Subhranshu Roy: ৩২ পর্যটকের হদিশ মেলেনি, স্ত্রীও নিখোঁজ! নেপাল-কাণ্ডে একাধিক প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রের দ্বারস্থ শুভ্রাংশু
কলকাতাঃ গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ হরপা বানে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল নেপাল। সেই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর এক মাসেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত। তবে এখনও নিখোঁজ বাংলার ৩২ পর্যটক। সেই দলেরই সদস্য ছিলেন মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। দীর্ঘ অপেক্ষার মধ্যেই এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ পোস্ট করেছনে তাঁর স্বামী শুভ্রাংশু রায়। শুভ্রাংশুর দাবি, বিপর্যয়ের সময়ের একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে হঠাৎ প্রবল জলরাশি আছড়ে পড়তে দেখা গিয়েছে। কিন্তু ওই ঘটনার আগের সময়ের ফুটেজ কেন সামনে আসছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মতে, ওই এলাকার ক্যামেরার কোনও সমস্যা হয়ে থাকলেও অনলাইন সার্ভারে আগের কিছু সময়ের ফুটেজ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ফুটেজে দেখা মানুষজনের পোশাক নিয়েও সন্দেহের কথা জানিয়েছেন শুভ্রাংশু। তাঁর দাবি, পর্যটকরা সাধারণত উজ্জ্বল রঙের জ্যাকেট পরে থাকেন। কিন্তু প্রকাশ্যে আসা ফুটেজে যাঁদের দৌড়তে দেখা যাচ্ছে, তাঁদের অনেকের পোশাক সেই ধরনের নয়। এখান থেকেই তাঁর প্রশ্ন, ওই দৃশ্যের মধ্যে আদৌ নিখোঁজ পর্যটকরা ছিলেন কি না।
পর্যটকদের বাসের গতিপথও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন শুভ্রাংশু। তাঁর বক্তব্য, দলটি যে বাসে যাতায়াত করছিল, সেই গাড়ির নম্বর এবং জিপিএস তথ্য মিললে সেটির অবস্থান বোঝা সম্ভব। নেপাল ইমিগ্রেশন থেকে তিব্বত-চিন সীমান্তের দিকের রাস্তাতেও যদি কোনও সিসিটিভি ফুটেজ থাকে, তা উদ্ধার করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। এই ৩২ জন পর্যটক একটি ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রায় গিয়েছিলেন। সেদিনের ভয়াবহ হড়পা বানের পর থেকেই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।এর আগেও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যোগাযোগ করেছিলেন নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা। এবার নিজের পোস্টে কেন্দ্রের হস্তুক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন শুভ্রাংশু। তাঁর বক্তব্য, শুধুমাত্র দূতাবাস পর্যায়ে যোগাযোগ করে অপেক্ষা না করে ভারত সরকারের আরও সক্রিয়ভাবে বিষয়টি দেখার প্রয়োজন রয়েছে।