পাহাড়ে আর শুধু রাজনৈতিক বার্তা নয়, উন্নয়নের আশ্বাস নিয়েই হাজির হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার কার্শিয়াংয়ের জনসভা থেকে স্পষ্ট ভাষায় তিনি জানিয়ে দিলেন, পাহাড়ে তিনি পর্যটক হয়ে আসবেন না, আসবেন কাজ করতে। পাহাড়বাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে তাঁর সরকার বদ্ধপরিকর বলেও দাবি করেন তিনি।[TECHTARANGA-POST:10018]জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্সকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উন্নয়নের একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সুবিধা দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। তাঁর কথায়, পাহাড় শুধু উত্তরবঙ্গের নয়, গোটা দেশের গর্ব এবং বাংলার সম্মানের প্রতীক।সরকারি নিয়োগ ও পরিকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়েও একাধিক ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে এবং সমস্ত নিয়োগ হবে পরীক্ষার মাধ্যমে। পাশাপাশি আগামী দিনে ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলে নিয়োগ, কালিম্পংয়ে মেডিক্যাল কলেজ এবং কার্শিয়াং হাসপাতালের উন্নয়নের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। এছাড়া পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্সের চা-বাগান এলাকার উন্নয়নেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন।[TECHTARANGA-POST:10002]পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, “তোলাবাজি, সিন্ডিকেটরাজ, কাটমানির দিন শেষ। আগের সরকারের আক্রোশ ছিল। যখন পাহাড় নিয়ে কেউ বলতেন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বার বার বলতেন পাহাড়ে তিনি ভোট পান না। তিনি কিছু করতেনও না। তিনি পাহাড়ে ঘুরতে আসতেন। বার বার পাহাড়ে পর্যটক হয়ে এসেছেন। তবে আপনাদের ভাই শুভেন্দু পাহাড়ে বেড়াতে আসবে না। কাজ করতে আসবে। যা বলব চিন্তাভাবনা করে বলব। আর যা বলব সেই কাজই আমি করব, আমার সরকার করবে।” ইডি হানার ভুয়ো দাবি ঘিরে ফেসবুক পেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাক্তন অধিনায়কেরএ দিন জনসভা শেষে কার্শিয়াংয়ের জনকল্যাণ শিবিরেও যান মুখ্যমন্ত্রী। বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প ও নাগরিক পরিষেবার সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে রাজ্য জুড়ে আয়োজিত এই শিবিরের দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি।