Election Commission: হেভিওয়েটদের কাছে হঠাৎ এসআইআর নোটিস! ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ছে আডবানী-জয়শঙ্কর-কেজরিওয়ালাদের?
নয়াদিল্লি: দেশের হেভিওয়েট রাজনীতিক থেকে শুরু করে আমলাদের কাছে হঠাৎই গিয়ে পৌঁছল এসআইআর নোটিস! বাদ যাননি বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবানী, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর কিংবা নির্বাচন কমিশনার এস এস সান্ধু নিজে। এমনকি প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়, কংগ্রেস সমর্থিত বিশিষ্ট আইনজীবী তথা সাংসদ কপিল সিব্বল, আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার মতো হাইপ্রোফাইল ব্যক্তিত্বদের নামও রয়েছে এই তালিকায়। রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে যেতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসরে নামল নির্বাচন কমিশন।রবিবার সন্ধ্যায় কমিশনের তরফে এক বিশেষ বিবৃতির মাধ্যমে পুরো বিষয়াটি খোলসা করা হয়েছে। বিতর্ক থামিয়ে কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কাউকেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যে নোটিস পাঠানো হয়নি। মূলত নির্বাচনী নথিপত্র এবং পূর্ববর্তী ডেটাবেসের তথ্যে গরমিল থাকার কারণেই নিয়মমাফিক এই নোটিস ইস্যু করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, বহুক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে যে নামের বানান বা নথিপত্রের সঙ্গে সঠিক ম্যাপিং না থাকার ফলে এই কারিগরি ভুলগুলি সামনে এসেছে।নির্বাচন কমিশন আরও উল্লেখ করেছে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ক্ষেত্রে যে নথিজট তৈরি হয়েছিল, তার সমাধান ইতিমধ্যে করে ফেলা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা পড়ে গেলেই সোমবারের মধ্যে তাঁদের তথ্য সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিত হয়ে যাবে। একইভাবে নির্বাচন কমিশনার এস এস সান্ধুর নামের বানানে অসঙ্গতি ছিল এবং কপিল সিব্বল ও বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরির ক্ষেত্রে পুরনো এসআইআর নথির সঙ্গে তথ্যের মিল পাওয়া যায়নি।অন্যদিকে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নাম বাদ পড়া নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে কমিশনের দাবি, এর দায় তাঁর নিজেরই। কারণ পূর্ববর্তী এসআইআর প্রক্রিয়ায় তাঁর পরিবারের কেউ তথ্য ম্যাপিং করেননি। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মদন লোকুর এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর মতো ব্যক্তিদেরও এই আওতায় আনা হয়েছে। কমিশন ফের আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, নোটিস জারি মানেই কারও নাম বাতিল হওয়া নয়, বরং নথিপত্রের ভুলত্রুটি সংশোধন করে তালিকা নির্ভুল করাই তাদের মূল লক্ষ্য।