকেট থেকে খসে যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, কোথাও আবার তার চেয়েও বেশি! শুধু ইউরিয়া নয়, ডিএপি, এমওপি এবং এনপিকে-র মতো রাসায়নিক সার নিয়েও চাষিদের ঘাড়ে অতিরিক্ত দাম চাপানোর অভিযোগ উঠছে দিনের পর দিন। বাঁকুড়ায় আসার পথে একাধিক গ্রামের মাঠে নেমে চাষিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতেই ক্ষোভের বিস্ফোরণ দেখতে পান মন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল। কৃষকদের মুখে অতিরিক্ত দাম ও সারের কৃত্রিম সঙ্কটের নালিশ শুনেই কালবিলম্ব না করে সরাসরি জেলাশাসকের দপ্তরে আধিকারিকদের জরুরি তলব করেন তিনি।প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিয়ে মন্ত্রী জানতে চান, সরকার যেখানে ভর্তুকি দিয়ে নির্ধারিত দামে সার বিক্রির ব্যবস্থা রেখেছে, সেখানে সাধারণ চাষিদের কেন বেশি দাম দিতে হবে? জেলায় কত সার এসেছে, কতটা মজুত রয়েছে এবং কী দামে বিক্রি হচ্ছে—প্রতিটি বস্তার নিখুঁত হিসাব আধিকারিকদের টেবিলে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সারের জোগান নিয়ে কোনওরকম কারসাজি বা কালোবাজারি যে একচুলও বরদাস্ত করা হবে না, তা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। কৃষকদের করা এই গুরুতর অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সরবরাহ, স্টক এবং বিক্রির যাবতীয় নথি অবিলম্বে পরীক্ষা করার কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। চাষিদের ঠকিয়ে মুনাফা লোটার কারবার প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত