১২ রাউন্ড পর্যন্ত এগিয়ে মমতা - গণনায় বদলের অভিযোগ, সিসিটিভি-EVM সংরক্ষণের নির্দেশ
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফল ঘিরে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হয়।মামলাটি মূলত নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। [TECHTARANGA-POST:10195]শুনানিতে মমতার আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, গণনার শুরুতে প্রথম ১২ রাউন্ড পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে ছিলেন। এরপর হঠাৎ করেই পরিস্থিতি বদলে যায় এবং ফলাফলে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা দেয়। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, ১৩তম রাউন্ড থেকে গণনার গতিপ্রকৃতিতে অস্বাভাবিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। সেই সময় তৃণমূল কংগ্রেসের গণনা এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে মারধর করে বের করে দেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি, অভিযোগ করেন যে বিরোধী পক্ষের এজেন্টদের কাজে সহায়তা করা হয়েছিল।‘দিদি’-র হাত ছাড়ছেন বালু? ঋতব্রতর সঙ্গে গোপন বৈঠক ঘিরে কাঁপছে বাংলা! শুনানিতে আরও উঠে আসে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ সংক্রান্ত বিতর্ক। অভিযোগ করা হয়, ভবানীপুর কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে এমন একজনকে রাখা হয়েছিল, যিনি নন্দীগ্রাম নির্বাচনের সময় দায়িত্বে ছিলেন। আপত্তি থাকা সত্ত্বেও তাঁকেই দায়িত্বে রাখা হয় বলে দাবি করা হয়। এছাড়াও আদালতে বলা হয়, পরবর্তীতে ওই রিটার্নিং অফিসারকে রাজ্য প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্যের তৎকালীন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে মুখ্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন আইনজীবী।[TECHTARANGA-POST:10181]অন্যদিকে, সূর্যনীল এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও এক গণনা এজেন্টকে মারধরের অভিযোগও তোলা হয় আদালতে। সাধারণ পর্যবেক্ষককে বিষয়টি জানানো হলেও কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করা হয়। শুনানি শেষে বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত ভবানীপুর কেন্দ্রের গণনা সংক্রান্ত সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেন। আদালত জানায়, কোনো অবস্থাতেই এই ফুটেজ মুছে ফেলা যাবে না। একইসঙ্গে ভবানীপুরের ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।