হরমুজ প্রণালীতে ইরানের ‘অবরোধ’ তোলা নিয়ে এবার রীতিমতো হুঙ্কার দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই জলপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চিন, ফ্রান্স বা ব্রিটেনের মতো শক্তিধর দেশগুলোর কাছ থেকে আশানুরূপ সাড়া না পেয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। সোমবার এক বিবৃতিতে ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সামরিক অভিযানের প্রয়োজনে আমেরিকার অন্য কারোর সাহায্যের প্রয়োজন নেই, কারণ মার্কিন বাহিনীই বিশ্বের এক নম্বর।[TECHTARANGA-POST:7369]পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি এখন কার্যত অবরুদ্ধ। ট্রাম্প চেয়েছিলেন, যে দেশগুলোর বাণিজ্যিক স্বার্থ এই জলপথের ওপর নির্ভরশীল, তারা নিজ নিজ যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়ে আমেরিকার পাশে দাঁড়াক। কিন্তু মিত্রদেশ ফ্রান্স বা ব্রিটেন তো বটেই, এমনকি ভারতও জানিয়ে দিয়েছে যে এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে তাদের কোনো দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চলছে না। এই প্রেক্ষাপটেই ট্রাম্পের মন্তব্য, "আমাদের কাউকে প্রয়োজন নেই। আমরাই বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ।"[TECHTARANGA-POST:7366]ট্রাম্পের এই মন্তব্যে যেমন আত্মবিশ্বাস ঝরে পড়েছে, তেমনি বন্ধু দেশগুলোর প্রতি প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারিও ছিল স্পষ্ট। বিশেষ করে সামরিক জোট ‘নেটো’-র সদস্য দেশগুলোকে তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, সংকটের সময়ে তারা এগিয়ে না এলে জোটের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হতে পারে। যদিও তিনি দাবি করেছেন যে বন্ধু দেশগুলো শেষ পর্যন্ত সাহায্য করবেই, তবে পরক্ষণেই ব্যাঙ্গাত্মক সুরে বলেন যে তিনি আসলে পরীক্ষা করে দেখছিলেন প্রয়োজনের সময় কারা পাশে থাকে।[TECHTARANGA-POST:7360]বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই ‘একলা চলো’ নীতি পশ্চিম এশিয়ার সামরিক উত্তেজনাকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। হরমুজ প্রণালী নিয়ে আমেরিকার এই অনমনীয় মনোভাব এখন বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার