ব্রাতিস্লাভা: আন্তর্জাতিক কূটনীতির আঙিনায় এক নতুন ইতিহাস তৈরি করে ইউরোপ সফরের দ্বিতীয় ধাপে সোমবার স্লোভাকিয়ায় পা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১৯৯৩ সালে চেকোস্লোভাকিয়ার বিলুপ্তির পর স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্লোভাকিয়ার আত্মপ্রকাশ ঘটে। তারপর থেকে গত ৩৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সেখানে পা রাখলেন। স্লোভাকিয়ার রাজধানী ব্রাতিস্লাভায় মোদীর বিমান অবতরণের পর দেশটির ঐতিহ্যবাহী প্রথা মেনে রুটি ও লবণ দিয়ে তাঁকে এক অনন্য ও রাজকীয় অভ্যর্থনা জানান স্লোভাকিয়ার বিদেশমন্ত্রী জুরাজ ব্লানার। এই ঐতিহাসিক সফরের সূচনা ঘটিয়ে সোশাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান যে, এই সফর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার এক নয়া দিগন্তের উন্মোচন করবে।[TECHTARANGA-POST:9961]দুই দিনের এই ঠাসা সফরে স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি এবং প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে মোদির হাইপ্রোফাইল দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অটোমোবাইল শিল্প, রেল উৎপাদন এবং ডিফেন্স বা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে দুই দেশের যৌথ সহযোগিতাকে আরও মজবুত করা। বিদ্রোহী সাংসদের যোগদানের জল্পনাএর পাশাপাশি স্লোভাকিয়ার প্রথম সারির শিল্পপতিদের সঙ্গেও গোলটেবিল বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী।পাশাপাশি কেন্দ্রের তরফে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২০২৫ সালে দেশটিতে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রীর স্লোভাকিয়া সফরকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের সম্পৃক্ততা আরও জোরদার করার বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্লোভাকিয়া সফর শেষ করে আগামী ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী মোদী ফ্রান্সের এভিয়ানে আয়োজিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন এবং ১৮ জুন প্যারিসের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শেষ করে দেশে ফিরবেন।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার