আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং থেকে ‘বেঙ্গল শক্তিপীঠ সার্কিট’, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পর্যটনে জোর রাজ্যের
দুর্গাপুজোকে ঘিরে রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আগ্রহ ছিল বিভিন্ন মহলে। সোমবার বিধানসভায় বাজেট পেশ করতে গিয়ে সেই জল্পনারই ইঙ্গিত দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। যদিও ক্লাব অনুদান নিয়ে কোনও ঘোষণা করা হয়নি, তবে দুর্গাপুজোকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও বড় করে তুলে ধরার জন্য একাধিক পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে।অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বিশেষ আন্তর্জাতিক পর্যটন ব্র্যান্ডিং অভিযান শুরু করবে রাজ্য সরকার। ‘দুর্গাপূজা - এক বিশ্বজনীন উৎসব, বাংলার চিরন্তন আবেগ’ এই ভাবনাকে সামনে রেখে দেশ-বিদেশে প্রচার চালানো হবে। পুজোর থিম, শিল্পকলা, ঐতিহ্য, সংগীত ও সম্প্রীতির বার্তাকে পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য বিশেষ ট্যুর প্যাকেজ, ডিজিটাল গাইড এবং উন্নত দর্শনার্থী পরিষেবার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।ক্রীড়াবাজেটে শুভেন্দু সরকারের মোক্ষম চাল![TECHTARANGA-POST:10168]বাজেটে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কালিঘাট, তারাপীঠ, জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, জল্পেশ মন্দির, তারকেশ্বর, কঙ্কালীতলা, কিরিটেশ্বরী-সহ একাধিক ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রের উন্নয়ন ও সংরক্ষণের জন্য পুনর্গঠন করা হবে হেরিটেজ কমিশন। এছাড়াও তৈরি হবে ‘বেঙ্গল শক্তিপীঠ সার্কিট’। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন শক্তিপীঠকে একটি পর্যটন নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে, যাতে ধর্মীয় পর্যটন আরও সহজ ও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।[TECHTARANGA-POST:10170]গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত করার লক্ষ্যও নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি জগদ্ধাত্রী পুজো, তারকেশ্বর মেলা, বারুণী মেলা, রাস মেলা ও জল্পেশ মেলার মতো উৎসবগুলিকেও জাতীয় স্তরে তুলে ধরার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। সরকারের মতে, এই উদ্যোগগুলি বাস্তবায়িত হলে পশ্চিমবঙ্গের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পর্যটন নতুন গতি পাবে। একইসঙ্গে স্থানীয় অর্থনীতি, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