ঢাকা: পবিত্র উৎসব ইদ-উল-আজহা বা কোরবানির ইদের পুণ্যলগ্নে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই বিশেষ বার্তাটি সরকারিভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। ওপার বাংলায় সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দিল্লির এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। মোদীর এই চিঠির ছত্রে ছত্রে যেমন জড়িয়ে রয়েছে উৎসবের শুভেচ্ছা, তেমনই রয়েছে দুই প্রতিবেশী দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুক্ষ্ম কূটনৈতিক চাল ও অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা।[TECHTARANGA-POST:9559]প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর পাঠানো এই শুভেচ্ছা বার্তায় অত্যন্ত চমৎকারভাবে উল্লেখ করেছেন যে, ইদ-উল-আজহার মতো পবিত্র উৎসব ভারতেরও অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা ভারতের কোটি কোটি মুসলিম সম্প্রদায় অত্যন্ত আনন্দ, নিষ্ঠা ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করে থাকেন। ইদ-উল-আজহা মূলত ত্যাগ, সহানুভূতি এবং বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের চিরন্তন আদর্শকে সমুন্নত রাখে, যা একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব গড়ার জন্য বর্তমান সময়ে অত্যন্ত আবশ্যক। এই উৎসবের আবহে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও গভীর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা সশ্রদ্ধভাবে স্মরণ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে নরেন্দ্র মোদী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে এমন এক সুদৃঢ় বন্ধন বিদ্যমান, যা দুই দেশের অভিন্ন আত্মত্যাগ, গভীর সাংস্কৃতিক সাদৃশ্য এবং শান্তি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও যৌথ অগ্রগতির পারস্পরিক আকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।[TECHTARANGA-POST:9558]এই শুভেচ্ছা বার্তার মাধ্যমে আগামী দিনে ঢাকার নতুন সরকারের সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কের সমীকরণ কেমন হতে চলেছে, তারও এক বড়সড় ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি চিঠিতে সাফ লিখেছেন, আগামী দিনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জন-কেন্দ্রিক সহযোগিতা আরও বেশি জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য ভারত সরকার চাতক পাখির মতো অপেক্ষা করছে। মোদীর দাবি, দুই দেশের যৌথ ও অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি মূলত দুই দেশের সাধারণ মানুষের পারস্পরিক কল্যাণ সাধনের লক্ষ্যেই নিয়োজিত। চিঠির শেষ অংশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করার পাশাপাশি বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের অব্যাহত অগ্রগতি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির আশা প্রকাশ করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তারেক রহমানের হাত ধরে ওপার বাংলায় নতুন জমানা শুরুর পর মোদীর এই উষ্ণ বার্তা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার