উত্তরে জারি লাল সতর্কতা, কলকাতা-সহ দক্ষিণের ৫ জেলায় ধেয়ে এল ভয়ঙ্কর ঝড়বৃষ্টি?
কলকাতা: রবিবার বেলা বাড়তেই আচমকা মেঘে ঢাকল আকাশ, আর তার পরেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় শুরু হলো বৃষ্টি। তীব্র দাবদাহের পর এই বৃষ্টি স্বস্তি আনলেও আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের সাম্প্রতিক পূর্বাভাস কিন্তু রীতিমতো কপালে ভাঁজ ফেলার মতো। ট্রেনে এই ভুল করলেই গুনতে হবে ১০ হাজার টাকা! নতুনএকদিকে উত্তরবঙ্গ যখন ভয়ঙ্কর দুর্যোগের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, ঠিক তখনই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে, যার জেরে বিপর্যস্ত হতে পারে জনজীবন।[TECHTARANGA-POST:10132]রবিবার ঘড়ির কাঁটা ১১টার ঘর ছুঁতেই কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামে। তবে আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, এটা তো কেবল শুরু। আগামী কিছু ঘণ্টার মধ্যে বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া, হুগলি এবং নদিয়া—দক্ষিণবঙ্গের এই পাঁচ জেলায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। এই জেলাগুলিতে বজ্রপাতের পাশাপাশি ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। শুধু এই পাঁচ জেলাই নয়, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং হাওড়াতেও ধেয়ে আসছে প্রবল ঝড়বৃষ্টি। আলিপুর সূত্রের খবর, রবিবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই কম-বেশি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে কালবৈশাখীর মতো ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।[TECHTARANGA-POST:10108]দক্ষিণবঙ্গে যখন ঝোড়ো হাওয়ার দাপট, তখন উত্তরবঙ্গ কার্যত ভাসতে চলেছে চরম দুর্যোগে। আজ, রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে জারি রয়েছে লাল সতর্কতা বা ‘রেড অ্যালার্ট’। পাহাড়ি ও ডুয়ার্সের একাধিক জেলায় ইতিমধ্যেই রেকর্ড ভাঙা ভারী বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, রবিবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে প্রবল থেকে অতি প্রবল বৃষ্টি হতে পারে, যার পরিমাণ ২০০ মিলিমিটারও ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত জারি থাকবে হলুদ সতর্কতা, অর্থাৎ সপ্তাহের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত উত্তরবাসীর দুর্যোগ কাটার কোনও লক্ষণ নেই।