Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Congress Protest: দিল্লির পর এবার রণক্ষেত্র কলকাতা! লোকভবন অভিযানে ব্যারিকেড ভেঙে এলাপাথাড়ি খণ্ডযুদ্ধ, প্রিজন ভ্যানে উঠল কংগ্রেস

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
Congress Protest:  দিল্লির পর এবার রণক্ষেত্র কলকাতা! লোকভবন অভিযানে ব্যারিকেড ভেঙে এলাপাথাড়ি খণ্ডযুদ্ধ, প্রিজন ভ্যানে উঠল কংগ্রেস
কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ হটাও’ অভিযান কংগ্রেসের। নিজস্ব ছবি

কলকাতা: দিল্লির ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবার তিলোত্তমার রাজপথে! দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও গ্রেফতারের দাবিতে তোলপাড় গোটা দেশ। রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে দিল্লি পুলিশের আটকের ঘটনার পর এবার আন্দোলনের সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ল কলকাতাতেও। বুধবার ভরদুপুরে ‘জ্ঞানেশ হঠাও’ অভিযানের অংশ হিসেবে রাজ্য কংগ্রেসের লোকভবন ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে গেল লোকভবন চত্বরে। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক খণ্ডযুদ্ধ, ব্যারিকেড ভাঙা এবং ধস্তাধস্তির পর একাধারে কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ।

এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম এবং স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তের অভিযোগ তুলে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে দিল্লিতে আন্দোলন শুরু করেছিল ‘ইন্ডি’ জোট। মঙ্গলবার দিল্লির নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরের উল্টোদিকে আকাশবাণী ভবনের সামনে অবস্থান ধর্নায় বসেছিলেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, অখিলেশ যাদব, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ বিরোধী নেতারা। সেখান থেকে সন্ধ্যার দিকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কাকে আটক করে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ। দিল্লির এই আঁচে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে বুধবারের কলকাতা অভিযান।


এদিন দুপুরে দলীয় পতাকা ও ‘জ্ঞানেশ হঠাও’ প্লাকার্ড হাতে লোকভবনের দিকে অগ্রসর হন কংগ্রেস কর্মীরা। লোকভবনের মূল ফটকের সামনেই তাঁদের পথ আটকায় বিশাল পুলিশবাহিনী। অ্যালুমিনিয়াম ও লোহার গার্ডরেল দিয়ে বিশাল ব্যারিকেড গড়ে তোলা হয়। কিন্তু উত্তেজিত কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে গেলেই মুহূর্তের মধ্যে পুলিশ ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সরাসরি ধাক্কাধাক্কি ও মারমুখী পরিস্থিতি তৈরি হয়। অনেক বিক্ষোভকারী কর্মী রাস্তায় শুয়ে পড়ে স্লোগান দিতে থাকেন। কংগ্রেস নেতাদের দাবি, পূর্ব অনুমতি থাকা সত্ত্বেও পুলিশ গায়ের জোরে তাঁদের গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের গ্রেপ্তারি না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই চলবে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় এবং রণক্ষেত্রের রূপ নেওয়া লোকভবন চত্বর থেকে সারিবদ্ধভাবে কংগ্রেস কর্মীদের গ্রেপ্তার ও আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলে। পর পর ভ্যান ভর্তি করে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে নিয়ে এলাকা খালি করা হয়। কলকাতার এই ধুন্ধুমার পরিস্থিতির পর রাজনৈতিক মহলের স্পষ্ট মত—মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে কেন্দ্র করে রাজ্য থেকে কেন্দ্র, সব স্তরেই চরম উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং আগামী দিনে এই আন্দোলনের গতি আরও তীব্র হতে চলেছে।

বিষয় : Rahul Gandhi Gyanesh Kumar congress protest priyanka gandhi

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


Congress Protest: দিল্লির পর এবার রণক্ষেত্র কলকাতা! লোকভবন অভিযানে ব্যারিকেড ভেঙে এলাপাথাড়ি খণ্ডযুদ্ধ, প্রিজন ভ্যানে উঠল কংগ্রেস

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: দিল্লির ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবার তিলোত্তমার রাজপথে! দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও গ্রেফতারের দাবিতে তোলপাড় গোটা দেশ। রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে দিল্লি পুলিশের আটকের ঘটনার পর এবার আন্দোলনের সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ল কলকাতাতেও। বুধবার ভরদুপুরে ‘জ্ঞানেশ হঠাও’ অভিযানের অংশ হিসেবে রাজ্য কংগ্রেসের লোকভবন ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে গেল লোকভবন চত্বরে। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক খণ্ডযুদ্ধ, ব্যারিকেড ভাঙা এবং ধস্তাধস্তির পর একাধারে কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ।এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম এবং স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তের অভিযোগ তুলে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে দিল্লিতে আন্দোলন শুরু করেছিল ‘ইন্ডি’ জোট। মঙ্গলবার দিল্লির নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরের উল্টোদিকে আকাশবাণী ভবনের সামনে অবস্থান ধর্নায় বসেছিলেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, অখিলেশ যাদব, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ বিরোধী নেতারা। সেখান থেকে সন্ধ্যার দিকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কাকে আটক করে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ। দিল্লির এই আঁচে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে বুধবারের কলকাতা অভিযান।এদিন দুপুরে দলীয় পতাকা ও ‘জ্ঞানেশ হঠাও’ প্লাকার্ড হাতে লোকভবনের দিকে অগ্রসর হন কংগ্রেস কর্মীরা। লোকভবনের মূল ফটকের সামনেই তাঁদের পথ আটকায় বিশাল পুলিশবাহিনী। অ্যালুমিনিয়াম ও লোহার গার্ডরেল দিয়ে বিশাল ব্যারিকেড গড়ে তোলা হয়। কিন্তু উত্তেজিত কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে গেলেই মুহূর্তের মধ্যে পুলিশ ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সরাসরি ধাক্কাধাক্কি ও মারমুখী পরিস্থিতি তৈরি হয়। অনেক বিক্ষোভকারী কর্মী রাস্তায় শুয়ে পড়ে স্লোগান দিতে থাকেন। কংগ্রেস নেতাদের দাবি, পূর্ব অনুমতি থাকা সত্ত্বেও পুলিশ গায়ের জোরে তাঁদের গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের গ্রেপ্তারি না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই চলবে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় এবং রণক্ষেত্রের রূপ নেওয়া লোকভবন চত্বর থেকে সারিবদ্ধভাবে কংগ্রেস কর্মীদের গ্রেপ্তার ও আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলে। পর পর ভ্যান ভর্তি করে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে নিয়ে এলাকা খালি করা হয়। কলকাতার এই ধুন্ধুমার পরিস্থিতির পর রাজনৈতিক মহলের স্পষ্ট মত—মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে কেন্দ্র করে রাজ্য থেকে কেন্দ্র, সব স্তরেই চরম উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং আগামী দিনে এই আন্দোলনের গতি আরও তীব্র হতে চলেছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত