Sayak Shamik: নাম না করেই কি সায়ককে খোঁচা? ঋত্বিকের পোস্ট ঘিরে তুঙ্গে চর্চা, পাল্টা সাফাই অভিনেতার
ভোটের আগে রাজনৈতিক প্রচারে সমাজমাধ্যমের প্রভাব এখন আর নতুন নয়। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া বিজেপির নির্বাচনী ব্যয়ের তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। আর তারপর থেকেই উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। সেই তালিকায় রয়েছে বাংলার কয়েকজন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নাম। তার মধ্যে অন্যতম হল সায়ক চক্রবর্তী এবং শমীক অধিকারী। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সায়কের জন্য আড়াই লাখ টাকা এবং শমীকের জন্য ১৩ লাখ টাকা খরচের উল্লেখ রয়েছে। [TECHTARANGA-POST:13028]শমীক অধিকারীর ‘বাটন’ ভিডিয়ো নিয়ে যেমন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তেমনই সায়ক চক্রবর্তীর পার্ক স্ট্রিটের ‘অলি পাব’ ঘটনাও সেই সময় ব্যাপক চর্চায় আসে। তালিকায় রয়েছে সায়ক-ঘনিষ্ঠ সুকান্ত কুণ্ডুর নামও। গোমাংস কাণ্ডের সময়ে পার্কস্ট্রিটের ওই রেস্তরাঁয় সায়কের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এর মধ্যেই সেই ‘গোমাংস বিতর্কে’ কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী। সায়কের নাম না নিয়ে ঋত্বিক লিখেছেন, “নিজেই স্ক্রিপ্ট লিখে, সংলাপ বলে, ক্যামেরা করে, নির্দোষ লোককে জেল খাটিয়ে, দাঙ্গার উসকানি দিয়ে, ডায়লগ না-বলা জুনিয়র আর্টিস্টকে সাড়ে সাত লাখ টাকা পেমেন্টের ব্যবস্থা করিয়ে দিয়ে নিজের জন্য মাত্র আড়াই লাখ? এ কেমন গোমতা খেয়ে জাত খোয়ানো মেরুদণ্ড বেচা টুনটুনি রে!”ঋত্বিকের এই সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, ফলে বিতর্ক আরও বেড়েছে। চুপ থাকেননি সায়ক চক্রবর্তীও। সায়কের বক্তব্য, “আমি যা রোজগার করি সৎপথে।” একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, অলি পাবের ঘটনা নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিক ছিল এবং পরে বিষয়টি অন্য দিকে চলে যাচ্ছে দেখে তিনি নিজের কিছু পোস্ট মুছে দিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, ঘটনাটি নিজস্ব জায়গায় একটি ঘটনা, এর সঙ্গে পরবর্তী রাজনৈতিক কাজকে এক করে দেখা ঠিক নয়।[TECHTARANGA-POST:12987]অন্যদিকে, শমীক অধিকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ননসেন’ নামে পরিচিত। ‘বাটন’ নামে তাঁর তৈরি ভিডিয়ো ভোটের আগে ব্যাপক চর্চায় এসেছিল। বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তৎকালীন সরকারের সমালোচনা করে তৈরি ওই ভিডিয়ো ঘিরে তখনও রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক হয়েছিল। এবার নির্বাচনী ব্যয়ের নথিতে শমীকের নামে ১৩ লাখ টাকার উল্লেখ সামনে আসায় ফের আলোচনায় এসেছে শমীক।