Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Kolkata Puja 2026: মণ্ডপে নেই পর্যাপ্ত আলো, দাহ্য সামগ্রীর স্তূপ! নিরাপত্তার মারাত্মক ঘাটতি ধরা পড়তেই কলকাতার হেভিওয়েট তিন পুজো কমিটিকে তলব দমকলের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
Kolkata Puja 2026: মণ্ডপে নেই পর্যাপ্ত আলো, দাহ্য সামগ্রীর স্তূপ! নিরাপত্তার মারাত্মক ঘাটতি ধরা পড়তেই কলকাতার হেভিওয়েট তিন পুজো কমিটিকে তলব দমকলের
চোরবাগান বিপর্যয়ের পরেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। নিজস্ব ছবি

কলকাতা: উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন পুজো মণ্ডপে মর্মান্তিক পদপিষ্টের ঘটনার পরেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। শহরের প্রতিটি দুর্গাপুজো মণ্ডপের নিরাপত্তা ও অগ্নি-সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে এবার কড়া পদক্ষেপ করল দমকল বিভাগ। ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তার কড়াকড়ির মধ্যেই দক্ষিণ কলকাতার তিনটি অত্যন্ত নামী ও হেভিওয়েট পুজো কমিটিকে একাধিক ত্রুটির কারণে সরাসরি নোটিস পাঠানো হয়েছে। দমকলের পক্ষ থেকে ত্রিধারা সম্মিলনী, বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন এবং চেতলা অগ্রণী—এই তিন প্রভাবশালী পুজো কমিটিকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছর ৮০তম বর্ষে পা দেওয়া ত্রিধারা সম্মিলনীর মণ্ডপসজ্জা ও থিম ইতিমধ্যেই দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে। তেরো হাজার কলম দিয়ে তৈরি দুর্গা প্রতিমা দেখতে উপচে পড়ছে ভিড়। কিন্তু দমকলের উচ্চপর্যায়ের আধিকারিকেরা এই মণ্ডপের অগ্নি-সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দমকলের পাঠানো নোটিসে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, মণ্ডপসজ্জায় প্রচুর পরিমাণে অতিদাহ্য সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে, যা যেকোনো মুহূর্তে বড়সড় অগ্নিকাণ্ডের কারণ হতে পারে। অবিলম্বে এই ত্রুটি শুধরে পর্যাপ্ত ফায়ার সেফটি বা অগ্নি-সুরক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


অন্যদিকে, দক্ষিণ কলকাতার আরও এক ঐতিহ্যবাহী পুজো বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের মণ্ডপে পরিদর্শনের সময় পর্যাপ্ত আলোর অভাবের মতো মারাত্মক ত্রুটি ধরা পড়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে দর্শনার্থীদের চলাফেরা ও নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত মণ্ডপের ভিতরে আলোর বন্দোবস্ত বাড়াতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে মণ্ডপের এন্ট্রি এবং এক্সিট গেটের আশপাশে কোনো ধরনের ব্যবসায়িক কাজকর্ম বা দোকানপাট চালানো যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে দমকল। এর পাশাপাশি, চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপেও পর্যাপ্ত আলোর অভাবের পাশাপাশি বিপুল জনস্রোত সামাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত পাখা বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ঘাটতি নজরে এসেছে। উল্লেখ্য, অতিরিক্ত ভিড়ের চাপে গত শনিবারই চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপে সাময়িকভাবে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল কর্তৃপক্ষ।

চোরবাগানের বিপর্যয়ের পর এই নামী মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তার এমন ফাঁকফোকর বেরিয়ে আসায় প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। পুজোর এই আনন্দঘন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জীবন ও সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে দমকল ও পুলিশ প্রশাসন এখন পুরোপুরি কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটিগুলোকে দ্রুত এই নির্দেশিকা মেনে ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে বলা হয়েছে, অন্যথায় আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

বিষয় : Chetla Agrani tridhara sammilani kolkata puja 2026

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬


Kolkata Puja 2026: মণ্ডপে নেই পর্যাপ্ত আলো, দাহ্য সামগ্রীর স্তূপ! নিরাপত্তার মারাত্মক ঘাটতি ধরা পড়তেই কলকাতার হেভিওয়েট তিন পুজো কমিটিকে তলব দমকলের

প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন পুজো মণ্ডপে মর্মান্তিক পদপিষ্টের ঘটনার পরেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। শহরের প্রতিটি দুর্গাপুজো মণ্ডপের নিরাপত্তা ও অগ্নি-সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে এবার কড়া পদক্ষেপ করল দমকল বিভাগ। ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তার কড়াকড়ির মধ্যেই দক্ষিণ কলকাতার তিনটি অত্যন্ত নামী ও হেভিওয়েট পুজো কমিটিকে একাধিক ত্রুটির কারণে সরাসরি নোটিস পাঠানো হয়েছে। দমকলের পক্ষ থেকে ত্রিধারা সম্মিলনী, বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন এবং চেতলা অগ্রণী—এই তিন প্রভাবশালী পুজো কমিটিকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।চলতি বছর ৮০তম বর্ষে পা দেওয়া ত্রিধারা সম্মিলনীর মণ্ডপসজ্জা ও থিম ইতিমধ্যেই দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে। তেরো হাজার কলম দিয়ে তৈরি দুর্গা প্রতিমা দেখতে উপচে পড়ছে ভিড়। কিন্তু দমকলের উচ্চপর্যায়ের আধিকারিকেরা এই মণ্ডপের অগ্নি-সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দমকলের পাঠানো নোটিসে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, মণ্ডপসজ্জায় প্রচুর পরিমাণে অতিদাহ্য সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে, যা যেকোনো মুহূর্তে বড়সড় অগ্নিকাণ্ডের কারণ হতে পারে। অবিলম্বে এই ত্রুটি শুধরে পর্যাপ্ত ফায়ার সেফটি বা অগ্নি-সুরক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, দক্ষিণ কলকাতার আরও এক ঐতিহ্যবাহী পুজো বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের মণ্ডপে পরিদর্শনের সময় পর্যাপ্ত আলোর অভাবের মতো মারাত্মক ত্রুটি ধরা পড়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে দর্শনার্থীদের চলাফেরা ও নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত মণ্ডপের ভিতরে আলোর বন্দোবস্ত বাড়াতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে মণ্ডপের এন্ট্রি এবং এক্সিট গেটের আশপাশে কোনো ধরনের ব্যবসায়িক কাজকর্ম বা দোকানপাট চালানো যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে দমকল। এর পাশাপাশি, চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপেও পর্যাপ্ত আলোর অভাবের পাশাপাশি বিপুল জনস্রোত সামাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত পাখা বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ঘাটতি নজরে এসেছে। উল্লেখ্য, অতিরিক্ত ভিড়ের চাপে গত শনিবারই চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপে সাময়িকভাবে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল কর্তৃপক্ষ।চোরবাগানের বিপর্যয়ের পর এই নামী মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তার এমন ফাঁকফোকর বেরিয়ে আসায় প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। পুজোর এই আনন্দঘন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জীবন ও সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে দমকল ও পুলিশ প্রশাসন এখন পুরোপুরি কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটিগুলোকে দ্রুত এই নির্দেশিকা মেনে ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে বলা হয়েছে, অন্যথায় আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত