নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে চড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। বৃহস্পতিবার রেজিনগরের পর শুক্রবার নন্দীগ্রাম। শুক্রবার বিরুলিয়ায় বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের হয়ে প্রচারে গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঞ্চ থেকেই সরাসরি ভোটের ব্যবধান বাড়ানোর আবেদন জানান তিনি। একইসঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীর জামানত জব্দ করার ডাকও দেন।
নন্দীগ্রামের ফল ঘোষণার পরের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, ‘“নন্দীগ্রামের জয়ী প্রার্থীর সার্টিফিকেট নিতে গিয়েই বলেছিলাম তৃণমূলের নাম, নিশান থাকবে না। পিসি-ভাইপোর শুকনো ঘাস, জোড়াফুলের চিহ্ন কোনটাই নেই। অনেক চেষ্টা করেছিল ইভিএমে চোরামূলের লোকেরা। পশ্চিমবঙ্গের জনগণের দ্বারা বিতাড়িত হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি।” তাঁর দাবি, “সুমিত রায়রা জেলে গেছে, এবার বড় চোরও জেলে যাবে।” তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে চন্দ্রনাথ রথের মৃত্যুর প্রসঙ্গও। শুভেন্দু দাবি করেন, তাঁর সহকারী হওয়ার জন্যই চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হয়েছিল। সেই ঘটনার ‘গণতান্ত্রিক বদলা’ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি আগামী ৬ তারিখ ভোটে বিজেপির পক্ষে রায় দেওয়ার কথা বলেন।
এখানেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর নিশানায় ছিলেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী সঞ্চিতা দে প্রধানও। তাঁর দাবি, প্রার্থী নিজের মনোনয়ন তুলে নিয়ে ‘ভোকাট্টা’ হয়ে গিয়েছেন। একইসঙ্গে কংগ্রেস ও সিপিএম অস্তিত্বহীন বলেও দাবি তোলেন। এর পাশাপাশি নন্দীগ্রামের মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বলেন, “আগে যা সাহায্য করতাম, তার তিনগুণ এখন করব। একুশে কোনও আশা না রেখেই আপনারা জিতিয়েছিলেন। ছাব্বিশে তাঁকেই আপনারা মুখ্যমন্ত্রী করে দিলেন, চাইতে হবে কেন? আমি জানি কীভাবে উন্নয়ন করতে হয়।” শুভেন্দুর কথায়, “কথা দিয়েছিলাম, আপনাদের ট্রেন চড়াব, কয়েক মাসে নন্দীগ্রাম-দেশপ্রাণ-বাজকোল ট্রেন চালিয়ে ছাড়ব।”
বিষয় : CM Suvendu Adhikari

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন