Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Suvendu Adhikari:মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিয়েই বড় ধামাকা! এক বছরেই মেগা পরিবর্তন, কোচবিহারে বিরাট বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Suvendu Adhikari:মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিয়েই বড় ধামাকা! এক বছরেই মেগা পরিবর্তন, কোচবিহারে বিরাট বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
এআই দ্বারা নির্মিত ছবি

কোচবিহার: ঐতিহ্যবাহী মদনমোহন মন্দিরে গভীর ভক্তিভরে পুজো দিয়ে কোচবিহার জেলার সার্বিক রূপান্তরে ঐতিহাসিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জেলায় উন্নয়নের কাজের জন্য তহবিলের কোনো অভাব হতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি, জেলাশাসকের প্রাথমিক ২ কোটি টাকার বিস্তৃত প্রকল্প রিপোর্ট (DPR)-এর বাজেট আরও বাড়িয়ে বড় মাপের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রাসপূর্ণিমায় ফের এই জেলায় আসার অঙ্গীকার করে মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন যে, আগামী এক বছরের মধ্যেই কোচবিহারবাসীর দীর্ঘদিনের বকেয়া স্বপ্ন পূরণ করা হবে।

ঐতিহাসিক মদনমোহন দর্শনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী কোচবিহার বিমানবন্দরে স্থায়ী বিমান পরিষেবা চালুর স্পষ্ট রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি জানান, কেন্দ্র সরকারের ‘উড়ান’ (UDAN) প্রকল্পের অধীনে কোচবিহার বিমানবন্দরকে অন্তর্ভুক্ত করতে আগামী ৮ তারিখে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রামমোহন নাইডুর সঙ্গে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে চলেছে। নিজের কার্যকালের সময়সীমা উল্লেখ করে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ২০২৬ সালের ৯ মে শপথ গ্রহণের পর থেকে ২০২৭ সালের ৯ মে— এই নির্দিষ্ট এক বছরের মধ্যেই জেলার যাবতীয় পরিকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় জমি চিহ্নিতকরণ, ডিপিআর প্রস্তুত এবং অর্থ বরাদ্দের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। এমনকি উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের প্রকাশিত প্রথম দরপত্রের বেশিরভাগ কাজ কোচবিহার জেলার জন্যই বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

পরিকাঠামোর পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলির সফল বাস্তবায়নেও জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রের জল জীবন মিশন, প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর, অন্নপূর্ণা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাসন যোজনা ও পিএম কিষাণ সম্মান নিধির পাশাপাশি রাজ্যের কৃষক বন্ধু প্রকল্পের নথি যাচাইয়ের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ‘বিশ্ব গণ্ডার দিবস’-এর প্রসঙ্গ টেনে উত্তরবঙ্গের একশৃঙ্গী গণ্ডার ও প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে কোচবিহারকে কেন্দ্র করে পরিবেশ ও ধর্মীয় পর্যটনের বিশাল সম্ভাবনা তুলে ধরেন তিনি। ডুয়ার্স বা টাইগার হিলের মতো কোচবিহারকেও শীর্ষ পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করতে রেল, বিমান ও সড়ক যোগাযোগের আধুনিকীকরণের পাশাপাশি বিশ্বমানের অতিথিশালা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

অতীতে এই অঞ্চলে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক আক্রমণ ও রাজনৈতিক তিক্ততার প্রশ্ন উঠলে মুখ্যমন্ত্রী তা অতীত বলে সাফ এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, অতীতের অপ্রীতিকর স্মৃতি পেছনে ফেলেই এগিয়ে যেতে হয় এবং সাধারণ মানুষ তথা ‘গণদেবতা’র আশীর্বাদই তাঁর মূল চালিকাশক্তি।


বিষয় : WestBengalNews CoochBehar BengalPolitics SuvenduAdhikari HiddenStoriesNews northbengaldevelopment MadanmohanMandir

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Suvendu Adhikari:মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিয়েই বড় ধামাকা! এক বছরেই মেগা পরিবর্তন, কোচবিহারে বিরাট বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
কোচবিহার: ঐতিহ্যবাহী মদনমোহন মন্দিরে গভীর ভক্তিভরে পুজো দিয়ে কোচবিহার জেলার সার্বিক রূপান্তরে ঐতিহাসিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জেলায় উন্নয়নের কাজের জন্য তহবিলের কোনো অভাব হতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি, জেলাশাসকের প্রাথমিক ২ কোটি টাকার বিস্তৃত প্রকল্প রিপোর্ট (DPR)-এর বাজেট আরও বাড়িয়ে বড় মাপের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রাসপূর্ণিমায় ফের এই জেলায় আসার অঙ্গীকার করে মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন যে, আগামী এক বছরের মধ্যেই কোচবিহারবাসীর দীর্ঘদিনের বকেয়া স্বপ্ন পূরণ করা হবে।ঐতিহাসিক মদনমোহন দর্শনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী কোচবিহার বিমানবন্দরে স্থায়ী বিমান পরিষেবা চালুর স্পষ্ট রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি জানান, কেন্দ্র সরকারের ‘উড়ান’ (UDAN) প্রকল্পের অধীনে কোচবিহার বিমানবন্দরকে অন্তর্ভুক্ত করতে আগামী ৮ তারিখে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রামমোহন নাইডুর সঙ্গে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে চলেছে। নিজের কার্যকালের সময়সীমা উল্লেখ করে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ২০২৬ সালের ৯ মে শপথ গ্রহণের পর থেকে ২০২৭ সালের ৯ মে— এই নির্দিষ্ট এক বছরের মধ্যেই জেলার যাবতীয় পরিকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় জমি চিহ্নিতকরণ, ডিপিআর প্রস্তুত এবং অর্থ বরাদ্দের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। এমনকি উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের প্রকাশিত প্রথম দরপত্রের বেশিরভাগ কাজ কোচবিহার জেলার জন্যই বরাদ্দ রাখা হয়েছে।পরিকাঠামোর পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলির সফল বাস্তবায়নেও জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রের জল জীবন মিশন, প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর, অন্নপূর্ণা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাসন যোজনা ও পিএম কিষাণ সম্মান নিধির পাশাপাশি রাজ্যের কৃষক বন্ধু প্রকল্পের নথি যাচাইয়ের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ‘বিশ্ব গণ্ডার দিবস’-এর প্রসঙ্গ টেনে উত্তরবঙ্গের একশৃঙ্গী গণ্ডার ও প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে কোচবিহারকে কেন্দ্র করে পরিবেশ ও ধর্মীয় পর্যটনের বিশাল সম্ভাবনা তুলে ধরেন তিনি। ডুয়ার্স বা টাইগার হিলের মতো কোচবিহারকেও শীর্ষ পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করতে রেল, বিমান ও সড়ক যোগাযোগের আধুনিকীকরণের পাশাপাশি বিশ্বমানের অতিথিশালা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।অতীতে এই অঞ্চলে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক আক্রমণ ও রাজনৈতিক তিক্ততার প্রশ্ন উঠলে মুখ্যমন্ত্রী তা অতীত বলে সাফ এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, অতীতের অপ্রীতিকর স্মৃতি পেছনে ফেলেই এগিয়ে যেতে হয় এবং সাধারণ মানুষ তথা ‘গণদেবতা’র আশীর্বাদই তাঁর মূল চালিকাশক্তি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত