Hidden Stories (বাংলা)

মিড-ডে মিলের বরাদ্দে গরমিল! সাসপেন্ড মালদার স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা

পড়ুয়ার সংখ্যা এক, খাতায়-কলমে আরেক! মিড-ডে মিলের বরাদ্দে এবার উঠল গরমিলের অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে মালদা গার্লস জুনিয়র বেসিক স্কুলে। তদন্তে মিড-ডে মিলের হিসেব থেকে স্কুল পরিচালনা, একাধিক ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করা হয়েছে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকে। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা বুলু সরকার প্রামাণিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, স্কুলে প্রকৃত পড়ুয়ার সংখ্যার তুলনায় বেশি উপস্থিতি দেখিয়ে মিড-ডে মিলের বরাদ্দে গরমিল করা হয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, স্কুলে উপস্থিত পড়ুয়ার সংখ্যা এবং AMS (Automated Monitoring System)-এ আপলোড করা উপস্থিতির মধ্যে যথেষ্ট ফারাক রয়েছে। অভিযোগ, সেই অনুযায়ী প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি চালের ব্যবহার দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি মিড-ডে মিল রান্নার খরচও বাস্তবের তুলনায় বেশি দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তদন্তে উঠে এসেছে, স্কুলের রাইস স্টক রেজিস্টার ও ফান্ড রেজিস্টারে প্রধান শিক্ষিকার স্বাক্ষর পাওয়া যায়নি। প্রয়োজনীয় বিল, ভাউচার এবং আর্থিক নথিও তদন্তকারী দলের সামনে পেশ করা হয়নি। স্কুলের একাধিক প্রশাসনিক নথিতেও অসঙ্গতির অভিযোগ রয়েছে।[TECHTARANGA-POST:11360]এখানেই শেষ নয়। অভিযোগ, বিভিন্ন অজুহাতে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হতো। পাশাপাশি স্কুলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে সরকারি বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এই প্রসঙ্গে জেলা প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মলয় মণ্ডল জানিয়েছেন, ‘বিদ্যালয় পরিচালনা, মিড-ডে মিল এবং প্রশাসনিক কাজে একাধিক অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। সেই কারণেই আপাতত প্রধান শিক্ষিকাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এবার তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হবে।’  

 মিড-ডে মিলের বরাদ্দে গরমিল! সাসপেন্ড মালদার স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা