কলকাতা: শনিবার ব্রিগেডের ‘পরিবর্তন সঙ্কল্প’ সভায় আক্রমণাত্মক মেজাজে ধরা দিলেন ‘মহাগুরু’ মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁর তূণ থেকে বেরোল একের পর এক শানিত বাক্যবাণ আর সিনেমার সেই চেনা সংলাপ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করে মিঠুন এদিন বলেন, “হাত ভেঙেছে, পা ভেঙেছে, এবার অন্য কিছু ভাঙবে। তখন হয়তো আইসিইউ থেকে বক্তৃতা দিতে হবে!”[TECHTARANGA-POST:7298]অতীতে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, বাংলায় তিনি আছেন বলেই হিন্দুরা নিরাপদ। এই প্রসঙ্গে মিঠুন এদিন সুর চড়িয়ে বলেন, “যদি পুলিশকে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য নিরপেক্ষ করে দেওয়া হয়, তবে খেলা ওখানেই শেষ হয়ে যাবে।” পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বিজেপি ৫০০ টাকা দিয়ে লোক এনেছে’ - এই দাবির পাল্টা দিয়ে মিঠুন বলেন, “১৫০০ টাকা দিয়েও নাকি তৃণমূলের সভায় লোক হচ্ছে না।”[TECHTARANGA-POST:7291]রাজনীতির ময়দানে দাঁড়িয়েও এদিন মিঠুন তাঁর চিরচেনা রুপোলি পর্দার ‘তুফান’ তুলতে ভোলেননি। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকদের চিৎকারের মাঝে তিনি শুনিয়ে দেন তাঁর জনপ্রিয় ডায়লগ, “আমি জলঢোরা নই, বেলেবোরা নই... বাকিটা আপনারা বসিয়ে নিন!” নিজের আসন্ন কামব্যাকের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, “আমার নাম তুফান, বছরে দু’একবার আসি। আমি যখন যাই, যারা নিজেদের ভগবান ভাবে তারা তখন নিজেদের অস্তিত্ব খুঁজে বেড়ায়।”[TECHTARANGA-POST:7291]কেবল তৃণমূলকে আক্রমণ নয়, এদিন বিজেপি ক্ষমতায় এলে আদিবাসী সমাজের উন্নয়ন, কৃষক স্বার্থ রক্ষা এবং ভেঙে পড়া শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কারের প্রতিশ্রুতিও দেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা তথা নেতা। মিঠুনের মতে, রাজ্যের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরম সঙ্কটে এবং এর থেকে মুক্তি দিতে পারে একমাত্র বিজেপি।[TECHTARANGA-POST:7288]ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার ঠিক আগে মিঠুন চক্রবর্তীর এই আক্রমণাত্মক মেজাজ এবং উত্তপ্ত ভাষণ যে বাংলার রাজনীতির পারদ আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল, তা বলাই বাহুল্য।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার