Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

তোলাবাজির রং বদল? গেরুয়া কুপনে বাসপিছু ৪০ টাকা! গুসকরায় চাঁদা তোলার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
তোলাবাজির রং বদল? গেরুয়া কুপনে বাসপিছু ৪০ টাকা! গুসকরায় চাঁদা তোলার অভিযোগ
ছবি- সংগৃহীত

পূর্ব বর্ধমানঃ বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়াতেই হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল কুপন। আর সেই কুপন দেখিয়ে নেওয়া হচ্ছিল ৪০ টাকা করে। কুপনে রয়েছে গেরুয়া পতাকার ছবি। পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে এমনই অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।


বাস মালিকদের অভিযোগ, গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে স্ট্যান্ডে দাঁড়ানো প্রতিটি বাসের কাছ থেকে কুপনের মাধ্যমে ৪০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছিল। ভারতীয় মজদুর সংঘের স্থানীয় সদস্যরাই এই টাকা তুলছিলেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই পুলিশকে জানানো হয়। এরপর পুলিশ ওইভাবে টাকা আদায় বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। বিতর্কের মধ্যে গুসকরা বাসস্ট্যান্ডের সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন অফিসও বন্ধ হয়ে যায়। বাস মালিকদের দাবি, গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়ানো প্রতিটি বাসের জন্য পুরসভা এমনিতেই ২৫ থেকে ৩০ টাকা করে ফি নেয়। তার উপর নতুন করে সংগঠনের নামে আরও ৪০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল। যদিও কুপনে ভারতীয় মজদুর সংঘ বা অন্য কোনও সংগঠনের নাম লেখা ছিল না, গেরুয়া পতাকার ছবি থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।


ভারতীয় মজদুর সংঘের জেলা কমিটির সভাপতি মাধব দাস বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেননি। তাঁর দাবি, সংগঠনের অনুমতি নিয়েই গুসকরা বাসস্ট্যান্ডের শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা টাকা তুলছিলেন। বিনিময়ে বাস মালিকদের পরিষেবাও দেওয়া হত বলে দাবি তাঁর। তবে বিতর্ক তৈরি হওয়ার পর আপাতত কুপন কেটে টাকা নেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বিষয় : Purba Bardhaman

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬


তোলাবাজির রং বদল? গেরুয়া কুপনে বাসপিছু ৪০ টাকা! গুসকরায় চাঁদা তোলার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image
পূর্ব বর্ধমানঃ বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়াতেই হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল কুপন। আর সেই কুপন দেখিয়ে নেওয়া হচ্ছিল ৪০ টাকা করে। কুপনে রয়েছে গেরুয়া পতাকার ছবি। পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে এমনই অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।বাস মালিকদের অভিযোগ, গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে স্ট্যান্ডে দাঁড়ানো প্রতিটি বাসের কাছ থেকে কুপনের মাধ্যমে ৪০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছিল। ভারতীয় মজদুর সংঘের স্থানীয় সদস্যরাই এই টাকা তুলছিলেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই পুলিশকে জানানো হয়। এরপর পুলিশ ওইভাবে টাকা আদায় বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। বিতর্কের মধ্যে গুসকরা বাসস্ট্যান্ডের সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন অফিসও বন্ধ হয়ে যায়। বাস মালিকদের দাবি, গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়ানো প্রতিটি বাসের জন্য পুরসভা এমনিতেই ২৫ থেকে ৩০ টাকা করে ফি নেয়। তার উপর নতুন করে সংগঠনের নামে আরও ৪০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল। যদিও কুপনে ভারতীয় মজদুর সংঘ বা অন্য কোনও সংগঠনের নাম লেখা ছিল না, গেরুয়া পতাকার ছবি থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।ভারতীয় মজদুর সংঘের জেলা কমিটির সভাপতি মাধব দাস বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেননি। তাঁর দাবি, সংগঠনের অনুমতি নিয়েই গুসকরা বাসস্ট্যান্ডের শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা টাকা তুলছিলেন। বিনিময়ে বাস মালিকদের পরিষেবাও দেওয়া হত বলে দাবি তাঁর। তবে বিতর্ক তৈরি হওয়ার পর আপাতত কুপন কেটে টাকা নেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত