Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Dengue Alert: পুজোর আবহেই চরম উদ্বেগের খবর! রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গি, নবান্নের বিশেষ কড়া সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Dengue Alert: পুজোর আবহেই চরম উদ্বেগের খবর! রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গি, নবান্নের বিশেষ কড়া সতর্কতা
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: দুর্গাপুজোর ঢাক বাজার মুখে রাজ্যে আচমকা এক চরম আতঙ্কের ছায়া। পুজো পরিক্রমা ও আলোর রোশনাইয়ের প্রস্তুতির মাঝেই ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত। পরিস্থিতি আপাতত সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও আগামী দুটি মাসকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নিতে চাইছে না নবান্ন। স্বাস্থ্য দপ্তরের স্পষ্ট হিসেব অনুযায়ী, অক্টোবর এবং নভেম্বর—এই পুরো সময়টাই হলো ডেঙ্গির 'হাই-রিস্ক পিরিয়ড'। আর তাই উৎসবে আনন্দ মাটি হওয়ার আগেই জেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্কতার খাঁড়া ঝুলিয়ে কড়া নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার।

পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক গতিপ্রকৃতি দেখে সোমবার নবান্ন থেকে রাজ্যের সব জেলাশাসকের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের এক আপৎকালীন ভার্চুয়াল বৈঠক সারেন মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল। এই বৈঠকে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ডেঙ্গি দমনে কোনো স্তরেই বিন্দুমাত্র ঢিলেমি বা গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। কারণ, গত মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই রাজ্যে আড়াই হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে এই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা, যার মধ্যে সংক্রমণের শীর্ষে মুর্শিদাবাদ। এর পরেই রয়েছে তিলোত্তমা কলকাতা, নদীয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনা। বৈঠকে ১৬টি দপ্তরের প্রধান সচিবের পাশাপাশি হাজির ছিলেন পুলিশ মহাপরিচালক, কলকাতা ও বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার এবং একাধিক পুরনিগমের শীর্ষ আধিকারিকরা।

আক্রান্তের চোখ কপালে তোলা পরিসংখ্যানই বুঝিয়ে দিচ্ছে বিপদের ভয়াবহতা। আগস্ট মাসের শুরুতেও যেখানে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৪১০ জন, সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে সেই আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৩২০-তে। অর্থাৎ মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণ বেড়ে প্রায় তিন গুণ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ১৫০ জনেরও বেশি মানুষ নতুন করে এই রোগে ঢলে পড়ছেন, যার ফলে কলকাতা সহ জেলা হাসপাতালগুলিতে ক্রমশই ইনডোর রোগীদের চাপ আকাশ ছোঁয়া হচ্ছে।

এই কঠিন পরিস্থিতিতে জল জমা রুখতে এবং লার্ভা বিনাশে সর্বাত্মক নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। জেলাশাসক ও পুর কমিশনারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেবল রিপোর্ট না দেখে সরাসরি ময়দানে নেমে নজরদারি চালাতে। উৎসবের দিনগুলিতে মণ্ডপ চত্বর এবং জমে থাকা জল যাতে মশার আঁতুড়ঘরে পরিণত না হয়, তার জন্য স্বাস্থ্য ও পুর দপ্তরকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।


বিষয় : WestBengalNews HiddenStoriesNews HealthAlert durgapuja2026 BreakingNewsBengali ViralNews BengalHealth DengueAlert KolkataDengue NabannaUpdate

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Dengue Alert: পুজোর আবহেই চরম উদ্বেগের খবর! রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গি, নবান্নের বিশেষ কড়া সতর্কতা

প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: দুর্গাপুজোর ঢাক বাজার মুখে রাজ্যে আচমকা এক চরম আতঙ্কের ছায়া। পুজো পরিক্রমা ও আলোর রোশনাইয়ের প্রস্তুতির মাঝেই ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত। পরিস্থিতি আপাতত সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও আগামী দুটি মাসকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নিতে চাইছে না নবান্ন। স্বাস্থ্য দপ্তরের স্পষ্ট হিসেব অনুযায়ী, অক্টোবর এবং নভেম্বর—এই পুরো সময়টাই হলো ডেঙ্গির 'হাই-রিস্ক পিরিয়ড'। আর তাই উৎসবে আনন্দ মাটি হওয়ার আগেই জেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্কতার খাঁড়া ঝুলিয়ে কড়া নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার।পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক গতিপ্রকৃতি দেখে সোমবার নবান্ন থেকে রাজ্যের সব জেলাশাসকের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের এক আপৎকালীন ভার্চুয়াল বৈঠক সারেন মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল। এই বৈঠকে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ডেঙ্গি দমনে কোনো স্তরেই বিন্দুমাত্র ঢিলেমি বা গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। কারণ, গত মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই রাজ্যে আড়াই হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে এই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা, যার মধ্যে সংক্রমণের শীর্ষে মুর্শিদাবাদ। এর পরেই রয়েছে তিলোত্তমা কলকাতা, নদীয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনা। বৈঠকে ১৬টি দপ্তরের প্রধান সচিবের পাশাপাশি হাজির ছিলেন পুলিশ মহাপরিচালক, কলকাতা ও বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার এবং একাধিক পুরনিগমের শীর্ষ আধিকারিকরা।আক্রান্তের চোখ কপালে তোলা পরিসংখ্যানই বুঝিয়ে দিচ্ছে বিপদের ভয়াবহতা। আগস্ট মাসের শুরুতেও যেখানে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৪১০ জন, সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে সেই আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৩২০-তে। অর্থাৎ মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণ বেড়ে প্রায় তিন গুণ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ১৫০ জনেরও বেশি মানুষ নতুন করে এই রোগে ঢলে পড়ছেন, যার ফলে কলকাতা সহ জেলা হাসপাতালগুলিতে ক্রমশই ইনডোর রোগীদের চাপ আকাশ ছোঁয়া হচ্ছে।এই কঠিন পরিস্থিতিতে জল জমা রুখতে এবং লার্ভা বিনাশে সর্বাত্মক নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। জেলাশাসক ও পুর কমিশনারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেবল রিপোর্ট না দেখে সরাসরি ময়দানে নেমে নজরদারি চালাতে। উৎসবের দিনগুলিতে মণ্ডপ চত্বর এবং জমে থাকা জল যাতে মশার আঁতুড়ঘরে পরিণত না হয়, তার জন্য স্বাস্থ্য ও পুর দপ্তরকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত