Hidden Stories (বাংলা)

Kolkata Municipal Corporation: ‘ড্রপ বক্সে ফেলে যান বায়োডাটা!’ নতুন কলকাতা গড়তে বিশিষ্টদের আহ্বান সুকান্ত মজুমদারের

কলকাতা: দুর্গাপুজোর আবহ কাটতেই সামনেই কলকাতা পুরনিগম নির্বাচন। আর এই মেগা নির্বাচনের আগেই প্রস্তাবিত ২০৯টি ওয়ার্ডে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় বিরাট চমক আনল বঙ্গ বিজেপি। যোগ্য ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মুখ খুঁজতে এবার সরাসরি ‘ড্রপ বক্স’-এর ব্যবস্থা করল পদ্মশিবির। যেখানে কলকাতা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সমাজের কৃতী, প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব ও যুব সমাজকে প্রার্থী হওয়ার জন্য খোলা আহ্বান জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।রবিবার কলকাতা পুর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক বিশেষ সাংবাদিক বৈঠকে সুকান্ত মজুমদার জানান, বিজেপির নেতৃত্বে তৈরি হবে এক আধুনিক ও স্বচ্ছ কলকাতা, যেখানে কোনো রকম ‘প্রোমোটাররাজ’ বা ‘ডেভেলপাররাজ’-এর জায়গা থাকবে না। এই নতুন শহর গড়ার অভিযানে শহরের ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, সাংবাদিক ও সমাজসেবীদের অগ্রণী ভূমিকা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। সুকান্তবাবু স্পষ্ট জানিয়ে দেন, প্রার্থী নির্বাচনে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, যোগ্যতা এবং সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকেই একমাত্র অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। দেবীপক্ষকেই এই উদ্যোগের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে এবং যাঁরা জয়ী হওয়ার ক্ষমতা রাখেন, তাঁকেই টিকিট দেবে দল।ঘোষণা অনুযায়ী, আগামীকাল থেকেই কলকাতার মুরলীধর সেন লেনে বিজেপির রাজ্য সদর কার্যালয়ে রাখা থাকবে এই বিশেষ ড্রপ বক্স। অফিস চলাকালীন যে কেউ সরাসরি সেখানে গিয়ে নিজেদের বায়োডাটা বা আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। বিগত চার দশকের বেশি সময় ধরে কলকাতার মানুষ সঠিক নাগরিক পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন দাবি করে সুকান্ত জানান, নতুন কলকাতাকে এক নতুন দিগন্ত দিতে বিজেপির এই উদ্যোগ।সামনে পুরসভা নির্বাচন হওয়ায় পদ্মশিবিরের এই ‘ড্রপ বক্স মডেল’ রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ মানুষ এবং পেশাদারদের সরাসরি রাজনীতির মূল স্রোতে আনার এই প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত পুরভোটের ময়দানে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

Kolkata Municipal Corporation: ‘ড্রপ বক্সে ফেলে যান বায়োডাটা!’ নতুন কলকাতা গড়তে বিশিষ্টদের আহ্বান সুকান্ত মজুমদারের