Hidden Stories (বাংলা)

আর্কাইভ দেখুন

বাবা-মায়ের ক্ষমতা ও পদের দাপট! ঠিকাদারদের ভয় দেখিয়ে ৩৯ লক্ষের তোলাবাজি, কলকাতা থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতার ছেলে!

বাবা-মায়ের ক্ষমতা ও পদের দাপট! ঠিকাদারদের ভয় দেখিয়ে ৩৯ লক্ষের তোলাবাজি, কলকাতা থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতার ছেলে!

কলকাতা ও বাঁকুড়া: বাবা ও মায়ের হাইপ্রোফাইল রাজনৈতিক পরিচয় এবং সরকারি পদকে ভাঙিয়ে দিনের পর দিন রাজকীয় কায়দায় তোলাবাজি চালানোর অভিযোগে অবশেষে শ্রীঘরে ঠাঁই হলো এক প্রভাবশালী যুবকের। বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনুসূয়া রায় এবং তৃণমূলের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তারাশঙ্কর রায়ের পুত্র অনিন্দ্য রায়কে রবিবার রাতে কলকাতা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাঁকুড়ার তালড্যাংরা থানায় তাঁর বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা আদায়, ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই পুলিশ এই গোপন অভিযান চালায়। সোমবার ধৃত অনিন্দ্যকে খাতড়া মহকুমা আদালতে হাজির করানো হলে বিচারক তাঁকে ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার তালড্যাংরার শ্যামসুন্দরপুর গ্রামের বাসিন্দা তথা সরকারি ঠিকাদার শান্তনু মণ্ডল থানায় হাজির হয়ে অনিন্দ্য রায়ের বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারীর দাবি, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ করার অপরাধে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত অনিন্দ্য ও তাঁর দলবলকে দফায় দফায় মোট ৩৯ লক্ষ টাকা তোলা দিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। "অভিষেকের নীতিই টিএমসি-র বিদায় ঘণ্টা বাজিয়েছে!" সম্প্রতি তাঁর কাছে আরও বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করা হলে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন, যার পর থেকেই তাঁকে ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হতে থাকে। ঠিকাদারের অভিযোগ, বাবা-মায়ের রাজনৈতিক ক্ষমতাকে ঢাল বানিয়ে বাঁকুড়ার বহু সরকারি ঠিকাদারের কাছ থেকেই এভাবেই লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েছেন অনিন্দ্য। অন্যদিকে, ধৃতের আইনজীবী চঞ্চল রায় আদালতে দাবি করেছেন যে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই এই মামলা সাজানো হয়েছে। তাঁর সওয়াল, রাজ্যে পালাবদলের আগে ভয়ের কারণে অভিযোগ জানাতে পারেননি বলে দাবি করছেন ঠিকাদার, তাই এখনও তিনি কোনও নতুন রাজনৈতিক ভয়ের বশবর্তী হয়ে এই অভিযোগ করছেন কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার। তবে এই হাইপ্রোফাইল গ্রেফতারে জেলা রাজনীতিতে জোর তোলপাড় শুরু হয়েছে।


কলকাতা দখলের লড়াই শুরু! আগামী ৬ মাসের মধ্যেই পুরভোটের ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা দখলের লড়াই শুরু! আগামী ৬ মাসের মধ্যেই পুরভোটের ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা পুরনিগমের নির্বাচন আগামী ছয় মাসের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি জানান, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বজায় রাখতে দ্রুত নির্বাচন করানোই সরকারের লক্ষ্য।এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'কলকাতায় ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস করে ৬ মাসের মধ্যে ভোট হবে। ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতা পুরসভায় নতুন বোর্ড। আগামী ৬ মাসের মধ্যে কলকাতা পুরসভায় ভোট হবে। রাজ্য সরকার বাধ্য হয়েছে পুরসভায় প্রশাসক বসাতে। প্রশাসককে সহযোগিতা করার দায়িত্ব আপনাদের। পুরসভার কাজ কোনও অবস্থায় বন্ধ রাখা যায় না।' সম্প্রতি কলকাতা পুরসভার নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ করেছে রাজ্য সরকার। দীর্ঘ ১৬ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কলকাতার নাগরিক পরিষেবাকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে প্রশাসনিক সংস্কার শুরু হয়েছে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর আগামী ছয় মাসের মধ্যেই পুরভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।শুভেন্দু জানান, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কলকাতা পুরসভায় উপস্থিত থাকতে পেরে তিনি গর্বিত। একইসঙ্গে এই দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আগামী বিশ্ব যোগ দিবস কলকাতা পুরসভা প্রাঙ্গণে পালিত হবে। গণতন্ত্রে মানুষের মতামতই শেষ কথা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী জানান, ১৮ জুন তিনি ভবানীপুর কেন্দ্রে থাকবেন এবং ১৯ জুন স্বচ্ছতার বার্তা দিতে একটি হাফ ম্যারাথনে অংশ নেবেন। দলীয় বিভাজনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে উন্নয়নের লক্ষ্যে কলকাতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।


ঘুষের ভাগাভাগি নিয়ে চরম লড়াই, বারংবার উঠে এল অভিষেকের নাম! ১৫ মিনিটের গোপন অডিও কি ইডির তুরুপের তাস?

ঘুষের ভাগাভাগি নিয়ে চরম লড়াই, বারংবার উঠে এল অভিষেকের নাম! ১৫ মিনিটের গোপন অডিও কি ইডির তুরুপের তাস?

