Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মোদীর অনুষ্ঠানে বন্দুকসহ ‘ভুয়ো পিএমও কর্তা’! মুম্বইয়ের অম্বানী সেন্টারে বিরাট নিরাপত্তা বিভ্রাট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মোদীর অনুষ্ঠানে বন্দুকসহ ‘ভুয়ো পিএমও কর্তা’! মুম্বইয়ের অম্বানী সেন্টারে বিরাট নিরাপত্তা বিভ্রাট
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ফাইল চিত্র

মুম্বই: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠান শুরুর ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে বন্দুক-সহ দুই ব্যক্তিকে হাতেনাতে পাকড়াও করল মুম্বই পুলিশ। খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয়ে কীভাবে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ঢুকে পড়ল সন্দেহভাজনরা, তা নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে চাঞ্চল্যকর খবর, ধৃতদের মধ্যে একজন নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের (পিএমও) শীর্ষ কর্তা বলে দাবি করেছিল এবং তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে পিএমও-র এক জাল পরিচয়পত্র। সঙ্গে থাকা অন্য ব্যক্তিকে নিজের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী হিসেবে পরিচয় দিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে বুক ফুলিয়ে ঢোকার চেষ্টা করছিল সে। তবে মোদী সভাস্থলে পৌঁছনোর আগেই নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় এক রোমহর্ষক বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বইয়ের বান্দ্রা-কুরলা কমপ্লেক্স সংলগ্ন নীতা-মুকেশ অম্বানী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেখানে ‘গ্লোবাল ফিনটেক ফিটনেস’ নামের এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনে পৌঁছনোর কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। গুজরাতের ভদোদরার কর্মসূচি সেরে তাঁর সেখানে আসার কথা ছিল। কিন্তু ভিভিআইপিদের সুরক্ষায় কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা সেই চত্বরেই এক ব্যক্তিকে দীর্ঘক্ষণ ধরে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখেন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা। সন্দেহ হওয়ায় তাকে আটকে জেরা করতেই সে নিজেকে পিএমও আধিকারিক বলে দাবি করে এবং একটি সরকারি কার্ড দেখায়। কিন্তু পরিচয়পত্রের নকশা ও হলোগ্রামে অসঙ্গতি ধরা পড়তেই পর্দাফাঁস হয়ে যায়।

তল্লাশি চালিয়ে ভুয়ো অফিসার হিসেবে পরিচয় দেওয়া রোহন পারেখ নামের ওই যুবক এবং তার সঙ্গীকে সঙ্গে সঙ্গে পাকড়াও করা হয়। এরপরই তার তথাকথিত ‘দেহরক্ষী’র পোশাকে থাকা ব্যক্তির কোমর থেকে উদ্ধার হয় একটি স্বয়ংক্রিয় বন্দুক। খোদ প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলে কীভাবে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তারা পৌঁছল, এর নেপথ্যে কোনো বড়সড় নাশকতার ব্লু-প্রিন্ট ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তদন্তে নেমেছে মুম্বই পুলিশের অপরাধদমন শাখা। ধৃতদের মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এবং তাদের সঙ্গে থাকা সমস্ত নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে এমন মারাত্মক নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনায় গোটা মহারাষ্ট্রের প্রশাসনিক মহলে চরম অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : NarendraModi BreakingNews HiddenStoriesNews securitybreach MumbaiPolice PMOImposter BandraKurlaComplex

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মোদীর অনুষ্ঠানে বন্দুকসহ ‘ভুয়ো পিএমও কর্তা’! মুম্বইয়ের অম্বানী সেন্টারে বিরাট নিরাপত্তা বিভ্রাট

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
মুম্বই: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠান শুরুর ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে বন্দুক-সহ দুই ব্যক্তিকে হাতেনাতে পাকড়াও করল মুম্বই পুলিশ। খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয়ে কীভাবে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ঢুকে পড়ল সন্দেহভাজনরা, তা নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে চাঞ্চল্যকর খবর, ধৃতদের মধ্যে একজন নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের (পিএমও) শীর্ষ কর্তা বলে দাবি করেছিল এবং তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে পিএমও-র এক জাল পরিচয়পত্র। সঙ্গে থাকা অন্য ব্যক্তিকে নিজের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী হিসেবে পরিচয় দিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে বুক ফুলিয়ে ঢোকার চেষ্টা করছিল সে। তবে মোদী সভাস্থলে পৌঁছনোর আগেই নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় এক রোমহর্ষক বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বইয়ের বান্দ্রা-কুরলা কমপ্লেক্স সংলগ্ন নীতা-মুকেশ অম্বানী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেখানে ‘গ্লোবাল ফিনটেক ফিটনেস’ নামের এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনে পৌঁছনোর কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। গুজরাতের ভদোদরার কর্মসূচি সেরে তাঁর সেখানে আসার কথা ছিল। কিন্তু ভিভিআইপিদের সুরক্ষায় কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা সেই চত্বরেই এক ব্যক্তিকে দীর্ঘক্ষণ ধরে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখেন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা। সন্দেহ হওয়ায় তাকে আটকে জেরা করতেই সে নিজেকে পিএমও আধিকারিক বলে দাবি করে এবং একটি সরকারি কার্ড দেখায়। কিন্তু পরিচয়পত্রের নকশা ও হলোগ্রামে অসঙ্গতি ধরা পড়তেই পর্দাফাঁস হয়ে যায়।তল্লাশি চালিয়ে ভুয়ো অফিসার হিসেবে পরিচয় দেওয়া রোহন পারেখ নামের ওই যুবক এবং তার সঙ্গীকে সঙ্গে সঙ্গে পাকড়াও করা হয়। এরপরই তার তথাকথিত ‘দেহরক্ষী’র পোশাকে থাকা ব্যক্তির কোমর থেকে উদ্ধার হয় একটি স্বয়ংক্রিয় বন্দুক। খোদ প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলে কীভাবে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তারা পৌঁছল, এর নেপথ্যে কোনো বড়সড় নাশকতার ব্লু-প্রিন্ট ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তদন্তে নেমেছে মুম্বই পুলিশের অপরাধদমন শাখা। ধৃতদের মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এবং তাদের সঙ্গে থাকা সমস্ত নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে এমন মারাত্মক নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনায় গোটা মহারাষ্ট্রের প্রশাসনিক মহলে চরম অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত