Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

'বাটওয়ারা ১৯৪৭' বিতর্ক: ট্রোলারদের মুখ বন্ধ করলেন 'ডিম্পল গার্ল' প্রীতি জিনটা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬
'বাটওয়ারা ১৯৪৭' বিতর্ক: ট্রোলারদের মুখ বন্ধ করলেন 'ডিম্পল গার্ল' প্রীতি জিনটা
ছবি সংগৃহীত

বলিউডে কামব্যাক করতেই খবরের শিরোনামে প্রীতি জিনটা (Preity Zinta)। তবে এবার অভিনয়ের জন্য নয়, বরং তার একটি মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। পরিচালক রাজকুমার সন্তোষীর আগামী পিরিয়ড ড্রামা 'বাটওয়ারা ১৯৪৭'-এ প্রীতির চরিত্রটি মূলত রান্না করা, ঘর পরিষ্কার এবং সেলাইয়ের কাজ করা— অভিনেত্রীর এই মন্তব্যের পরেই সোশ্যালে বয়ে যায় সমালোচনার ঝড়। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, ১৯৪৭ সালের আগে নারীদের কি তবে শুধুই গৃহবধূ হিসেবে দেখানো হচ্ছে? তারা কি কেবল ঘরের কাজেই সীমাবদ্ধ ছিলেন?

এই বিতর্কের অবসান ঘটাতে এবার নিজেই ময়দানে নামলেন প্রীতি। একটি মিডিয়া পোর্টালের কড়া সমালোচনা করে তিনি স্পষ্ট জানান, তার বক্তব্যকে সম্পূর্ণ ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রীতি লিখেছেন, "আপনারা যেভাবে পুরো বিষয়টি দেখছেন, তা একেবারেই প্রসঙ্গ-বহির্ভূত। এটি একটি নির্দিষ্ট পরিবারকে কেন্দ্র করে তৈরি সিনেমা। কোনো কিছু না বুঝেই সবাই এত দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে দেয় দেখে আমি অবাক হচ্ছি! সিনেমা বা পরিচালককে না দেখে এভাবে বিচার করাটা একেবারেই অন্যায্য।" তিনি সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আরও বলেন, "আগামী ১৪ই আগস্ট সিনেমাটি রিলিজ করছে। আগে হলে গিয়ে ছবিটা দেখুন, তারপর নিজের মতামত জানান। সবাইকে অনেক ভালোবাসা"।


এর আগে এক সাক্ষাৎকারে প্রীতি জানিয়েছিলেন, শ্যুটিং সেটে তিনি যখনই পরিচালক রাজকুমার সন্তোষীকে জিজ্ঞেস করতেন তার দৃশ্যে কী করতে হবে, পরিচালক বলতেন— ‘প্রীতি, এবার রান্না করো’, ‘এবার ঘর মোছো’ কিংবা ‘এবার সেলাই করো’। রাজকুমার সন্তোষী তাকে বুঝিয়েছিলেন যে, ১৯৪৭ সালের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে একজন নারীর ক্যারিয়ার বলতে ছিল তার স্বামী, সন্তান আর সংসার। যদি না সে কোনো স্বাধীনতা সংগ্রামী হয়। এই চরিত্রে অভিনয় করার পরেই আজকের যুগের নারীদের স্বাধীনতা ও স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন প্রীতি।

দীর্ঘ ৮ বছর পর সানি দেওলের বিপরীতে বড় পর্দায় ফিরছেন প্রীতি জিনটা। আমির খান প্রযোজিত এই ছবি মুক্তির আগেই যে উত্তাপ ছড়াচ্ছে, তা একেবারেই বলার অপেক্ষা রাখে না।

বিষয় : controversy bollywoodnews PreityZinta BATWARA1947 INDIANCINEMMA

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬


'বাটওয়ারা ১৯৪৭' বিতর্ক: ট্রোলারদের মুখ বন্ধ করলেন 'ডিম্পল গার্ল' প্রীতি জিনটা

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image
বলিউডে কামব্যাক করতেই খবরের শিরোনামে প্রীতি জিনটা (Preity Zinta)। তবে এবার অভিনয়ের জন্য নয়, বরং তার একটি মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। পরিচালক রাজকুমার সন্তোষীর আগামী পিরিয়ড ড্রামা 'বাটওয়ারা ১৯৪৭'-এ প্রীতির চরিত্রটি মূলত রান্না করা, ঘর পরিষ্কার এবং সেলাইয়ের কাজ করা— অভিনেত্রীর এই মন্তব্যের পরেই সোশ্যালে বয়ে যায় সমালোচনার ঝড়। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, ১৯৪৭ সালের আগে নারীদের কি তবে শুধুই গৃহবধূ হিসেবে দেখানো হচ্ছে? তারা কি কেবল ঘরের কাজেই সীমাবদ্ধ ছিলেন?এই বিতর্কের অবসান ঘটাতে এবার নিজেই ময়দানে নামলেন প্রীতি। একটি মিডিয়া পোর্টালের কড়া সমালোচনা করে তিনি স্পষ্ট জানান, তার বক্তব্যকে সম্পূর্ণ ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রীতি লিখেছেন, "আপনারা যেভাবে পুরো বিষয়টি দেখছেন, তা একেবারেই প্রসঙ্গ-বহির্ভূত। এটি একটি নির্দিষ্ট পরিবারকে কেন্দ্র করে তৈরি সিনেমা। কোনো কিছু না বুঝেই সবাই এত দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে দেয় দেখে আমি অবাক হচ্ছি! সিনেমা বা পরিচালককে না দেখে এভাবে বিচার করাটা একেবারেই অন্যায্য।" তিনি সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আরও বলেন, "আগামী ১৪ই আগস্ট সিনেমাটি রিলিজ করছে। আগে হলে গিয়ে ছবিটা দেখুন, তারপর নিজের মতামত জানান। সবাইকে অনেক ভালোবাসা"।এর আগে এক সাক্ষাৎকারে প্রীতি জানিয়েছিলেন, শ্যুটিং সেটে তিনি যখনই পরিচালক রাজকুমার সন্তোষীকে জিজ্ঞেস করতেন তার দৃশ্যে কী করতে হবে, পরিচালক বলতেন— ‘প্রীতি, এবার রান্না করো’, ‘এবার ঘর মোছো’ কিংবা ‘এবার সেলাই করো’। রাজকুমার সন্তোষী তাকে বুঝিয়েছিলেন যে, ১৯৪৭ সালের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে একজন নারীর ক্যারিয়ার বলতে ছিল তার স্বামী, সন্তান আর সংসার। যদি না সে কোনো স্বাধীনতা সংগ্রামী হয়। এই চরিত্রে অভিনয় করার পরেই আজকের যুগের নারীদের স্বাধীনতা ও স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন প্রীতি।দীর্ঘ ৮ বছর পর সানি দেওলের বিপরীতে বড় পর্দায় ফিরছেন প্রীতি জিনটা। আমির খান প্রযোজিত এই ছবি মুক্তির আগেই যে উত্তাপ ছড়াচ্ছে, তা একেবারেই বলার অপেক্ষা রাখে না।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত