তিলজলায় ‘বুলডোজ়ার’ অ্যাকশন! কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে ভাঙা হচ্ছে অবৈধ কারখানা
কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল তিলজলা। বুধবার বিকেলে এলাকায় পৌঁছল বুলডোজার। মঙ্গলবার যে বহুতলটিতে আগুন লেগে মৃত্যুমিছিল দেখেছিল শহর, সেই বেআইনি নির্মাণ গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ শুরু করল প্রশাসন। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং স্থানীয়দের বাধা রুখতে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।[TECHTARANGA-POST:9087]এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে তিলজলার ওই চামড়া কারখানাকে ‘সম্পূর্ণ অবৈধ’ বলে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানান, কোনও বিল্ডিং প্ল্যান ছাড়াই বিপজ্জনকভাবে এই কারখানা চালানো হচ্ছিল। এরপরই তিনি পুর ও নগরোন্নয়ন সচিবকে নির্দেশ দেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই বেআইনি কাঠামো ভেঙে ফেলতে হবে। সেই নির্দেশ পাওয়ামাত্রই কলকাতা পুরনিগম ও কলকাতা পুলিশের বিশাল টিম বুলডোজ়ার নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়।[TECHTARANGA-POST:9053]অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ইতিমধ্যেই কারখানার মালিক শেখ নাসির এবং শামিম মহম্মদকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন সাফ বার্তা দিয়েছেন, শুধু তিলজলা নয়, কসবা, মোমিনপুর ও একবালপুর এলাকায় যত অবৈধ কারখানা রয়েছে, সেগুলির অভ্যন্তরীণ অডিট শুরু হবে। যেসব কারখানার বৈধ বিল্ডিং প্ল্যান নেই, সেগুলির বিদ্যুৎ ও জলের সংযোগ অবিলম্বে বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।[TECHTARANGA-POST:9073]বুলডোজার চলতেই তিলজলায় চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী যৌথভাবে তল্লাশি ও নজরদারি চালাচ্ছে। প্রশাসনের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি স্পষ্ট করে দিয়েছে, বেআইনি নির্মাণ ও বিপজ্জনক কারখানার ক্ষেত্রে আর কোনও আপস করবে না নতুন সরকার। বর্তমানে বুলডোজার দিয়ে বহুতলটি ভাঙার কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে।