Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

এক ফোনেই সোজা অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর টেবিলে! কাটমানি-সিন্ডিকেটরাজ উপড়ে ফেলতে চালু ৪ মেগা হেল্পলাইন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬
এক ফোনেই সোজা অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর টেবিলে! কাটমানি-সিন্ডিকেটরাজ উপড়ে ফেলতে চালু ৪ মেগা হেল্পলাইন
এক ফোনেই সোজা অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর টেবিলে। ছবি-সংগৃহীত

কলকাতা: রাজ্যে কাটমানি ও সিন্ডিকেটরাজ রুখতে এবার সরাসরি ময়দানে নেমে পড়ার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্নীতি ইস্যুতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রেখে সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য একটি বিশেষ রাজ্যভিত্তিক টোল-ফ্রি হেল্পলাইন পরিষেবার উদ্বোধন করেছেন তিনি। নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলার সাধারণ নাগরিকরা এক ফোন কলেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দপ্তরের কাছে নিজেদের অভিযোগ পৌঁছে দিতে পারবেন। ক্যাগ রিপোর্টে আগের আমলের দুর্নীতির নানা প্রসঙ্গ উঠে আসার আবহে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন ভবানী ভবন থেকে একই সঙ্গে পুলিশের বিশেষ চার-সংখ্যার চারটি পৃথক হেল্পলাইন নম্বরও আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে, যেখানে দিন বা রাতের যেকোনো সময়ে অপরাধ ও বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে নাগরিকরা নির্বিঘ্নে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

নতুন এই সরকারি পরিষেবা সম্পর্কে জানা গেছে যে, সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে কাটমানি চাওয়া হলে নাগরিকরা ১৫৫৩৩৪ নম্বরে ফোন করে লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ জানাতে পারবেন। একইভাবে বালি, পাথর ও সিমেন্টের সিন্ডিকেট সংক্রান্ত বেআইনি কারবারের খবর দিতে ১৫৫৩৩৩৫ নম্বরে এবং রাস্তায় বেআইনিভাবে গাড়ি থামিয়ে টোল বা ট্যাক্স আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে ১৫৫৩৩৩৭ নম্বরটি নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বেআইনি মদের কারবার রুখতে অভিযোগ জানানোর জন্য বিশেষ ১৫৫৩৩৩৯ নম্বরটি চালু করা হয়েছে। এই নম্বরগুলিতে আসা প্রতিটি ফোন সরাসরি প্রশাসনিক নজরে এনে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হবে বলে নবান্ন ও পুলিশ সূত্রে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের এই উদ্যোগের পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের আধুনিকীকরণ ও পরিকাঠামো উন্নয়নে একগুচ্ছ বড় ঘোষণার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার ও পুলিশের কর্মক্ষমতা বাড়াতে উত্তরপ্রদেশ মডেল অনুসরণ করে নতুন করে অন্তত এক লক্ষ পুলিশ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। শুধু নতুন কর্মী নিয়োগই নয়, মহিলা পুলিশ কর্মীদের কর্মক্ষেত্র সহজ করতে তাঁদের সুবিধাজনক বাড়ির কাছাকাছি পোস্টিং দেওয়ার বিশেষ নীতিও নেওয়া হচ্ছে। পরিকাঠামোর আমূল পরিবর্তনের পাশাপাশি ঘুষ, তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজের ওপর হাত বাড়ালে যে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না, এই কড়া বার্তা দিয়ে রাজ্য প্রশাসনকে পুরোপুরি স্বচ্ছ করতে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দৃঢ় সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেছেন।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : WestBengalNews BreakingNews SuvenduAdhikari BENGALPOLICE HiddenStoriesNews anticorruption HelplineLaunch

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


এক ফোনেই সোজা অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর টেবিলে! কাটমানি-সিন্ডিকেটরাজ উপড়ে ফেলতে চালু ৪ মেগা হেল্পলাইন

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬

featured Image
কলকাতা: রাজ্যে কাটমানি ও সিন্ডিকেটরাজ রুখতে এবার সরাসরি ময়দানে নেমে পড়ার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্নীতি ইস্যুতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রেখে সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য একটি বিশেষ রাজ্যভিত্তিক টোল-ফ্রি হেল্পলাইন পরিষেবার উদ্বোধন করেছেন তিনি। নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলার সাধারণ নাগরিকরা এক ফোন কলেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দপ্তরের কাছে নিজেদের অভিযোগ পৌঁছে দিতে পারবেন। ক্যাগ রিপোর্টে আগের আমলের দুর্নীতির নানা প্রসঙ্গ উঠে আসার আবহে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন ভবানী ভবন থেকে একই সঙ্গে পুলিশের বিশেষ চার-সংখ্যার চারটি পৃথক হেল্পলাইন নম্বরও আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে, যেখানে দিন বা রাতের যেকোনো সময়ে অপরাধ ও বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে নাগরিকরা নির্বিঘ্নে অভিযোগ জানাতে পারবেন।নতুন এই সরকারি পরিষেবা সম্পর্কে জানা গেছে যে, সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে কাটমানি চাওয়া হলে নাগরিকরা ১৫৫৩৩৪ নম্বরে ফোন করে লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ জানাতে পারবেন। একইভাবে বালি, পাথর ও সিমেন্টের সিন্ডিকেট সংক্রান্ত বেআইনি কারবারের খবর দিতে ১৫৫৩৩৩৫ নম্বরে এবং রাস্তায় বেআইনিভাবে গাড়ি থামিয়ে টোল বা ট্যাক্স আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে ১৫৫৩৩৩৭ নম্বরটি নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বেআইনি মদের কারবার রুখতে অভিযোগ জানানোর জন্য বিশেষ ১৫৫৩৩৩৯ নম্বরটি চালু করা হয়েছে। এই নম্বরগুলিতে আসা প্রতিটি ফোন সরাসরি প্রশাসনিক নজরে এনে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হবে বলে নবান্ন ও পুলিশ সূত্রে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের এই উদ্যোগের পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের আধুনিকীকরণ ও পরিকাঠামো উন্নয়নে একগুচ্ছ বড় ঘোষণার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার ও পুলিশের কর্মক্ষমতা বাড়াতে উত্তরপ্রদেশ মডেল অনুসরণ করে নতুন করে অন্তত এক লক্ষ পুলিশ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। শুধু নতুন কর্মী নিয়োগই নয়, মহিলা পুলিশ কর্মীদের কর্মক্ষেত্র সহজ করতে তাঁদের সুবিধাজনক বাড়ির কাছাকাছি পোস্টিং দেওয়ার বিশেষ নীতিও নেওয়া হচ্ছে। পরিকাঠামোর আমূল পরিবর্তনের পাশাপাশি ঘুষ, তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজের ওপর হাত বাড়ালে যে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না, এই কড়া বার্তা দিয়ে রাজ্য প্রশাসনকে পুরোপুরি স্বচ্ছ করতে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দৃঢ় সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেছেন।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত