Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

গেস্ট হাউসে ‘কুবেরের ভাণ্ডার’! ২ কোটিরও বেশি নগদ উদ্ধার, হাওয়ালা না সাইবার চক্র?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬
গেস্ট হাউসে ‘কুবেরের ভাণ্ডার’! ২ কোটিরও বেশি নগদ উদ্ধার, হাওয়ালা না সাইবার চক্র?
ছবি সংগৃহীত

নিউটাউনের একটি গেস্ট হাউস থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, যা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া পুলিশের তল্লাশি অভিযান চলে প্রায় ১২ ঘণ্টা। আর সেই তল্লাশিতেই উদ্ধার হয়েছে ২ কোটিরও বেশি নগদ টাকা। এত টাকা গুনতে আনতে হয় ছ'টি টাকা গোনার মেশিন। তিন ট্রলিভর্তি নগদ অর্থ বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। পাশাপাশি একটি গাড়ি ও একটি স্কুটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।


পুলিশ সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় এক মহিলা-সহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন ভিনরাজ্যের বাসিন্দা বলেও জানা গিয়েছে। তবে এই বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ কোথা থেকে এল, কী উদ্দেশ্যে সেখানে মজুত করা হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এই টাকার সঙ্গে হাওয়ালা চক্রের যোগ থাকতে পারে। একইসঙ্গে সাইবার প্রতারণার দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্রের দাবি, নিউটাউনের ২০ নম্বর ট্যাঙ্কের কাছে বালিগড়ি এলাকার ওই গেস্ট হাউস থেকে মোট ২ কোটি ২৭ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে। জানা গিয়েছে, গেস্ট হাউসটির মালিক প্রসন্নকুমার রায় নামে এক ব্যক্তি। তবে তিনি কোথায় রয়েছেন বা এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। 


তদন্তকারীদের একাংশের অনুমান, কল সেন্টারের আড়ালে কোনও প্রতারণা চক্র এই টাকা সংগ্রহ করত। পরে সেই অর্থ নিরাপদে রাখার জন্য ব্যবহার করা হতো নিউটাউনের এই গেস্ট হাউস। জামতাড়া গ্যাংয়ের কায়দায় গোটা চক্রটি পরিচালিত হতো বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। সবমিলিয়ে, নিউটাউনের গেস্ট হাউস থেকে কোটি কোটি টাকার সন্ধান মেলায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। টাকার উৎস, লেনদেনের নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং এই চক্রের শিকড় কতদূর বিস্তৃত, তা জানতে তদন্তে জোর দিয়েছে পুলিশ।

বিষয় : West Bengal Police New Town Cash Recovery

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬


গেস্ট হাউসে ‘কুবেরের ভাণ্ডার’! ২ কোটিরও বেশি নগদ উদ্ধার, হাওয়ালা না সাইবার চক্র?

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬

featured Image
নিউটাউনের একটি গেস্ট হাউস থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, যা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া পুলিশের তল্লাশি অভিযান চলে প্রায় ১২ ঘণ্টা। আর সেই তল্লাশিতেই উদ্ধার হয়েছে ২ কোটিরও বেশি নগদ টাকা। এত টাকা গুনতে আনতে হয় ছ'টি টাকা গোনার মেশিন। তিন ট্রলিভর্তি নগদ অর্থ বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। পাশাপাশি একটি গাড়ি ও একটি স্কুটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় এক মহিলা-সহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন ভিনরাজ্যের বাসিন্দা বলেও জানা গিয়েছে। তবে এই বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ কোথা থেকে এল, কী উদ্দেশ্যে সেখানে মজুত করা হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এই টাকার সঙ্গে হাওয়ালা চক্রের যোগ থাকতে পারে। একইসঙ্গে সাইবার প্রতারণার দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্রের দাবি, নিউটাউনের ২০ নম্বর ট্যাঙ্কের কাছে বালিগড়ি এলাকার ওই গেস্ট হাউস থেকে মোট ২ কোটি ২৭ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে। জানা গিয়েছে, গেস্ট হাউসটির মালিক প্রসন্নকুমার রায় নামে এক ব্যক্তি। তবে তিনি কোথায় রয়েছেন বা এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তকারীদের একাংশের অনুমান, কল সেন্টারের আড়ালে কোনও প্রতারণা চক্র এই টাকা সংগ্রহ করত। পরে সেই অর্থ নিরাপদে রাখার জন্য ব্যবহার করা হতো নিউটাউনের এই গেস্ট হাউস। জামতাড়া গ্যাংয়ের কায়দায় গোটা চক্রটি পরিচালিত হতো বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। সবমিলিয়ে, নিউটাউনের গেস্ট হাউস থেকে কোটি কোটি টাকার সন্ধান মেলায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। টাকার উৎস, লেনদেনের নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং এই চক্রের শিকড় কতদূর বিস্তৃত, তা জানতে তদন্তে জোর দিয়েছে পুলিশ।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত