Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

শিকলবন্দি ভাইকে টানতে টানতে হাসপাতালে, তারপর জুতো খুলে মার! মালদহ মেডিক্যালে মর্মান্তিক দৃশ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
 শিকলবন্দি ভাইকে টানতে টানতে হাসপাতালে, তারপর জুতো খুলে মার! মালদহ মেডিক্যালে মর্মান্তিক দৃশ্য
ছবি সংগৃহীত

মালদহঃ হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে তৈরি হল বিশাল চাঞ্চল্য। আচমকাই দেখা গেল যে শিকলে বাঁধা এক যুবককে টানতে টানতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আচমকাই খুলে ফেললেন জুতো, শুরু হল মারধর। দেখা মাত্রই এক হাসপাতালকর্মী এগিয়ে এসে পরিবারকে বোঝান। পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।


জানা গিয়েছে, ওই যুবক পুরাতন মালদহের মহিষবাথানী এলাকার বাসিন্দা। জন্মের পর থেকেই তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। চিকিৎসার জন্য তাঁকে রাঁচিতেও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। বরং চোখের আড়াল হলেই বেরিয়ে চলে যান তিনি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় সাত বছর আগে একবার টানা দশ দিন নিখোঁজ ছিলেন ওই যুবক। সেই ঘটনার পর থেকেই তাঁকে সবসময় নজরে রাখার চেষ্টা করেন পরিবারের সদস্যরা। সম্প্রতি প্রতিবন্ধী শংসাপত্রের জন্য তাঁর চিকিৎসকের পরীক্ষা করানোর প্রয়োজন হয়। সেই কারণে ১৯ অগস্ট তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেদিনই তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। 


সোমবার ফের তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা। এবার যাতে কোনওভাবে তিনি পালিয়ে যেতে না পারেন, সেই জন্য শিকল দিয়ে বেঁধে আনা হয় বলে পরিবারের দাবি। বিষয়টি দেখে এগিয়ে আসেন হাসপাতালের এক কর্মী। তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে যুবককে বসিয়ে শান্ত করা হয় এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার কথা জানতে পেরে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

বিষয় : Malda Mental Health

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬


শিকলবন্দি ভাইকে টানতে টানতে হাসপাতালে, তারপর জুতো খুলে মার! মালদহ মেডিক্যালে মর্মান্তিক দৃশ্য

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image
মালদহঃ হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে তৈরি হল বিশাল চাঞ্চল্য। আচমকাই দেখা গেল যে শিকলে বাঁধা এক যুবককে টানতে টানতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আচমকাই খুলে ফেললেন জুতো, শুরু হল মারধর। দেখা মাত্রই এক হাসপাতালকর্মী এগিয়ে এসে পরিবারকে বোঝান। পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।জানা গিয়েছে, ওই যুবক পুরাতন মালদহের মহিষবাথানী এলাকার বাসিন্দা। জন্মের পর থেকেই তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। চিকিৎসার জন্য তাঁকে রাঁচিতেও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। বরং চোখের আড়াল হলেই বেরিয়ে চলে যান তিনি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় সাত বছর আগে একবার টানা দশ দিন নিখোঁজ ছিলেন ওই যুবক। সেই ঘটনার পর থেকেই তাঁকে সবসময় নজরে রাখার চেষ্টা করেন পরিবারের সদস্যরা। সম্প্রতি প্রতিবন্ধী শংসাপত্রের জন্য তাঁর চিকিৎসকের পরীক্ষা করানোর প্রয়োজন হয়। সেই কারণে ১৯ অগস্ট তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেদিনই তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। সোমবার ফের তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা। এবার যাতে কোনওভাবে তিনি পালিয়ে যেতে না পারেন, সেই জন্য শিকল দিয়ে বেঁধে আনা হয় বলে পরিবারের দাবি। বিষয়টি দেখে এগিয়ে আসেন হাসপাতালের এক কর্মী। তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে যুবককে বসিয়ে শান্ত করা হয় এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার কথা জানতে পেরে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত