ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে ব্যবসা চালানোর বিরুদ্ধে ফের কড়া অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানিয়ে দেন, জনসাধারণের চলাচলের জন্য নির্ধারিত ফুটপাত কোনওভাবেই দখল করে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে হকারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই পুনর্বাসন এবং বিশেষ সরকারি সহায়তার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।[TECHTARANGA-POST:9901]মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ফুটপাত মানুষের হাঁটার অধিকার নিশ্চিত করার জন্য। তাই জনস্বার্থের সঙ্গে আপস করে কোনও জবরদখল বরদাস্ত করা হবে না। সরকারের খালি বা উদ্বৃত্ত জমি থাকলে সেখানে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের মাঝেই শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দেন, সরকারের অগ্রাধিকার সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা। তাঁর দাবি, রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত হলে শহরের যান চলাচল, নিরাপত্তা এবং নাগরিক পরিষেবার মান আরও উন্নত হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আস্তে আস্তে সরকার হকারদের জন্য স্কিম নিয়ে আসবে। হকারদের জন্য ভারত সরকারের স্কিম আছে। কিন্তু নিউ মার্কেটে পুরো রাস্তা দখল করে থাকবেন, মোটরসাইকেলও যেতে পারবে না। রাজাবাজারটা বেহাত হয়ে যাবে। মেটিয়াবুরুজে যা খুশি করবেন, তা হতে পারে না। এর জন্য জনগণ আমাকে মুখ্যমন্ত্রী করেননি।’ এছাড়াও তিনি বলেন, ‘এই সরকার মানবিক। মানবিক ভাবেই বিষয়টি দেখা হবে। সরকারের অব্যবহৃত বা খালি জমিতে পুনর্বাসনের যাতে ব্যবস্থা করা যায়, সেই বিষয় ভাবনা চিন্তা করা হবে। তবে প্রাথমিক ভাবে জায়গা খালি করে দেওয়া হবে।’[TECHTARANGA-POST:9898]সরকারি সূত্রে ইঙ্গিত, অব্যবহৃত সরকারি জমিতে পুনর্বাসনের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফলে একদিকে যেমন অবৈধ দখলদারি রুখতে প্রশাসন সক্রিয় থাকবে, অন্যদিকে জীবিকা হারানোর আশঙ্কায় থাকা হকারদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার রাস্তাও খোলা রাখতে চাইছে সরকার। এখন দেখার, উচ্ছেদ ও পুনর্বাসনের এই দ্বিমুখী নীতি বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার