ফের ব্যস্ত অফিস টাইমে মেট্রো বিভ্রাটের জেরে ভোগান্তির একশেষ তিলোত্তমার নিত্যযাত্রীদের। শুক্রবার সকালে অটোমেটিক সিগন্যালিং ব্যবস্থার যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে থমকে গেল হলুদ লাইনের (এয়ারপোর্ট থেকে নোয়াপাড়া) পরিষেবা। সকাল ১০টা বেজে ১৪ মিনিট নাগাদ আচমকা সিগন্যালে সমস্যা দেখা দেওয়ায় মেট্রোর চাকা স্তব্ধ হয়ে যায়। জয়হিন্দ (এয়ারপোর্ট) স্টেশনে তখন অফিস যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়তেই তড়িঘড়ি রেক ফাঁকা করে দেওয়া হয়, যার ফলে চরম দুশ্চিন্তা ও সমস্যায় পড়েন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়া সাধারণ মানুষ।
গত বছর অগস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে উদ্বোধন হওয়া এই রুটটি দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। কিন্তু শুক্রবারের এই ঘটনা আবারও যাত্রী পরিষেবার সুরক্ষা ও মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। মেট্রোর ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামতির কাজ শুরু করলেও দীর্ঘক্ষণ পর্যন্ত অটোমেটিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা সচল করা সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়েই ম্যানুয়ালি মেট্রো চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। তবে এই প্রক্রিয়ায় মেট্রো চলছে অত্যন্ত ধীর গতিতে এবং স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি সময় অন্তর মিলছে রেক। যদিও ব্লু লাইন বা কবি সুভাষ-দক্ষিণেশ্বর রুটের পরিষেবা স্বাভাবিক রয়েছে বলে মেট্রো সূত্রে জানানো হয়েছে।
কলকাতা মেট্রোর ব্লু লাইনে যান্ত্রিক বিভ্রাট নতুন কিছু নয়, কিন্তু এবার নতুন চালু হওয়া হলুদ লাইনেও একই বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে দেখে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন যাত্রীরা। সময় বাঁচাতে যারা মেট্রোর ওপর ভরসা করেন, মাঝপথে এই অচলাবস্থার জেরে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে। সিগন্যালিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কেন বারবার বিঘ্নিত হচ্ছে এবং এর স্থায়ী সমাধান কী, এখন সেই প্রশ্নই তুলছেন বিরক্ত নিত্যযাত্রীরা।
বিষয় : KolkataMetro KolkataNews metrodisturbance

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন