Hidden Stories (বাংলা)

যুদ্ধের আঁচ পৌঁছেছে সমুদ্রপথে, ভারতীয় নাবিকদের জীবন বাঁচাতে কড়া নির্দেশ মোদি সরকারের

পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের আগুন এবার সরাসরি প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে ভারতীয় নাবিকদের উপর। হরমুজ প্রণালী এবং পারস্য উপসাগর সংলগ্ন এলাকায় ক্রমশ বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক বাণিজ্যতরীতে হামলার ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন কয়েকজন ভারতীয় নাবিকও। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার।[TECHTARANGA-POST:10975]সামুদ্রিক ক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ মেরিটাইম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (DGMA) জাহাজ মালিক, জাহাজ পরিচালনাকারী সংস্থা এবং নাবিক নিয়োগকারী এজেন্সিগুলিকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে নতুন করে ভারতীয় নাবিক নিয়োগ করা যাবে না। কেন্দ্রের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। ফলে ভারতীয় নাগরিকদের প্রাণের ঝুঁকি এড়াতেই এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পারস্য উপসাগর ও হরমুজের কাছাকাছি এলাকায় চলাচলকারী জাহাজগুলিকে বাড়তি সতর্কতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:10957]সম্প্রতি ওমান উপকূলের কাছে দুটি বাণিজ্যতরীতে হামলার ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ওই হামলায় বেশ কয়েকজন ভারতীয় নাবিক আহত হন এবং একজনের মৃত্যুর খবরও সামনে এসেছে। সরকারি সূত্রের দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সংঘাতের আবহে এখনও পর্যন্ত অন্তত ন'জন ভারতীয় নাবিক প্রাণ হারিয়েছেন। বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হল হরমুজ প্রণালী। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ এই জলপথ ব্যবহার করে। কিন্তু চলমান সংঘাতের কারণে এই অঞ্চল এখন বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ সামুদ্রিক করিডরে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনও আপস করা হবে না বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। তাই আপাতত হরমুজমুখী জাহাজে ভারতীয়দের পাঠানো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তই নিয়েছে সরকার।

যুদ্ধের আঁচ পৌঁছেছে সমুদ্রপথে, ভারতীয় নাবিকদের জীবন বাঁচাতে কড়া নির্দেশ মোদি সরকারের

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার