Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

একসময় অ্যাম্বুল্যান্সের হেল্পার, আজ প্রাক্তন বিধায়ক! সনৎ দে-র উত্থানের নেপথ্যে কে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
একসময় অ্যাম্বুল্যান্সের হেল্পার, আজ প্রাক্তন বিধায়ক! সনৎ দে-র উত্থানের নেপথ্যে কে?
ছবি সংগৃহীত

একেবারে যেন সিনেমার চিত্রনাট্য! একসময় অ্যাম্বুল্যান্সের হেল্পার হিসেবে কাজ করতেন। তারপর রাজনীতিতে প্রবেশ। নৈহাটির সেই সনৎ দে-ই হয়ে ওঠেন তৃণমূলের পরিচিত মুখ, কাউন্সিলর থেকে বিধায়কও হন। কিন্তু সেই উত্থানের পথেই একের পর এক অভিযোগ। এবার সেই প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সনৎ দে-কে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।


বরাবরই তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন সনৎ। ২০২১ সালে নৈহাটি টাউন তৃণমূল যুব সভাপতি হন তিনি। তৎকালীন বিধায়ক পার্থ ভৌমিকের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে পার্থ ভৌমিক সাংসদ হওয়ার পর নৈহাটি বিধানসভা আসনটি ফাঁকা হয়। উপনির্বাচনে তৃণমূলের টিকিট পান সনৎ দে। ভোটে জিতে বিধায়কও হন তিনি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও তাঁকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। এর আগে কাউন্সিলর হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন সনৎ। রাজনৈতিক উত্থানের পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও সামনে আসে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতি এবং তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছিল সনৎ দে-র বিরুদ্ধে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার মামলাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল বলে দাবি।


সরকার বদলের পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। সনৎ দে-কে ঘিরে এলাকায় জনরোষ বাড়তে থাকে বলে দাবি। ২০২৬ সালের ভোটের পর দলীয় কার্যালয় খুলতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখেও পড়েছিলেন তিনি। তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার পাশাপাশি ‘চোর, চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয়। এরপর শুক্রবার রাতে দত্তপুকুর থেকে সনৎ দে-কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শনিবার তাঁকে বারাকপুর আদালতে পেশ করা হবে। 

বিষয় : Naihati BengalPolitics SanatDe

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬


একসময় অ্যাম্বুল্যান্সের হেল্পার, আজ প্রাক্তন বিধায়ক! সনৎ দে-র উত্থানের নেপথ্যে কে?

প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image
একেবারে যেন সিনেমার চিত্রনাট্য! একসময় অ্যাম্বুল্যান্সের হেল্পার হিসেবে কাজ করতেন। তারপর রাজনীতিতে প্রবেশ। নৈহাটির সেই সনৎ দে-ই হয়ে ওঠেন তৃণমূলের পরিচিত মুখ, কাউন্সিলর থেকে বিধায়কও হন। কিন্তু সেই উত্থানের পথেই একের পর এক অভিযোগ। এবার সেই প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সনৎ দে-কে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।বরাবরই তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন সনৎ। ২০২১ সালে নৈহাটি টাউন তৃণমূল যুব সভাপতি হন তিনি। তৎকালীন বিধায়ক পার্থ ভৌমিকের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে পার্থ ভৌমিক সাংসদ হওয়ার পর নৈহাটি বিধানসভা আসনটি ফাঁকা হয়। উপনির্বাচনে তৃণমূলের টিকিট পান সনৎ দে। ভোটে জিতে বিধায়কও হন তিনি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও তাঁকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। এর আগে কাউন্সিলর হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন সনৎ। রাজনৈতিক উত্থানের পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও সামনে আসে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতি এবং তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছিল সনৎ দে-র বিরুদ্ধে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার মামলাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল বলে দাবি।সরকার বদলের পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। সনৎ দে-কে ঘিরে এলাকায় জনরোষ বাড়তে থাকে বলে দাবি। ২০২৬ সালের ভোটের পর দলীয় কার্যালয় খুলতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখেও পড়েছিলেন তিনি। তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার পাশাপাশি ‘চোর, চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয়। এরপর শুক্রবার রাতে দত্তপুকুর থেকে সনৎ দে-কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শনিবার তাঁকে বারাকপুর আদালতে পেশ করা হবে। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত