ফের খুলল প্রশান্ত বর্মনের ফাইল! খুনে অভিযুক্ত প্রাক্তন বিডিওর খোঁজে সিট-এসটিএফ-ফরেন্সিক
রাজ্যে পালাবদলের পর ফের সামনে এল অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মনের ফাইল। সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কুমিল্যা খুনের মামলায় অভিযুক্ত এই প্রাক্তন বিডিওর খোঁজে তৎপর হল তদন্তকারী সংস্থা। বুধবার রাতে নিউটাউনে তাঁর আবাসনে তল্লাশি চালায় বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। অভিযানে সিটের সঙ্গে ছিল স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এবং ফরেন্সিক দলও। আবাসন থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।[TECHTARANGA-POST:10758]পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য গঠিত সিটের সঙ্গে এবার আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা হয়েছে এসটিএফকে। তদন্তকারীদের অনুমান, অভিযুক্ত ভিনরাজ্যে পালিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন। সেই কারণেই কোনও সূত্র মিললে রাজ্যের বাইরে গিয়েও অভিযান চালাতে প্রস্তুত রয়েছে এসটিএফ। জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও থাকাকালীন প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কুমিল্যাকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার তদন্তে নামে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট এবং গঠন করা হয় সিট। দীর্ঘ টালবাহানার পর তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়। আদালত তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিলেও সেই নির্দেশ মানেননি তিনি। তারপর থেকেই পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত বিডিও।কালীঘাট তৃণমূলের মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমারএই ঘটনায় বারবার প্রশ্ন উঠেছে, খুনের মামলার অভিযুক্ত একজন সরকারি আধিকারিককে কেন এতদিন গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি? তদন্তে উঠে আসে, প্রশাসনের অন্দরে তাঁর যথেষ্ট প্রভাব ছিল বলেই অভিযোগ। তল্লাশি চললেও দীর্ঘদিন ধরেই অধরা ছিলেন তিনি। গত জুন মাসে নিউটাউনে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে এক পথচারীকে ধাক্কা মারার অভিযোগে প্রশান্ত বর্মনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। যদিও সেই মামলায় দ্রুত জামিন পেয়ে যান তিনি। [TECHTARANGA-POST:10759]এরপর থেকেই তাঁর খোঁজ মেলেনি। তখনও প্রশ্ন উঠেছিল, অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা গেলেও খুনের মামলায় কেন তাঁকে গ্রেপ্তার করা হল না? সব মিলিয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল প্রশাসনকে। অবশেষে ফের খুলল সেই বহুচর্চিত ফাইল। পলাতক বিডিওর খোঁজে জোরদার হল তল্লাশি, আর তদন্তে গতি আনতেই এবার ময়দানে নামানো হল এসটিএফকে।