Hidden Stories (বাংলা)

Humayun Kabir: চোখে জল নিয়ে রাজনীতি ছাড়ার বার্তা! রেজিনগরে পরাজয় মেনে কী বড় ঘোষণা করলেন হুমায়ুন কবীর?

বহরমপুর: রেজিনগর উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব মিটতেই চরম রাজনৈতিক বিস্ফোরণ ঘটালেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। চোখে জল এবং একরাশ ক্ষোভ-অভিমান বুকে নিয়ে রাজনীতি থেকে স্বেচ্ছাবসরের ইঙ্গিত দিলেন নওদার এই বিধায়ক। কেবল তা-ই নয়, ভোটে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁর দাবি, রেজিনগরে নাকি বড় ব্যবধানে জয় পেতে চলেছে বিজেপি! পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যতদিন শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশমন্ত্রীর পদে থাকবেন, ততদিন তিনি আর কোনোদিন বিধানসভার অধিবেশনে যোগ দেবেন না।মঙ্গলবার হাই-ভোল্টেজ উপনির্বাচনের দিন দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রেজিনগর। ছেলেকে প্রার্থী করে নিজের পুরোনো আসনে জয় নিশ্চিত করতে ময়দানে নেমেছিলেন হুমায়ুন। কিন্তু ভোট চলাকালীন প্রভাব খাটানো, উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে অশালীন ভাষায় আক্রমণের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রায় ১২ ঘণ্টা পুলিশি হেফাজতে থাকার পর মুক্তি পেয়ে বুধবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানে ক্ষোভে ফেটে পড়ে হুমায়ুন বলেন, কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই যেভাবে একজন পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর একজন জনপ্রতিনিধিকে জোর করে তুলে নিয়ে আটকে রাখতে পারে, সেই চরম একনায়কতন্ত্রকে তিনি ঘৃণা করেন।[TECHTARANGA-POST:13410]সংবাদ সম্মেলনে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান অভিযোগ করেন, একজন রেজিস্টার্ড রাজনৈতিক দলের চেয়ারম্যান নিজের পার্টি অফিসেও নিরাপদ নন। সেখান থেকে তাঁকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে পুলিশের সহায়তায় অবাধে ভোট লুট চালানো হয়েছে বলে দাবি তাঁর। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পুলিশ প্রশাসনের অধীনে আর রাজনীতি করতে চান না বলেই জানান হুমায়ুন। নওদার মানুষ তাঁকে ভালোবাসে বিধায়ক করলেও তাঁর জন্য সংরক্ষিত বিধানসভার ৮৮ নম্বর আসনটি ফাঁকাই পড়ে থাকবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। কোনো হাউস কমিটি বা স্পিকারের ডাকা বৈঠকেও তিনি যোগ দেবেন না।প্রয়োজনে নওদার সাধারণ মানুষের মতামত নিয়ে বিধায়ক পদ ত্যাগ করার পাশাপাশি সক্রিয় রাজনীতি থেকেই বরাবরের মতো নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা করেছেন হুমায়ুন কবীর। আগামী ৯ তারিখ ভোটের ফলাফল ঘোষণার আগেই শাসক ও প্রশাসনের ওপর এই তীব্র বিতশ্রদ্ধা বঙ্গরাজনীতিতে এক নতুন জল্পনার জন্ম দিল।

Humayun Kabir: চোখে জল নিয়ে রাজনীতি ছাড়ার বার্তা! রেজিনগরে পরাজয় মেনে কী বড় ঘোষণা করলেন হুমায়ুন কবীর?