কলকাতা: প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার এক বিস্ফোরক মোড়! সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি-র ম্যারাথন জেরার মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, আর এই জিজ্ঞাসাবাদের কেন্দ্রে রয়েছে একটি চাঞ্চল্যকর অডিও রেকর্ডিং। ইডি সূত্রে খবর, তাঁদের হাতে আসা ১৫ মিনিটের একটি অডিও ক্লিপই এখন এই তদন্তের ‘তুরুপের তাস’। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তৃতীয় অতিরিক্ত চার্জশিটে এই অডিওর বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে ‘কালীঘাটের কাকু’ সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বেহালার বাড়িতে একটি বিশেষ বৈঠক হয়েছিল, যেখানে উপস্থিত ছিলেন কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই চাকরি বিক্রির কয়েক কোটি টাকার ভাগ বাঁটোয়ারা নিয়ে তিনজনের মধ্যে তীব্র ঝগড়া ও বাদানুবাদ হয়। আর সেই কথোপকথনের মধ্যেই একাধিকবার উঠে এসেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম, যা এখন ইডি-র আতশকাঁচের তলায়।অডিও ক্লিপটিতে শোনা গিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘুষের বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য ১৫ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ‘কালীঘাটের কাকু’ চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা তোলার পরিকল্পনা করেছিলেন, যার মধ্যে ২০ কোটি টাকা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে দেওয়ার কথা ছিল। এই বিপুল টাকা তোলার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কুন্তল ও শান্তনুকে। রুটি আর লবণে মোদীকে বরণ! ৩৩ বছর পর বিদেশের মাটিতে তৈরি হলো ইতিহাস, কেন এত উন্মাদনা?ইতিমধ্যেই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনা ভিনরাজ্যে পাঠিয়ে এই অডিওর সত্যতা যাচাই করেছে ইডি। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য হলো, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে এই ঝগড়া বা টাকার ভাগাভাগির কোনও সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা। সোমবার সকালেই সল্টলেকের ইডি দফতরে অভিষেক পৌঁছে যাওয়ার পর থেকে এই অডিও ক্লিপ শুনিয়েই তাঁকে একের পর এক তীক্ষ্ণ প্রশ্ন করা হচ্ছে বলে খবর। নিয়োগ দুর্নীতির এই জটিল জালে অডিও রহস্য শেষ পর্যন্ত কোন রাঘববোয়ালদের টেনে আনে, সেটাই এখন দেখার।


কাকলিদের নতুন ‘ভরসা’ এই দম্পতি! ব্যাংকে কত টাকা, কোথায় অফিস? এনসিপিআই-এর সম্পত্তির খতিয়ান দেখে চোখ কপালে রাজনৈতিক মহলের!

কাকলিদের নতুন ‘ভরসা’ এই দম্পতি! ব্যাংকে কত টাকা, কোথায় অফিস? এনসিপিআই-এর সম্পত্তির খতিয়ান দেখে চোখ কপালে রাজনৈতিক মহলের!

হাওড়া ও কলকাতা: তৃণমূলের ২০ জন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদের নয়া আশ্রয়স্থল ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ বা এনসিপিআই-কে ঘিরে নিত্যনতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। হাওড়ার সাঁক্রাইলের হাটগাছা বাণীপুরের মাটির পথ ধরে কিছুটা এগোলে চোখে পড়ে পাঁচিলঘেরা সবুজ রঙের একটি দোতলা বাড়ি, যার নাম ‘জাগো বিশ্ব’। এই বাড়ির বড় লোহার দরজার দু’পাশে লেখা রয়েছে দুই বাসিন্দার নাম— উত্তীয় কুণ্ডু ও শিউলি কুণ্ডু। হরমুজ খুললে স্বস্তি পাবে বিশ্ব অর্থনীতিউত্তীয়বাবু স্থানীয় একটি সংবাদপত্রের প্রকাশক এবং তাঁর স্ত্রী শিউলিদেবী কলকাতা হাই কোর্টের আইনজীবী। আপাতদৃষ্টিতে শান্ত এই দম্পতির বাড়িটিই এখন রাজ্য রাজনীতির সবচেয়ে বড় উপকেন্দ্র, কারণ এটিই হলো কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের ভরসা করা সেই এনসিপিআই-এর আসল সদর দপ্তর। অথচ স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই বাড়িটিতে আগে একটি অনাথ শিশুদের হোম চলত, যা বছর সাতেক আগে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ২০২৩ সালে এই রাজনৈতিক দলটির অফিস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে সেখানে কিছু মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাজ করেন এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কোনও চিহ্নই সেখানে সচরাচর দেখা যায় না।আচমকা লাইমলাইটে আসা এই দলটির সম্পত্তির পরিমাণ এবং রাজনৈতিক ইতিহাসও অত্যন্ত চমকপ্রদ। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, অস্তিত্বহীন এই দলটির তহবিলে মাত্র ১ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা অনুদান রয়েছে। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই বাড়িরই এক আবাসিক ভোটে দাঁড়ালেও কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি। এমনকি ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে লড়েও খাতা খুলতে পারেনি এই দল। বর্তমানে দলের সভানেত্রী পদ থেকে শিউলি কুণ্ডু পদত্যাগ করলেও তাঁর স্বামী উত্তীয় কুণ্ডু এখনও কোষাধ্যক্ষ পদে রয়েছেন। তবে সবচেয়ে বড় টুইস্টটি দিয়েছেন দলের বর্তমান সর্বভারতীয় সভাপতি শান্তনু দে, যিনি নিজে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, “আমি একজন বিজেপি সমর্থক, তাই দেশের স্বার্থে যা করার তাই করব।” রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের এক চরম ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ রাতারাতি তৃণমূলের ২০ জন সাংসদকে নিজেদের পালে টেনে নিয়েছে এই এনসিপিআই। দলটির সভাপতি মোদির নীতিতে বিশ্বাসী হওয়ায় এবং ত্রিপুরার অন্য হেভিওয়েট নেতারা এই যোগদানকে স্বাগত জানানোয়, আগামী দিনে দিল্লির সংসদে এই দলটিকে হাতিয়ার করে বিজেপি কোনও নতুন চাল চালে কি না, সেটাই এখন দেখার।


 হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ার আশায় স্বস্তি, পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ও বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতার বার্তা ভারতের

হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ার আশায় স্বস্তি, পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ও বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতার বার্তা ভারতের

প্রায় ১০০ দিনের সংঘাতের পর অবশেষে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ থামার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং শীঘ্রই স্বাভাবিক হতে পারে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীর জাহাজ চলাচল। সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে হওয়া শান্তি সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এক্স হ্যান্ডেলে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন তিনি। এই দীর্ঘ সংঘাতের প্রভাব পড়েছিল ভারতেও। হরমুজ প্রণালী ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়। এর জেরে পেট্রল-ডিজেল, সিএনজি এবং রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পরিবহণ ব্যবস্থাতেও।যুদ্ধ চলাকালীন ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। সাম্প্রতিক এক হামলায় প্রাণ হারান কয়েকজন ভারতীয় নাবিক। ফলে এই সংঘাতের প্রভাব সরাসরি অনুভব করেছে ভারতও।এই পরিস্থিতিতে শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ট্রাম্পের ঘোষণার পরেই এক্স হ্যান্ডেলে মোদি লেখেন, ‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ থামাতে রাজি হয়েছে ইরান এবং আমেরিকা। আমি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। এই যুদ্ধের জেরে গোটা বিশ্বে আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে, মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ভারত আশা করে, এই চুক্তি শান্তি এবং স্থিতাবস্থা ফিরিয়ে আনবে। সমুদ্রপথে চলাচল এবং বাণিজ্যের স্বাধীনতা আসবে। আশা করি যাবতীয় সমস্যা মেটানো হবে আগামী দিনে।’ 


বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের নথি ঘিরে বিতর্ক, বিধানসভায় গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ সিআইডির

বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের নথি ঘিরে বিতর্ক, বিধানসভায় গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ সিআইডির

সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে নতুন করে সক্রিয় হয়েছে সিআইডি। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দু’দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক বিধায়ক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বয়ানও রেকর্ড করেছেন তদন্তকারীরা। এমনকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুণাল ঘোষকে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় পাওয়া কিছু বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। সেই সূত্র ধরেই সোমবার বিধানসভায় পৌঁছয় সিআইডির একটি দল। মূলত বিতর্কিত রেজোলিউশন সংক্রান্ত নথি ও তথ্য সংগ্রহ করতেই তদন্তকারীরা স্পিকারের সচিবালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে ওই নথির খোঁজে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। তবে সেখানে কাঙ্ক্ষিত নথি মেলেনি। পরবর্তীতে তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও রেজোলিউশনের কপি সংক্রান্ত প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর মেলেনি বলে সূত্রের দাবি।তদন্তকারীদের অনুমান, এই নথিই সই জালিয়াতি মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হতে পারে। তাই ঘটনার শুরু থেকে নথি জমা পড়ার প্রক্রিয়া পর্যন্ত সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে আরও নতুন তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম পুরোপুরি ব্যান! অস্ট্রেলিয়ার পর এবার কঠিন সিদ্ধান্ত নিল এই শক্তিশালী দেশ!

১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম পুরোপুরি ব্যান! অস্ট্রেলিয়ার পর এবার কঠিন সিদ্ধান্ত নিল এই শক্তিশালী দেশ!

লন্ডন: কচিকাঁচাদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে এবার এক ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল ব্রিটিশ সরকার। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে গত বছরের ডিসেম্বরে অনূর্ধ্ব-১৬ কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশাল মিডিয়া ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। এরপর ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া সেই পথ অনুসরণ করার পর, এবার বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে একই চরম পদক্ষেপ নিল ব্রিটেন। আসানসোলে বেআইনি দখলদারির বিরুদ্ধে পুরসভার বুলডোজার অভিযানব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার স্পষ্ট জানিয়েছেন, শিশুকল্যাণ এবং নাবালকদের অনলাইন দুনিয়ার অন্ধকার দিক থেকে দূরে রাখতেই এই কঠোর আইন আনা হচ্ছে। ব্রিটিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত তিন মাস ধরে সোশাল মিডিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব এবং শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণের পরেই এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী মাসেই এই সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত নির্দেশিকা ও পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন প্রকাশ করবে ব্রিটেন সরকার।বিবিসি সূত্রে খবর, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউব, রেডিট, টুইচ, এক্স (টুইটার), থ্রেডস এবং কিক— এই ১০টি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে ব্রিটেন। তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, শিশুদের সুরক্ষায় অস্ট্রেলিয়ার চেয়েও এক ধাপ এগিয়ে যেতে চলেছে ব্রিটিশ প্রশাসন। কেবল অ্যাকাউন্ট খোলাই নয়, নিরাপদ বলে বিবেচিত প্ল্যাটফর্মগুলিতেও শিশুদের জন্য লাইভস্ট্রিমিং সম্পূর্ণ বন্ধ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন অনলাইন গেমিং অ্যাপে অপরিচিতদের সঙ্গে চ্যাটিং বা যোগাযোগের সুযোগও পুরোপুরি খর্ব করা হবে। এমনকি, শিশুদের জন্য একটি নির্দিষ্ট ‘সোশাল মিডিয়া কার্ফু’ জারি করার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) ব্যবহারের ওপরেও কঠোর সীমাবদ্ধতা আনা হতে পারে। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ায় এই আইন অমান্য করলে সোশাল মিডিয়া সংস্থাগুলির জন্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩০০ কোটি টাকারও বেশি জরিমানার বিধান রয়েছে। ব্রিটেনের এই নতুন ও কড়া পদক্ষেপের পর বিশ্বজুড়ে সোশাল মিডিয়ার ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।


১৮ ঘণ্টা আগেও হাসিমুখে নাচ, তার পরেই সব শেষ! সুশান্তের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনেই ‘কুমকুম ভাগ্য’ খ্যাত অভিনেত্রীর চরম সিদ্ধান্ত!

১৮ ঘণ্টা আগেও হাসিমুখে নাচ, তার পরেই সব শেষ! সুশান্তের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনেই ‘কুমকুম ভাগ্য’ খ্যাত অভিনেত্রীর চরম সিদ্ধান্ত!

মুম্বই: হিন্দি টেলিভিশনের দুনিয়ায় ফের এক বড়সড় নক্ষত্রপতন ও মর্মান্তিক বিপর্যয় ঘটল। ‘কুমকুম ভাগ্য’ এবং ‘ওয়াগলে কি দুনিয়া’-র মতো অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারাবাহিকের অতি পরিচিত মুখ, ৩০ বছর বয়সী অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগলে প্রয়াত হয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, অভিনেত্রী নিজের জীবন শেষ করে দেওয়ার চরম পথ বেছে নিয়েছেন।এনসিপিআই কে স্বীকৃতি মিলবে কি না, সিদ্ধান্ত স্পিকারের : দিলীপ ঘোষ  রবিবার যখন গোটা দেশ বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের রহস্যমৃত্যুর ছয় বছর পূর্তি উপলক্ষে শোকস্তব্ধ ছিল, ঠিক তখনই ছোটপর্দার আর এক উজ্জ্বল তারকার এই অকালপ্রয়াণের খবর বিনোদন জগতে গভীর শোকের ছায়া ফেলে দিয়েছে। সঞ্চিতার এই আকস্মিক ও মর্মান্তিক পরিণতিতে তাঁর পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং অনুগামীরা সম্পূর্ণ স্তব্ধ ও ভেঙে পড়েছেন। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে আত্মহত্যার কথা বলা হচ্ছে, তবুও তাঁর এই মৃত্যুর সঠিক কারণ এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি।ছোটপর্দায় সফল অভিনয়ের পাশাপাশি বলিউডেও নিজের মাটি শক্ত করছিলেন সঞ্চিতা। সম্প্রতি ভিকি কৌশল অভিনীত বহুপ্রতীক্ষিত ‘ছাওয়া’ ছবিতেও তারাবাইয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। কেরিয়ারে যখন পর পর বেশ কিছু ভালো কাজ আসছিল, তখন কেন তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিনোদন মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মৃত্যুর মাত্র ১৮ ঘণ্টা আগে সমাজমাধ্যমে তাঁর দেওয়া শেষ পোস্টটি এখন অনুরাগীদের চোখ জল এনে দিচ্ছে।জনকল্যাণে একগুচ্ছ ঘোষণা, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শনিবারই একটি হাসিখুশি রিল ভিডিও পোস্ট করেছিলেন সঞ্চিতা, যেখানে একটি প্রাণবন্ত গানের সঙ্গে তাঁকে মনের আনন্দে নাচতে দেখা গিয়েছিল। উল্লেখ্য, গত বছর যখন নেটপ্রভাবী মিশা অগ্রবালের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল, তখন তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্য ও অবসাদ নিয়ে প্রকাশ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন খোদ সঞ্চিতাই। অথচ আজ সেই সচেতনতা বার্তার প্রবক্তাই মাত্র ৩০ বছর বয়সে নিজে চলে গেলেন ওপারে, যা আরও একবার গ্ল্যামার দুনিয়ার ভেতরের একাকীত্ব ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেই বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।


পুরসভার মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী, সামনের সারিতে মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী! শুরু রাজনৈতিক চর্চা

পুরসভার মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী, সামনের সারিতে মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী! শুরু রাজনৈতিক চর্চা

কলকাতা পুরসভার এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতির পাশাপাশি নজর কেড়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৌদি কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।সোমবার কলকাতা পুরসভার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ও। মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তাঁকে সামনের সারিতে দেখা যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু হয় রাজনৈতিক মহলে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে কাজরী বললেন, ‘‘কাউন্সিলর হিসেবে যেটুকু সময়ে মেয়াদ বাকি আছে, সেই সময়টায় কাজ যাতে ভালোভাবে হয়, তার জন্য আমাদের ডাকা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদের ডেকেছেন, ভালো লাগছে।” যদিও কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিকে ঘিরে কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তৃণমূলের অন্দরে চলা টানাপোড়েনের আবহে ঘটনাটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।উল্লেখ্য, কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক পরিসরের পরিচিত মুখ। অতীতে কলকাতা পুরসভার নির্বাচনেও তাঁর নাম রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় এসেছিল। ফলে এই অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল বাড়িয়েছে।শুধু কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ই নন, কলকাতা পুরসভায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম সরকারি কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের একাধিক কাউন্সিলরও। তাঁদের মধ্যে ছিলেন দেবাশিস কুমার, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, অসীম বসু এবং জুঁই বিশ্বাসের মতো জনপ্রতিনিধিরা। উপস্থিত কাউন্সিলরদের বক্তব্য, এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল নাগরিক পরিষেবা সংক্রান্ত পরিকল্পনা ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনা শোনা এবং কাজের বিষয়ে আলোচনা করা। তাঁদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ও জনস্বার্থমূলক কর্মসূচি, এর সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও বার্তা বা সমীকরণের সম্পর্ক নেই।


মৌনীর ক্ষতবিক্ষত মনের একমাত্র মলম কি তবে দিশা? বলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন

মৌনীর ক্ষতবিক্ষত মনের একমাত্র মলম কি তবে দিশা? বলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন

২০২২ সালের গোড়ার দিকে গোয়ার সমুদ্রসৈকতে ধুমধাম করে সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন মৌনী রায় ও সুরজ নাম্বিয়ার। বাঙালি এবং দক্ষিণ ভারতীয়— দুই রীতিনীতি মেনে হওয়া সেই রূপকথার বিয়ে দেখে আপ্লুত হয়েছিলেন ভক্তরা। কিন্তু বিয়ের কিছুদিনের মাথাতেই তাঁদের সম্পর্কের ফাটল ধরতে শুরু করে।ব্যবসায়িক সূত্রে সুরজ থাকতেন দুবাইতে আর মৌনী নিজের ক্যারিয়ারের জন্য মুম্বইয়ে। এই দূরত্বের কারণেই হোক কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তিগত কারণে— দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের আলাদা থাকা এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকে হঠাৎ সুরজের সব ছবি মুছে ফেলা নিয়ে বলিপাড়ায় ফিসফাস চলছিল। অবশেষে ডিভোর্সের চূড়ান্ত সিলমোহরে সেই আশঙ্কাই সত্যি প্রমাণিত হয়। কাকতালীয় বিষয় হল, একদিকে যখন টাইগার শ্রফের সঙ্গে ব্রেক-আপের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন দিশা পাটানি, তখন তাঁর হাত শক্ত করে ধরেছিলেন মৌনী। আর আজ যখন মৌনী নিজের জীবনের সবচেয়ে কঠিন বৈবাহিক বিচ্ছেদের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তখন তাঁর পাশে ‘রক সলিড সাপোর্ট’ হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন এই দিশা পাটানিই!জিম সেশন, মাঝরাতের ডিনার ডেট থেকে শুরু করে ফরেন ভ্যাকেশন— গত কয়েক মাস ধরে দুজনের এই সীমাহীন ঘনিষ্ঠতাই জন্ম দিয়েছিল এক গুঞ্জনের। নেটপাড়ায় অনেকেই ঠাট্টা করে বলতেন, তাঁরা একে অপরের প্রেমে পড়েছেন। নবান্নের মেগা ঘোষণায় তোলপাড় রাজ্য, আপনার এলাকায় কবে শিবির? এর মাঝেই এক সাক্ষাৎকারে মৌনী ও দিশাকে তাঁদের এই অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তখন ট্রোলারদের মুখ বন্ধ করতে মৌনী ক্যামেরার সামনে হাসতে হাসতে বলেছিলেন, “হ্যাঁ, আমি সমকামী! আমি দিশার প্রেমে পাগল।”তখন সবাই ভেবেছিল ডিভোর্সের গুঞ্জন ধামাচাপা দিতে এবং ট্রোলারদের বোল্ড আউট করতে মৌনী স্রেফ হিউমার বা রসিকতার আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু আজ যখন জানা গেল মৌনী সত্যিই সিঙ্গল এবং ডিভোর্সড, তখন নেটিজেনদের একাংশের মনে নতুন প্রশ্ন জাগছে— সেই রসিকতা কি আসলে এক চরম একাকীত্ব থেকে আসা সত্যি ছিল? নাকি এই কঠিন সময়ে কেবল একজন প্রকৃত বন্ধুই দিশার মাঝে খুঁজে পেয়েছেন মৌনী? উত্তর যাই হোক, বলিপাড়ার গসিপ ম্যাগাজিনগুলো কিন্তু এখন এই দুই সুন্দরীর রসায়নেই বুঁদ হয়ে আছে।


বিশ্বকাপে গোলবন্যা, নাটকীয়তা আর চমক—জমে উঠেছে গ্রুপ পর্বের লড়াই

বিশ্বকাপে গোলবন্যা, নাটকীয়তা আর চমক—জমে উঠেছে গ্রুপ পর্বের লড়াই

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে আজ ছিল উত্তেজনায় ভরপুর একটি দিন। মাঠে গড়িয়েছে চারটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। কোথাও দেখা গেছে গোলের বন্যা, কোথাও শেষ মুহূর্তের নাটকীয় জয়, আবার কোথাও শেষ বাঁশি বাজার আগে পর্যন্ত চলেছে সমানে সমান লড়াই। দিনের সবচেয়ে বড় জয় তুলে নিয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। অন্যদিকে সুইডেনও দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়েছে। আইভরি কোস্ট শেষ মুহূর্তে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে, আর নেদারল্যান্ডস ও জাপান ভাগাভাগি করেছে পয়েন্ট।সাত গোলের ঝড়ে কুরাসাওকে উড়িয়ে দিল জার্মানিবিশ্বকাপ মিশনের শুরুতেই নিজেদের শক্তির জানান দিল জার্মানি। নবাগত কুরাসাওয়ের বিপক্ষে শুরুতে কিছুটা চমক দেখলেও শেষ পর্যন্ত ইউরোপের শক্তিশালী দলটির সামনে দাঁড়াতে পারেনি তারা।ম্যাচের শুরুতে কুরাসাও গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের প্রথম গোলের স্বাদ পায়। সেই মুহূর্তে স্টেডিয়ামে উপস্থিত সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হয় উচ্ছ্বাস। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। গোল হজম করার পর যেন আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে জার্মানি।একের পর এক আক্রমণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগ। প্রথমার্ধেই সমতায় ফেরার পর জার্মানরা ম্যাচের পুরো নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়। দ্বিতীয়ার্ধে তারা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত ৭-১ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।এই জয়ে শুধু তিন পয়েন্টই নয়, গোল ব্যবধানেও বড় সুবিধা পেল জার্মানি। বিশ্বকাপের শুরুতেই তারা বুঝিয়ে দিল, শিরোপার লড়াইয়ে নিজেদের আবারও শক্ত দাবিদার হিসেবে দেখতে চায়।পাঁচ গোলের উৎসবে সুইডেনদিনের আরেকটি একতরফা ম্যাচে তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে পরাজিত করেছে সুইডেন। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে ইউরোপের দলটি।প্রথম গোলের পর আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায় সুইডিশদের। দ্রুত আরও কয়েকটি গোল করে তারা ম্যাচকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। তিউনিসিয়া একটি গোল শোধ করলেও সেটি ব্যবধান কমানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে সুইডেনের গতি, পাসিং এবং আক্রমণভাগের সমন্বয় ছিল চোখে পড়ার মতো। একের পর এক সুযোগ তৈরি করে তারা তিউনিসিয়ার রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে।এই বড় জয় সুইডেনকে গ্রুপের শীর্ষে ওঠার দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে।শেষ মুহূর্তের গোলে আইভরি কোস্টের উল্লাসআইভরি কোস্ট ও ইকুয়েডরের ম্যাচটি ছিল দিনের সবচেয়ে স্নায়ুচাপের লড়াইগুলোর একটি।পুরো ম্যাচজুড়েই দুই দল সমানতালে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে। মাঝমাঠের লড়াই ছিল দারুণ উপভোগ্য। বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি হলেও দুই দলের গোলরক্ষকদের দৃঢ়তায় গোলের দেখা পাওয়া যাচ্ছিল না।যখন সবাই ড্রয়ের দিকেই তাকিয়ে ছিল, ঠিক তখনই শেষ মুহূর্তে আসে নাটকীয়তা। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে করা একমাত্র গোলেই ১-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আইভরি কোস্ট।শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে মেতে ওঠেন আফ্রিকার দেশটির খেলোয়াড় ও সমর্থকরা। বিশ্বকাপের মঞ্চে এটি তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জয়।শেষ মুহূর্তে হার এড়াল জাপানদিনের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ম্যাচটি উপহার দিয়েছে নেদারল্যান্ডস ও জাপান।শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। একবার এগিয়েছে নেদারল্যান্ডস, আবার সমতায় ফিরেছে জাপান। ম্যাচের গতি ও উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত বজায় ছিল।ম্যাচের শেষ দিকে নেদারল্যান্ডস জয় নিশ্চিত করতে চলেছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে জাপানের দুর্দান্ত এক আক্রমণ থেকে আসে সমতাসূচক গোল। ফলে ২-২ গোলে ড্র হয় ম্যাচটি।এই ফলাফলে দুই দলই এক পয়েন্ট করে পেলেও মাঠে তাদের লড়াই বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচগুলোর একটি হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।ফুটবলের মহারণ! যে বলে গড়াবে বিশ্বকাপ ২০২৬, জানুন বলটির বিশেষত্ববিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব যত এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে উত্তেজনা। আজকের ম্যাচগুলোতে শক্তির প্রদর্শন করেছে জার্মানি ও সুইডেন। অন্যদিকে আইভরি কোস্ট দেখিয়েছে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেলে ফল পাওয়া যায়। আর জাপান প্রমাণ করেছে, শেষ বাঁশি বাজার আগে কোনো ম্যাচই শেষ নয়। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের এবারের আসর ধীরে ধীরে জমে উঠছে ফুটবলের এক মহারণে।


কাকলিকে ‘দলনেতা’ ঘোষণা করেই ডিলিট পোস্ট! রাতারাতি ফেসবুক পেজ খুলে এ কী দাবি করল নতুন দল এনসিপিআই? তোলপাড় রাজ্য!

কাকলিকে ‘দলনেতা’ ঘোষণা করেই ডিলিট পোস্ট! রাতারাতি ফেসবুক পেজ খুলে এ কী দাবি করল নতুন দল এনসিপিআই? তোলপাড় রাজ্য!

কলকাতা ও হাওড়া: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চর্চার বিষয় ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ বা এনসিপিআই। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত যে রাজনৈতিক দলের নাম রাজ্যের সিংহভাগ মানুষ জানতেনই না, তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে সেই ব্লকে মিশে যাওয়ার কথা ঘোষণা করতেই তা এখন জনকৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু।এনসিপিআই কার্যালয় ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে এই ডামাডোলের মধ্যেই এবার তড়িঘড়ি ফেসবুকে নিজেদের নতুন পাতা খুলে ফেলল এনসিপিআই। আর পেজ খুলেই একের পর এক পোস্টে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে তারা। বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে লোকসভার দলনেতা হিসেবে শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি পোস্ট করা হলেও রহস্যজনকভাবে পরবর্তীতে সেটি মুছে ফেলা হয়। এখানেই শেষ নয়, অন্য একটি পোস্টে গ্রাফিক্স শেয়ার করে এনসিপিআই দাবি করেছে, ২০ জন লোকসভার সাংসদ নিয়ে তারাই এখন সংসদীয় শক্তির বিচারে পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি এবং জাতীয় স্তরে রাজ্যের আসল কণ্ঠস্বর।নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে নথিভুক্ত হওয়া এই দলের প্রধান কার্যালয়টি রয়েছে হাওড়ার সাঁকরাইল থানার হাটগাছা গ্রামে, যা আদতে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হতো। লোহার দরজার একদিকে দলের সভাপতি তথা যোগা ও অঙ্কের শিক্ষক উত্তীয় কুন্ডু এবং অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী তথা কলকাতা হাই কোর্টের আইনজীবী শিউলি কুন্ডুর নাম লেখা রয়েছে। আচমকা এই অখ্যাত দলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হতেই ওই কার্যালয়ের সামনে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোায়েত করা হয়েছে। তবে দলের অন্দরেও এই যোগদান নিয়ে তীব্র কোন্দল প্রকাশ পেয়েছে; প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শান্তনু দে এই সংযুক্তির তীব্র বিরোধিতা করেছেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিধায়কদের বিদ্রোহের পর আইনি জটিলতা তৈরি হওয়ায়, লোকসভার এই ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ কোনও ঝুঁকি না নিয়ে সুকৌশলে এই রেজিস্টার্ড আনরেকগনাইজড রাজনৈতিক দলটিকে বেছে নিয়েছেন। একটি সূত্রের দাবি, এই দলের প্রতিষ্ঠাতা ও কর্মীদের বড় অংশ প্রয়াত মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ এবং মতুয়া সম্প্রদায়ভুক্ত, যা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।


ঘটনার পর কী কী হয়েছিল? হাসপাতালেই শুরু সিবিআইয়ের ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ

ঘটনার পর কী কী হয়েছিল? হাসপাতালেই শুরু সিবিআইয়ের ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণ মামলায় তদন্তে নতুন গতি এল। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত সিবিআইয়ের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) এবার হাসপাতাল চত্বরে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। এ দিন ‘প্লেস অফ অকারেন্স’ বা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা।  তদন্তকারীরা ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তি ও হাসপাতালের কর্মীদের বক্তব্য সংগ্রহ করছেন। জানা গিয়েছে, ঘটনার রাত থেকে পরদিন দাহকার্য পর্যন্ত পুরো ঘটনাক্রম নতুন করে খতিয়ে দেখছে SIT। বিশেষ করে প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছিল কি না, কিংবা ঘটনার কোনও অংশ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল কি না, সেই অভিযোগগুলির উপরেই জোর দিচ্ছেন তদন্তকারীরা।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এক তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় রাজ্যজুড়ে। তদন্তের শুরুতে কলকাতা পুলিশ সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেপ্তার করে। পরে মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যায়। তদন্ত শেষে শিয়ালদহ আদালত সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়।তবে তদন্তের একাধিক দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলে শুরু থেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন নিহত চিকিৎসকের পরিবার। তাঁদের দাবি ছিল, ঘটনার সমস্ত দিক যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি। সেই কারণেই নতুন বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের আবেদন জানানো হয় আদালতে। পরিবারের সেই আবেদনের ভিত্তিতে গত ২১ মে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ মামলার কিছু নির্দিষ্ট দিক পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি নতুন তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট আগামী ২৫ জুনের মধ্যে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।


গুচ্ছের প্রেসক্রিপশন বইবার দিন শেষ! এবার স্রেফ এক ক্লিকেই হাসপাতালের স্ক্রিনে ভেসে উঠবে রোগীর সব তথ্য, বড় পদক্ষেপ নবান্নের!

গুচ্ছের প্রেসক্রিপশন বইবার দিন শেষ! এবার স্রেফ এক ক্লিকেই হাসপাতালের স্ক্রিনে ভেসে উঠবে রোগীর সব তথ্য, বড় পদক্ষেপ নবান্নের!

কলকাতা: সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে প্রেসক্রিপশন বা পুরনো রিপোর্ট হারিয়ে ফেলার দিন এবার অতীত হতে চলেছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে এক যুগান্তকারী ডিজিটাল পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্যভবন। ‘অভিষেক নয়, লোকসভার নিয়ম ঠিক করবেন স্পিকার’, কটাক্ষ দিলীপেরএবার থেকে রোগীর প্রেসক্রিপশন থাকবে সরাসরি সরকারের সেন্ট্রাল সার্ভারে, যা হাসপাতালের কম্পিউটারে স্রেফ এক ক্লিকেই দেখে নিতে পারবেন চিকিৎসকরা। নতুন এই ‘প্রেসক্রিপশন অডিট’ সফটওয়্যার নিয়ে ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যভবনে প্রাথমিক পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতাল, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ, দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল এবং সিউড়ি সদর হাসপাতাল সহ মোট ১০টি হাসপাতালে প্রাথমিকভাবে ট্রায়াল মোডে এই পরিষেবা শুরু হচ্ছে। রাজ্যের পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশ মেনে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতেই এই বিশেষ সফটওয়্যার চালু করা হচ্ছে বলে স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর।জনস্বাস্থ্য আধিকারিকদের মতে, এই ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে বিশেষ করে সুন্দরবনের মতো প্রত্যন্ত এলাকার রোগীদের সব সময় চিকিৎসা সংক্রান্ত গুচ্ছের কাগজ নিয়ে ঘোরার ঝক্কি পোহাতে হবে না। প্রতিটি রোগীর জন্য থাকবে একটি নির্দিষ্ট ডিজিটাল আইডি, যা বললেই চিকিৎসক জানতে পারবেন রোগী কতদিন ভর্তি ছিলেন বা তাঁকে কী কী অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছে। এতে যেমন অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার কমানো যাবে, তেমনই স্পষ্ট হবে প্রেসক্রিপশনের তথ্যও। উল্লেখ্য, বিগত সময়ে বহু ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের অস্পষ্ট হাতের লেখা বা জেনেরিক ওষুধের বদলে ব্র্যান্ড নেম লেখা নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হতো, এই নতুন সফটওয়্যার সেই সমস্যারও স্থায়ী সমাধান করবে। পাশাপাশি হাসপাতালের বেড কতগুলি খালি রয়েছে এবং কতজন রোগী ভর্তি আছেন, তার ওপরেও সরাসরি নজরদারি চালানো সম্ভব হবে। ডিজিটাল ইন্ডিয়ার পথে হেঁটে রাজ্যের এই নতুন প্রয়াস সাধারণ মানুষের হয়রানি অনেকটাই কমাবে বলে আশাবাদী প্রশাসন।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


কোথায় কত শূন্যপদ, পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চাইল রাজ্য সরকার; দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার ইঙ্গিত

কোথায় কত শূন্যপদ, পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চাইল রাজ্য সরকার; দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার ইঙ্গিত

রাজ্যে সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে বড় পদক্ষেপের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনকল্যাণ শিবিরের মঞ্চ থেকে তিনি জানান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কত শূন্যপদ রয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।সোমবার নন্দীগ্রামে ‘জনকল্যাণ শিবির’ উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘‘সরকারি চাকরির পরীক্ষায় যত নম্বরের উত্তর লিখবেন, সেই ওএমআর শিট পরীক্ষার্থীরা বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন।” অর্থাৎ ওএমআর শিটে কারচুপি রুখতেই যে তাঁর এহেন সিদ্ধান্ত, তা স্পষ্ট।এছাড়া প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লিখিত মূ্ল্যায়নে জোর দিয়ে মৌখিকের নম্বর কমানোর কথাও বললেন মুখ্যমন্ত্রী।  মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে কর্মী সংকট রয়েছে। ফলে প্রশাসনিক কাজকর্মেও প্রভাব পড়ছে। সেই সমস্যা দূর করতেই শূন্যপদ চিহ্নিত করে নিয়োগে জোর দিতে চাইছে সরকার। এর আগে সরকারি চাকরির আবেদনকারীদের জন্য বয়সসীমা পাঁচ বছর বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার শূন্যপদের হিসাব সংগ্রহ ও নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার বার্তায় চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। রাজ্যে সরকার গঠনের পর থেকেই প্রশাসনে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে দুর্নীতির অভিযোগ দূর করার বার্তা দিয়ে আসছে বিজেপি সরকার। সেই লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নেওয়ার পর একাধিক পদক্ষেপও শুরু করেছেন। গত মাসে শিয়ালদহের একটি রোজগার মেলা থেকে তিনি ঘোষণা করেন, ভবিষ্যতে সরকারি চাকরির পরীক্ষার্থীদের ওএমআর শিটের কার্বন কপি দেওয়া হবে। তাঁর মতে, পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং স্বজনপোষণ বা দুর্নীতির অভিযোগের অবকাশ কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।


দলবদলের পরই তৃণমূলকে নিশানা, দুর্নীতি থেকে দলীয় গণতন্ত্র - একাধিক ইস্যুতে সরব শতাব্দী

দলবদলের পরই তৃণমূলকে নিশানা, দুর্নীতি থেকে দলীয় গণতন্ত্র - একাধিক ইস্যুতে সরব শতাব্দী

তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম মুখ শতাব্দী রায় নতুন রাজনৈতিক দল NCPI বা ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়াতে যোগ দেওয়ার পর দলের অন্দরের ক্ষোভ প্রকাশ্যে আনলেন। তাঁর দাবি, দলের ভেতরে বহুদিন ধরেই নানা বিষয় নিয়ে মতামত জানানো হলেও তা গুরুত্ব পায়নি। বরং যাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন বা পরামর্শ দিয়েছেন, তাঁদের বক্তব্যকে উপেক্ষা করা হয়েছে।শতাব্দী রায় বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে দল আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারত। পাশাপাশি সাধারণ কর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের মতামতেরও যথাযথ মূল্য দেওয়া হয়নি। তাঁর অভিযোগ, দলের অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক পরিসর ক্রমশ সংকুচিত হয়েছে, যার ফলে অনেকের মধ্যেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল।দলবদলের পর তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে সরব হলেন শতাব্দী রায়। তাঁর দাবি, ২০০৯ সাল থেকে দলের কঠিন সময়েও তিনি তৃণমূলের পাশে ছিলেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অসন্তোষ ও অভিযোগের কোনও সমাধান হয়নি। তাঁর কথায়, এত সংখ্যক নেতা-সাংসদ একসঙ্গে দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মানেই দলের ভিতরে গভীর সমস্যা ছিল, যা নেতৃত্ব গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি।শুধু তাই নয়, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনযাত্রা ও দলের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শতাব্দী। তাঁর দাবি, বিভিন্ন অনিয়মের কথা নেতৃত্বকে জানানো হলেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, দলের জন্য লড়াই করা বহু নেতা-কর্মীর পাশে নেতৃত্ব শেষ পর্যন্ত দাঁড়াতে পারেনি।দলবদলের পর শতাব্দী রায় স্পষ্ট করেছেন, তাঁদের লক্ষ্য শুধুমাত্র নতুন রাজনৈতিক সংগঠনকে শক্তিশালী করা। তৃণমূলের প্রতীক বা সংগঠনের উপর কোনও দাবি তাঁরা করছেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, লোকসভায় তৃণমূলের অন্দরে যে ভাঙন তৈরি হয়েছে, শতাব্দী রায়ের এই মন্তব্য সেই সংকটকেই আরও স্পষ্ট করে তুলল। 


দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার