রেকর্ড ভেঙে মাত্র ২৬ দিনেই বেরোল রাজ্য জয়েন্টের রেজাল্ট! কলকাতাকে টেক্কা দিল জেলা? দেখে নিন প্রথম ১০-এর মেধা তালিকা
কলকাতা: মাত্র ২৬ দিনের রেকর্ড সময়ে অবশেষে প্রকাশিত হলো রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্সের (WBJEE 2026) ফলাফল! প্রতি বছরের মতো এবারও ফলাফল প্রকাশ হতেই পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের উৎকণ্ঠার অবসান ঘটেছে। এ বারের পরীক্ষার সবচেয়ে বড় চমক হলো, কলকাতার নামী দামি স্কুলগুলির পাশাপাশি মেধা তালিকায় সমান দাপট দেখিয়েছে জেলার একাধিক পড়ুয়ারাও। রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি জুন মাসের শেষের দিক থেকেই শুরু হয়ে যেতে পারে ইন্টারভিউ ও কাউন্সেলিংয়ের মূল প্রক্রিয়া। রাজ্যের বিভিন্ন প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ারিং, টেকনোলজি, ফার্মাসি এবং আর্কিটেকচারের মতো প্রথম সারির স্নাতক স্তরে ভর্তির ভাগ্য নির্ধারণকারী এই মেধা তালিকায় নজর কেড়েছে একঝাঁক নতুন মুখ।[TECHTARANGA-POST:10066]এ বারের রাজ্য জয়েন্টে প্রথম স্থান অধিকার করে সেরার সেরা মুকুট ছিনিয়ে নিয়েছেন সল্টলেকের নালন্দা অ্যাকাডেমির ছাত্র শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন জোকা বিবেকানন্দ মিশন স্কুলের বিষ্ণুপুরের ছাত্র সৌঋদ্ধ মণ্ডল এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন রানিগঞ্জের পূর্ব ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের উমাং ভাট। এর পরেই চতুর্থ স্থানে নিউটাউনের দিল্লি পাবলিক স্কুলের রাহুল কোনার এবং পঞ্চম স্থানে বীজপুরের গার্ডেন হাই স্কুলের সর্বান ভট্টাচার্য নিজের জায়গা পাকা করেছেন। মেধা তালিকার ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন চন্দ্রকোণা জিরাট হাইস্কুলের আরহা ভট্টাচার্য, সপ্তম স্থানে সাউথ পয়েন্ট হাইস্কুলের শিবপুরের ছাত্র সৃজন শুর এবং অষ্টম স্থান পেয়েছেন মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলের মণীশ সেনাপতি। তালিকার শেষ দিকে নবম স্থানে বিডিএম ইন্টারন্যাশনালের সোনারপুরের ছাত্র সব্যসাচী লস্কর এবং দশম স্থানে যৌথভাবে জায়গা করে নিয়েছেন সাউথ পয়েন্ট হাইস্কুলের বালিগঞ্জের ছাত্র দেবজিৎ পাল।পঞ্চায়েতে দুর্নীতির অভিযোগ, ডেপুটেশন মঞ্চেই বাম শিবিরে যোগদানের হিড়িক উল্লেখ্য, গত ২৪ মে রাজ্যজুড়ে বিপুল নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আয়োজিত হয়েছিল এই মেগা পরীক্ষা। এই প্রথমবার শুধু বাংলা নয়, রাজ্যের বাইরেও পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরি করে নজির গড়েছে বোর্ড। মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার ৮৫৬ জন পরীক্ষার্থী এ বছর পরীক্ষায় বসেছিলেন। মোট ২৬৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৬৪টি ছিল পশ্চিমবঙ্গের বুকে, এছাড়া ত্রিপুরার ২টি এবং অসমের ১টি কেন্দ্রেও পরীক্ষা নেওয়া হয়। কোনওরকম কারচুপি রুখতে এবং সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা পরিচালনা করতে পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, স্মার্ট ওয়াচ কিংবা ব্লুটুথ ডিভাইসের মতো সমস্ত ধরনের ইলেকট্রনিক গ্যাজেট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেই কড়া নজরদারির ফল মিলল মাত্র ২৬ দিনের মাথায়, যা বোর্ডের ইতিহাসে এক অন্যতম দ্রুততম ফলপ্রকাশের রেকর্ড।