২৫ জুলাই ক্যাগ রিপোর্ট ফাঁস! বিধানসভায় কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
কলকাতা: তৃণমূল জমানার একের পর এক দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলতে এবার চূড়ান্ত অ্যাকশন মোডে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। বিধানসভার অলিন্দে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ঘোষণা করলেন, আগামী ২৫ জুলাই পেশ করা হবে বহুল চর্চিত ক্যাগ (CAG) রিপোর্ট। এর পাশাপাশি আমফান বিপর্যয়ের সময় ঘটা ত্রাণ দুর্নীতির বিশেষ ক্যাগ রিপোর্টও আনুষ্ঠানিকভাবে বিধানসভায় আনা হচ্ছে। ‘যত বড়ই নেতা বা মুখ্যমন্ত্রী হোন না কেন, দুর্নীতিতে নাম এলেই রাজ্যপালের কাছে এফআইআরের সুপারিশ করা হবে’— শুভেন্দুর এই হুঁশিয়ারিতে বিধানসভা থেকে শুরু করে রাজ্য রাজনীতিতে চরম তোলপাড় শুরু হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:11084]বিধানসভায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দু স্মৃতি উসকে মনে করিয়ে দেন, আমফানের সময় কেন্দ্র থেকে পাঠানো ৩,৭৫০ কোটি টাকার ত্রাণ তহবিলে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বিশেষ ক্যাগ তদন্ত হলেও তৎকালীন সরকার সেই রিপোর্ট চেপে রেখেছিল এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি। এবার সেই রিপোর্ট সহ সামগ্রিক ক্যাগ রিপোর্ট পেশ করে বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশন ডাকা হবে। প্রাক্তন জমানাকে তীব্র আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যারা এতদিন দুর্নীতির ওপর দাঁড়িয়ে ভাষণ দিতেন, এবার তাঁদের আসল মুখোশ খুলে ফেলার সময় এসে গিয়েছে।মহিলার চিৎকারে থামল অটো, পালাতে গিয়ে ধরা অভিযুক্তপাশাপাশি, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে অচল করে রাখা মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, শিশু সুরক্ষা কমিশন এবং তথ্য কমিশন সহ সমস্ত সাংবিধানিক সংস্থাকে আগামী ১ আগস্ট থেকে পুনরায় পুরোপুরি সক্রিয় করার বড় ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার বার্তা দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েই চলবে।[TECHTARANGA-POST:11095]অন্যদিকে, ক্যাগ রিপোর্ট পেশের ঘটনায় পাল্টা খোঁচা দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁর প্রশ্ন, ক্যাগ রিপোর্টে যদি বর্তমান ক্ষমতাসীন শিবিরের কারও নাম ওঠে, তবে তাঁর বিরুদ্ধেও একইরকম পদক্ষেপ করা হবে তো? সব মিলিয়ে ক্যাগ রিপোর্ট প্রকাশের আগেই নতুন করে রাজনৈতিক যুদ্ধক্ষেত্র হয়ে উঠেছে রাজ্য বিধানসভা।