চেক বাউন্সের পুরনো জটেই ফের রাজপাল যাদব! কী নির্দেশ আদালতের?
চেক বাউন্স মামলায় ফের বিপাকে রাজপাল যাদব। দিল্লি হাই কোর্টের তিন মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিনেতা। কিন্তু সেখানেও পুরোপুরি স্বস্তি পেলেন না তিনি। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে ৫ কোটি টাকা জমা দেওয়ার শর্ত দিয়েছে শীর্ষ আদালত। নির্ধারিত অর্থ জমা না দিলে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে অভিনেতাকে। [TECHTARANGA-POST:12461]বকেয়া টাকা পরিশোধে ব্যর্থতার অভিযোগে গত জুলাইয়ে রাজপালকে তিন মাসের জেলের সাজা দিয়েছিল দিল্লি হাই কোর্ট। পাশাপাশি ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন বলিউডের ‘ছোটে পণ্ডিত’। এই আইনি সমস্যার সূত্রপাত ২০১০ সালে। ‘আতা পাতা লাপাতা’ ছবির জন্য দিল্লির একটি সংস্থা মুরলি প্রজেক্টের কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা ধার নিয়েছিলেন রাজপাল। ছবিটি বক্স অফিসে সাফল্য না পাওয়ায় সেই টাকা ফেরত দিতে পারেননি অভিনেতা। এরপরই বিষয়টি গড়ায় চেক বাউন্সের মামলায়।২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে এই মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রাজপালকে ছ’মাসের কারাদণ্ড দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিনেতা ও তাঁর স্ত্রী। পরে তাঁদের সাজা স্থগিত করা হয়। ২০২৪ সালে ফের দোষী সাব্যস্ত হন রাজপাল। তবে আদালত আশা করেছিল, মামলাকারীদের সঙ্গে সমঝোতা করে কিংবা বকেয়া টাকা মিটিয়ে দ্রুত বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়াতেও পুরোপুরি সুরাহা হয়নি। দু’দফায় মোট ২.২৫ কোটি টাকা পরিশোধ করলেও বাকি টাকা মেটানো সম্ভব হয়নি। [TECHTARANGA-POST:12439]এরপর জুলাইয়ে ফের তিন মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ আসে। ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন রাজপাল। তবে শীর্ষ আদালতের সাম্প্রতিক নির্দেশেও স্বস্তি মিলল না অভিনেতার। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৫ সেপ্টেম্বর।