Supreme Court: সুদীপ-কাকলিদের সাংসদ পদ খারিজের কাউন্টডাউন শুরু! স্পিকারকে ৪ সপ্তাহের চরম সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট
নয়াদিল্লি: তৃণমূলে ভাঙন ধরিয়ে এনসিপিআই-তে (NCPI) যোগ দেওয়া সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ ২০ জন সাংসদের পদ খারিজ মামলায় অত্যন্ত কড়া অবস্থান নিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। দলত্যাগ বিরোধী আইনে তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দেওয়া এই ২০ সাংসদের সদস্যপদ খারিজ নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে সাফ বার্তা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ বুধবার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যেই লোকসভার স্পিকারকে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।ঘটনার সূত্রপাত গত ১৪ জুন, যখন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভার স্পিকারের কাছে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সুদীপ-কাকলি সহ ২০ জন সাংসদের পদ খারিজের আর্জি জানিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে স্পিকার সেই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় এবং ওই সাংসদদের নতুন দলের স্বীকৃতিও না দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল কংগ্রেস। সর্বোচ্চ আদালত ২৫ আগস্ট স্পিকার ও লোকসভার সচিবালয়ের কাছে জবাব তলব করে নোটিস পাঠায়। এর পরই লোকসভা সচিবালয় থেকে ওই ২০ সাংসদকে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জানানোর জন্য সময়সীমা বেঁধে নোটিস দেওয়া হয়েছিল।বুধবারের শুনানিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, স্পিকারের দেওয়া ২২ সেপ্টেম্বরের ডেডলাইন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্ত সাংসদরা নিজেদের মতামত জানাতে আরও এক মাস অতিরিক্ত সময় চেয়েছেন। তবে আদালত এই দীর্ঘসূত্রিতায় অখুশি প্রকাশ করে পুরো প্রক্রিয়াটি চার সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির আদেশ দিয়েছে।সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থানের ফলে কার্যত কোণঠাসা এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ওই বিদ্রোহী সাংসদেরা। তৃণমূলের তরফে আইনি লড়াই জোরদার করায় এবং শীর্ষ আদালত সরাসরি চার সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ায় এখন জল কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই নজর দেশের রাজনৈতিক মহলের। চার সপ্তাহের মধ্যে তাঁদের বক্তব্য জমা দেওয়া এবং স্পিকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।[TECHTARANGA-POST:12909]