USINDOPACOM ফের USPACOM; নতুন মানচিত্রে পাক-অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে প্রশ্ন
ফ্রান্সে G7 সম্মেলন চলাকালীনই এমন এক পদক্ষেপ নিল আমেরিকা, যা ভারত-আমেরিকা কৌশলগত সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কার্যরত মার্কিন সমন্বিত সামরিক কমান্ডের নাম থেকে ‘Indo’ শব্দটি বাদ দিয়ে ফের পুরনো নাম United States Pacific Command (USPACOM) ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।২১ জুন মোদীর আগমনের আগে ‘স্বচ্ছ বাংলা’ গড়ার ডাক শুভেন্দুর ২০১৮ সালে এই বাহিনীর নাম পরিবর্তন করে United States Indo-Pacific Command (USINDOPACOM) করা হয়েছিল। সেই সময় ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্ব এবং ভারত-আমেরিকা প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কথা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে USPACOM-এর প্রকাশিত নতুন ‘এরিয়া অফ রেসপন্সিবিলিটি’ মানচিত্র ঘিরে। সেখানে পাক-অধিকৃত কাশ্মীরকে (POK) পাকিস্তানের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ। বিষয়টি ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নের সঙ্গে জড়িত হওয়ায় কূটনৈতিক স্তরে এর তাৎপর্য যথেষ্ট বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।[TECHTARANGA-POST:9994]হাওয়াই-ভিত্তিক এই সামরিক কমান্ড মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর অন্যতম বৃহত্তম এবং প্রাচীনতম সমন্বিত বাহিনী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে কোরিয়া, ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে শুরু করে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক সামরিক ও মানবিক অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে তারা। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা সহযোগিতা, যৌথ মহড়া এবং সামুদ্রিক কৌশলগত সমন্বয়ের ক্ষেত্রেও USINDOPACOM ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।[TECHTARANGA-POST:10037]মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের দাবি, ঐতিহাসিক ঐতিহ্য এবং সাংগঠনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই পুরনো নাম ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে সমালোচকদের একাংশ এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন। তাঁদের মতে, এই সিদ্ধান্ত কেবল নাম পরিবর্তন নয়, বরং বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক বার্তাও বহন করতে পারে।