গভীর সমুদ্রেও আর কাটবে না যোগাযোগ! মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তায় ইসরোর স্যাটেলাইট প্রযুক্তি আনছে রাজ্য
দিঘা: মাঝদরিয়ায় ট্রলারডুবি ও নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের মৃত্যুর ট্র্যাজিক অভিজ্ঞতার পর এবার সুরক্ষায় বিরাট পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। গভীর সমুদ্রে মৎস্যজীবীদের অবস্থান ট্রেস করা এবং দুর্ঘটনা এড়াতে সমুদ্রের ট্রলারগুলিতে বসানো শুরু হচ্ছে অত্যাধুনিক ‘টু-ওয়ে এমএসএস ট্রান্সপন্ডার’ মেশিন। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ও উপগ্রহ প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই ওয়্যারলেস ডিভাইসের সাহায্যে দুর্যোগের মধ্যেও ট্রলারগুলির ওপর সরাসরি নজরদারি চালাতে পারবে রাজ্য মৎস্য দপ্তর।মমতার বাড়ির সামনে বাইক মিছিল, উঠল ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান[TECHTARANGA-POST:11140]সম্প্রতি শঙ্করপুর থেকে ট্রলারসহ নিখোঁজ হওয়া মৎস্যজীবীদের মর্মান্তিক পরিণতির পর এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই ঘটনায় জিপিএস সিস্টেম থাকা সত্ত্বেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল এবং পরবর্তীতে কাকদ্বীপের বাঘেরচরের কাছে ট্রলারটি উল্টে গিয়ে ১১ জন মৎস্যজীবীর মরদেহ উদ্ধার হয়। এই ধরনের বিপর্যয় রুখতেই মৎস্য দপ্তরের তরফ থেকে এখন জোরকদমে দিঘা ও শঙ্করপুর উপকূলে দেড় হাজারের বেশি নথিভুক্ত ট্রলারে ট্রান্সপন্ডার বসানোর কাজ চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যেই দুশোটিরও বেশি ট্রলারে বসানো হয়ে গিয়েছে এই ডিভাইস।[TECHTARANGA-POST:11081]কাঁথি মৎস্য দপ্তরের সহ-মৎস্য অধিকর্তা (সামুদ্রিক) সুমন সাহা জানিয়েছেন, স্যাটেলাইট ভিত্তিক এই ডিভাইসটি মৎস্যজীবীদের মোবাইলের বিশেষ অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে সমুদ্রের প্রায় ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট নজরদারি চালানো সম্ভব হবে। শুধু নিরাপত্তাই নয়, সমুদ্রের ঠিক কোথায় কত মাছ বা সামুদ্রিক কচ্ছপের অবস্থান রয়েছে, সেই জরুরি তথ্যও পেয়ে যাবেন মৎস্যজীবীরা। রাজ্য সরকারের এই মেগা উদ্যোগে ট্রলারডুবি ও নিখোঁজ হওয়ার মতো মারাত্মক ঘটনা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।