কলকাতা: ছাব্বিশের মহারণে ভোটগ্রহণ শেষ হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১৪৮। নবান্নের চাবিকাঠি শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে বুধবার বিকেল থেকেই বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত সমীক্ষা বা এগজিট পোল সামনে আসতে শুরু করেছে। আর, সেই সমীক্ষায় ফুটে উঠছে এক চরম হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ছবি।[TECHTARANGA-POST:8562]ম্যাট্রিজ়ের বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া প্রবল। তারা দাবি করছে, বিজেপি পেতে পারে ১৪৬ থেকে ১৬১টি আসন। অন্যদিকে, শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে আসতে পারে ১২৫ থেকে ১৪০টি আসন। বাম-কংগ্রেস ও অন্যদের জন্য ৬ থেকে ১০টি আসনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে এই সমীক্ষায়। চাণক্য স্ট্র্যাটেজির সমীক্ষাও বিজেপির দিকেই পাল্লা ভারী রেখেছে। তাদের মতে, বিজেপি ১৫০ থেকে ১৬০টি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসতে পারে এবং তৃণমূলের আসন সংখ্যা ১৩০ থেকে ১৪০-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।[TECHTARANGA-POST:8561]তবে, সব সমীক্ষাই যে গেরুয়া শিবিরের জয়গান গাইছে, তেমনটা নয়। পিপল্স পাল্স-এর সমীক্ষায় জয়ের পাল্লা তৃণমূলের দিকেই ঝুঁকে রয়েছে। এই সমীক্ষা অনুযায়ী, তৃণমূল পেতে পারে ১১৭ থেকে ১৮৭টি আসন। বিজেপিকে তারা দিয়েছে ৯৫ থেকে ১১০টি আসন। কংগ্রেস ১ থেকে ৩টি এবং বামেরা শূন্য থেকে ১টি আসন পেতে পারে বলে এই সংস্থা দাবি করেছে। অর্থাৎ, বিভিন্ন সমীক্ষায় ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল উঠে আসায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে।[TECHTARANGA-POST:8547]মনে রাখতে হবে, বুথফেরত সমীক্ষা অনেক সময়ই চূড়ান্ত ফলাফলের সঙ্গে মেলে না। ২০২১ সালের নির্বাচনেও অনেক সমীক্ষা বিজেপিকে এগিয়ে রাখলেও শেষ পর্যন্ত বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। তবে, এবারের নির্বাচনে রেকর্ড ভোটদান এবং উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের মেরুকরণ কোন পথে যায়, তার উপরই নির্ভর করছে চূড়ান্ত ফলাফল। আগামী ৪ মে ইভিএম খোলার পরই স্পষ্ট হবে, বাংলার জনতা কার উপর আস্থা রাখল।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার