ব্যারাকপুর: আরজি কর কাণ্ডে তথ্যপ্রমাণ লোপাট এবং শ্মশানে বেআইনি প্রক্রিয়ায় তড়িঘড়ি দাহকার্য সম্পন্ন করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগে গ্রেফতার হলেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ। সম্প্রতি চিকিৎসকের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে আয়োজিত স্মরণসভা থেকে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পরেই ঘটনার গতিপ্রকৃতি বদলাতে শুরু করে। নির্যাতিতার বাবার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও প্রমাণ নষ্টের ধারায় মামলা রুজু করে তৃণমূলের এই প্রভাবশালী নেতাকে গ্রেফতার করে। কেবল নির্মল ঘোষই নন, এই মামলায় সোমনাথ দে এবং সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় নামে আরও দুই ব্যক্তির ভূমিকা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:11653]ঘোলা থানার অন্তর্গত নাটাগড় কদমতলা শ্মশানে কায়দা করে দাহকার্যের সিরিয়াল নম্বর ৩ থেকে রাতারাতি ১-এ বদলে ফেলা এবং পরিজনদের বাধ্যতামূলক স্বাক্ষর ছাড়াই তাড়াহুড়ো করে সৎকার করার মারাত্মক অভিযোগ ওঠে। স্মরণসভায় স্বয়ং উপস্থিতি থেকে শ্মশানের নথিপত্র কারচুপির এই চরম অনিয়ম সামনে এনেই বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিআইটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেইমতো ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বাধীন টিম নতুন মামলা দায়ের করে তদন্তে নেমেই পানিহাটির এই প্রাক্তন বিধায়ককে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহের তড়িঘড়ি সৎকারের পেছনে মূল ষড়যন্ত্রকারী কারা এবং কী উদ্দেশ্যে রাতারাতি সমস্ত নিয়ম ভাঙা হয়েছিল, তা বের করতে ধৃতকে জেরা করা হচ্ছে।