কলকাতা: সবুজ-মেরুন তাঁবুতে আজ শুধুই কান্নার রোল! মোহনবাগান অন্দরমহলের অভিভাবক তথা ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি টুটু বোসকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার ক্লাব তাঁবুতে হাজির হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। প্রিয় নেতার নশ্বর দেহ শেষবারের মতো ক্লাবে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন উপস্থিত সমর্থক ও ক্লাবকর্তারা।[TECHTARANGA-POST:9073]এদিন মোহনবাগান লনে শায়িত টুটু বোসের দেহে মাল্যদান করেন মুখ্যমন্ত্রী। কিছুক্ষণ নীরব থেকে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বাঙালি আর মোহনবাগান একে অপরের পরিপূরক। টুটুবাবু মানেই মোহনবাগান, আর মোহনবাগান মানেই টুটু বোস। রাজ্য সরকার এবং ব্যক্তিগতভাবে আমি তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি।” তিনি আরও যোগ করেন, টুটুবাবু যেভাবে এই ক্লাবকে আগলে রেখেছিলেন, সমর্থকরা যেন সেই ধারা বজায় রাখেন।[TECHTARANGA-POST:9072]বুধবার সকালে যখন টুটু বোসের দেহ ক্লাব প্রাঙ্গণে আনা হয়, তখন এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা গ্রাস করেছিল শতাব্দীপ্রাচীন এই ক্লাবকে! যে মাঠ আর ক্যান্টিন একসময় তাঁর হাসিতে মুখরিত থাকত, সেখানেই আজ নেমে এসেছে শোকের ছায়া। উপস্থিত সমর্থকদের ভিড় আর চোখের জলই বলে দিচ্ছিল, টুটু বোস শুধু একজন প্রশাসক ছিলেন না, তিনি ছিলেন মোহনবাগানী আবেগের অন্য নাম।[TECHTARANGA-POST:9071]টুটু বোসের প্রয়াণকে ময়দানের এক বর্ণময় অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি হিসাবে দেখছেন ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা। মোহনবাগানের কঠিন সময়ে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই মানুষটির ছোঁয়া রয়ে গিয়েছে ক্লাবের প্রতিটা ইটে। ময়দানের ক্যান্টিন থেকে গ্যালারি — সবখানেই এখন টুটুবাবুর স্মৃতিচারণ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাষায়, তাঁর চলে যাওয়া বাংলার ক্রীড়াজগতে এক অপূরণীয় ক্ষতি।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার