Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Delhi Protest: দিল্লিতে উত্তপ্ত আন্দোলন! মীনাক্ষী-সুজনদের সঙ্গে রণক্ষেত্র যন্তর মন্তর, অবরুদ্ধ সিপিএম হেডকোয়ার্টার্স

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
Delhi Protest: দিল্লিতে উত্তপ্ত আন্দোলন! মীনাক্ষী-সুজনদের সঙ্গে রণক্ষেত্র যন্তর মন্তর, অবরুদ্ধ সিপিএম হেডকোয়ার্টার্স
দিল্লিতে আটক মীনাক্ষী। ছবি-সংগৃহীত

নয়াদিল্লি: সিজেপির প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দেশের রাজধানী নয়া দিল্লি। আন্দোলনের তীব্রতা রুখতে গোটা দিল্লিকে কার্যত সেনাশিবিরে পরিণত করেছে প্রশাসন। তবে পুলিশের সমস্ত বাধা উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে গিয়েই তুমুল হট্টগোল ও ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়লেন বাম নেতাকর্মীরা। সিপিএমের তরুণ নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এবং প্রবীণ নেতা সুজন চক্রবর্তীকে আটক করার পাশাপাশি নয়াদিল্লিতে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদর কার্যালয় পুলিশ ছেঁকে ধরে অবরুদ্ধ করে রেখেছে বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার সকাল থেকেই সিজেপির ডাকে সাড়া দিয়ে রাজপথে জড়ো হতে শুরু করেন একের পর এক আন্দোলনকারী। সেই মিছিলে সক্রিয়ভাবে সামিল হয়েছিলেন সিপিএমের সর্বভারতীয় শীর্ষ নেতৃত্বসহ পশ্চিমবঙ্গ থেকে যাওয়া এসএফআই কর্মী-সমর্থকরা। বামকর্মী ও নেতাদের মিছিল যন্তর মন্তরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই বাঁধ সাধে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় আধাসেনা। সুজন চক্রবর্তী, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, সৃজন বন্দ্যোপাধ্যায়দের নেতৃত্বে মিছিল কিছুদূর এগাতেই পুলিশের সঙ্গে তুমুল ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে জোর জবরদস্তি সুজন ও মীনাক্ষীকে আটক করে গাড়িতে তোলে পুলিশ। সূত্রের খবর, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে দিল্লি স্টেডিয়ামে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা হয়েছে।


বাম নেতাদের এই প্রতিবাদ দমনে বাদ যাননি সর্বভারতীয় শীর্ষ নেতৃত্বও। আন্দোলনস্থলে পৌঁছনোর আগেই আটক করা হয়েছে সিপিএমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি, প্রবীণ নেত্রী বৃন্দা কারাত এবং কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, কেবল বাম শিবিরেরই চার শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থককে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, আন্দোলন যাতে নতুন করে দানা বাঁধতে না পারে, তার জন্য দিল্লিতে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কার্যালয় (এเคজি ভবন) সম্পূর্ণভাবে ঘিরে ফেলেছে পুলিশ বাহিনী। ফলে ভেতর থেকে কোনো নেতাই বাইরে বেরোতে পারছেন না। মোদী সরকার ও দিল্লি পুলিশের এই স্বৈরাচারী পদক্ষেপের তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন প্রবীণ বাম নেতা বিমান বসু। তিনি সাফ জানিয়েছেন, খাঁচা বা পুলিশ দিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলন কোনোদিন চেপে রাখা যায় না। প্রশাসনের এই বলপ্রয়োগ আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী ও সুসংবদ্ধ করবে বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি। আপাতত রাজধানীতে চিরুনি তল্লাশি আর ধরপাকড়ের মধ্যে চূড়ান্ত উত্তেজনা বজায় রয়েছে।

বিষয় : CPIMLEADER Delhi Protest minakshi mukherjee sujan chakraborty

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


Delhi Protest: দিল্লিতে উত্তপ্ত আন্দোলন! মীনাক্ষী-সুজনদের সঙ্গে রণক্ষেত্র যন্তর মন্তর, অবরুদ্ধ সিপিএম হেডকোয়ার্টার্স

প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: সিজেপির প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দেশের রাজধানী নয়া দিল্লি। আন্দোলনের তীব্রতা রুখতে গোটা দিল্লিকে কার্যত সেনাশিবিরে পরিণত করেছে প্রশাসন। তবে পুলিশের সমস্ত বাধা উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে গিয়েই তুমুল হট্টগোল ও ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়লেন বাম নেতাকর্মীরা। সিপিএমের তরুণ নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এবং প্রবীণ নেতা সুজন চক্রবর্তীকে আটক করার পাশাপাশি নয়াদিল্লিতে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদর কার্যালয় পুলিশ ছেঁকে ধরে অবরুদ্ধ করে রেখেছে বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।শনিবার সকাল থেকেই সিজেপির ডাকে সাড়া দিয়ে রাজপথে জড়ো হতে শুরু করেন একের পর এক আন্দোলনকারী। সেই মিছিলে সক্রিয়ভাবে সামিল হয়েছিলেন সিপিএমের সর্বভারতীয় শীর্ষ নেতৃত্বসহ পশ্চিমবঙ্গ থেকে যাওয়া এসএফআই কর্মী-সমর্থকরা। বামকর্মী ও নেতাদের মিছিল যন্তর মন্তরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই বাঁধ সাধে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় আধাসেনা। সুজন চক্রবর্তী, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, সৃজন বন্দ্যোপাধ্যায়দের নেতৃত্বে মিছিল কিছুদূর এগাতেই পুলিশের সঙ্গে তুমুল ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে জোর জবরদস্তি সুজন ও মীনাক্ষীকে আটক করে গাড়িতে তোলে পুলিশ। সূত্রের খবর, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে দিল্লি স্টেডিয়ামে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা হয়েছে।বাম নেতাদের এই প্রতিবাদ দমনে বাদ যাননি সর্বভারতীয় শীর্ষ নেতৃত্বও। আন্দোলনস্থলে পৌঁছনোর আগেই আটক করা হয়েছে সিপিএমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি, প্রবীণ নেত্রী বৃন্দা কারাত এবং কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, কেবল বাম শিবিরেরই চার শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থককে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, আন্দোলন যাতে নতুন করে দানা বাঁধতে না পারে, তার জন্য দিল্লিতে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কার্যালয় (এเคজি ভবন) সম্পূর্ণভাবে ঘিরে ফেলেছে পুলিশ বাহিনী। ফলে ভেতর থেকে কোনো নেতাই বাইরে বেরোতে পারছেন না। মোদী সরকার ও দিল্লি পুলিশের এই স্বৈরাচারী পদক্ষেপের তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন প্রবীণ বাম নেতা বিমান বসু। তিনি সাফ জানিয়েছেন, খাঁচা বা পুলিশ দিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলন কোনোদিন চেপে রাখা যায় না। প্রশাসনের এই বলপ্রয়োগ আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী ও সুসংবদ্ধ করবে বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি। আপাতত রাজধানীতে চিরুনি তল্লাশি আর ধরপাকড়ের মধ্যে চূড়ান্ত উত্তেজনা বজায় রয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত